০৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার ফের হুঁশিয়ারি

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসবাদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে আলাদা করে একটি আইন পাস হতে পারে। এই ধরণের আইন পাস হলে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক খারাপভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ও এমনকি ছিন্নও হতে পারে। সিনিয়র এক রুশ কর্মকর্তা এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন। খবর আল জাজিরার।

রুশ মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা বিভাগের প্রধান আলেকজান্ডার দারচিভ বলেন, ইউক্রেনের ওপর মার্কিন প্রভাব এমন মাত্রায় বেড়েছে যে, আমেরিকানরা ক্রমবর্ধমান সংঘাতে সরাসরি পক্ষ হয়ে উঠছে।
এর আগে গতকাল রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সিনিয়র কর্মকর্তা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার যেকোনো সম্পদ বাজেয়াপ্ত করলে দেশটির সঙ্গে মস্কোর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যাবে।

তবে ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ সরাসরি নিজেকে জড়িয়ে ফেলতে চায় না। রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমান থেকে তাদের আকাশকে রক্ষা করতে সাহায্য করার জন্য একটি নো-ফ্লাই জোন প্রতিষ্ঠায় ইউক্রেনের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে তারা।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর আজ পর্যন্ত টানা ১৭২ দিনের মতো চলছে দেশ দুইটির সংঘাত। এতে দুই পক্ষের বহু হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে যুদ্ধ বন্ধে এখন পর্যন্ত কোনো লক্ষণ নেই। উলটো পূর্ব ইউক্রেনে দেশ দুইটির মধ্যে সংঘাত আরও বেড়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/হাবিব

জনপ্রিয়

কাদিয়ারভাঙ্গা প্রধানগোষ্ঠী ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে আদর্শ সমাজ গঠনে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা

যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার ফের হুঁশিয়ারি

প্রকাশিত : ০৪:০২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসবাদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে আলাদা করে একটি আইন পাস হতে পারে। এই ধরণের আইন পাস হলে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক খারাপভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ও এমনকি ছিন্নও হতে পারে। সিনিয়র এক রুশ কর্মকর্তা এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন। খবর আল জাজিরার।

রুশ মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা বিভাগের প্রধান আলেকজান্ডার দারচিভ বলেন, ইউক্রেনের ওপর মার্কিন প্রভাব এমন মাত্রায় বেড়েছে যে, আমেরিকানরা ক্রমবর্ধমান সংঘাতে সরাসরি পক্ষ হয়ে উঠছে।
এর আগে গতকাল রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সিনিয়র কর্মকর্তা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার যেকোনো সম্পদ বাজেয়াপ্ত করলে দেশটির সঙ্গে মস্কোর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যাবে।

তবে ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ সরাসরি নিজেকে জড়িয়ে ফেলতে চায় না। রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমান থেকে তাদের আকাশকে রক্ষা করতে সাহায্য করার জন্য একটি নো-ফ্লাই জোন প্রতিষ্ঠায় ইউক্রেনের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে তারা।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর আজ পর্যন্ত টানা ১৭২ দিনের মতো চলছে দেশ দুইটির সংঘাত। এতে দুই পক্ষের বহু হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে যুদ্ধ বন্ধে এখন পর্যন্ত কোনো লক্ষণ নেই। উলটো পূর্ব ইউক্রেনে দেশ দুইটির মধ্যে সংঘাত আরও বেড়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/হাবিব