০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৪

জি কে শামীমকে আদালতে আনা হয়েছে

আদালতে জি কে শামীম ( সংগৃহীত ছবি )

যুবলীগের নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জিকে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার রায় ঘোষণা আজ (২৫ সেপ্টেম্বর), এরই মধ্যে তাকে আদালতে নিয়ে আসা হয়েছে। রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। পরে আদালতের হাজত খানায় রাখা হয়। ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করবেন।

গত ২৮ আগস্ট এ মামলার যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার এ তারিখ ঠিক করেন বিচারক। আলোচিত এ মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- মো. জাহিদুল ইসালাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন। তারা সবাই জি কে শামীমের দেহরক্ষী।

২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর অস্ত্র মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে র‌্যাব। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি একই আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠন করেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে রাজধানীর নিকেতনে শামীমের বাসা ও অফিসে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ৮টি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর এবং নগদ প্রায় ১ কোটি ৮১ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা এবং মদ জব্দ করে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনে ৩টি মামলা করা হয়।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

জনপ্রিয়

মুরাদনগরের সাবেক ৫বারের এমপি কায়কোবাদের অপেক্ষায় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ

জি কে শামীমকে আদালতে আনা হয়েছে

প্রকাশিত : ১২:১৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

যুবলীগের নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জিকে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার রায় ঘোষণা আজ (২৫ সেপ্টেম্বর), এরই মধ্যে তাকে আদালতে নিয়ে আসা হয়েছে। রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। পরে আদালতের হাজত খানায় রাখা হয়। ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করবেন।

গত ২৮ আগস্ট এ মামলার যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার এ তারিখ ঠিক করেন বিচারক। আলোচিত এ মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- মো. জাহিদুল ইসালাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন। তারা সবাই জি কে শামীমের দেহরক্ষী।

২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর অস্ত্র মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে র‌্যাব। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি একই আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠন করেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে রাজধানীর নিকেতনে শামীমের বাসা ও অফিসে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ৮টি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর এবং নগদ প্রায় ১ কোটি ৮১ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা এবং মদ জব্দ করে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনে ৩টি মামলা করা হয়।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব