০৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রান্তিক মানুষের উন্নয়নে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে: প্রতিমন্ত্রী

দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে তথ্য, উন্নয়ন বার্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দিতে জেলা পর্যায়ে নির্মাণ করা হচ্ছে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স। তথ্য, সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র, প্রযুক্তি ও জনসচেতনতা কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও জনমুখী করতে এসব কমপ্লেক্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাঙ্গামাটি সদরের মুজাদ্দেদ-ই-আলফেসানী একাডেমি প্রাঙ্গণে ২৬ জেলার আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে রাঙ্গামাটি জেলার আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সকে শুধু একটি ভবন হিসেবে দেখলে চলবে না। এর মাধ্যমে তথ্য ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রচার, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, চলচ্চিত্র প্রদর্শন এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে। চলচ্চিত্র ও শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশেও এ ধরনের অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি জানান, রাঙ্গামাটির আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সে প্রায় ১৬০ আসনের একটি মিনি সিনেপ্লেক্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় মানুষের বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।

সাইবার অপরাধ, গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে তথ্য যেমন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, তেমনি গুজব, অপতথ্য, মানহানিকর প্রচারণা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অপরাধের ঝুঁকিও বাড়ছে। এসব মোকাবিলায় সঠিক তথ্য ও জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের ফলে তরুণরা ঘরে বসেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন। ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগও তৈরি হয়েছে। আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামো গড়ে উঠলে রাঙ্গামাটিসহ পার্বত্য এলাকার তরুণদের জন্য এ সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে। এজন্য প্রশিক্ষণ, তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল সেবার সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের মানুষের সমস্যা সরেজমিনে চিহ্নিত করে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। দুর্গম এলাকায় ঝিরি থেকে সৌরশক্তির মাধ্যমে পানি উত্তোলন, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের প্রয়োজন বুঝে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। শহরকেন্দ্রিক উন্নয়নের পাশাপাশি দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশকে বিশ্বপরিসরে তুলে ধরতে তথ্য ও সম্প্রচার খাতকে আরও আধুনিক করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন, শিল্প-সংস্কৃতি, মানুষের জীবনযাত্রা ও সম্ভাবনাকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে তথ্য ও সম্প্রচার খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে বাংলাদেশকে বিশ্বপরিসরে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এ খাতকে আরও কার্যকর করতে হবে।

জেলা পর্যায়ে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ সরকারের চলমান উন্নয়ন উদ্যোগের অংশ উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্ট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার আহ্বান জানান। সম্ভব হলে নির্ধারিত সময়ের আগেই উন্নতমানের নির্মাণকাজ শেষ করে কমপ্লেক্সটি জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে নির্মাণকাজের মানের বিষয়ে কোনো ধরনের আপস না করারও তাগিদ দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. শাহ আলম বলেন, জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন প্রকল্পকে গুরুত্বের সঙ্গে বাস্তবায়ন করছে। জেলা পর্যায়ে আধুনিক তথ্য অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগও এর অংশ।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে তথ্যের ঘাটতির চেয়ে অতিরিক্ত তথ্যের কারণে বিভ্রান্তির ঝুঁকি বেশি। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে। তবে এসব তথ্যের সবই নির্ভরযোগ্য নয়। অপতথ্য, গুজব, ভুয়া ও মানহানিকর তথ্য সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই জনগণের কাছে সঠিক ও যাচাই করা তথ্য পৌঁছে দেওয়া জরুরি।

অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এস এম আব্দুর রহমান, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার, পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরানুল ভূঞাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস

প্রান্তিক মানুষের উন্নয়নে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে: প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৪:২২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে তথ্য, উন্নয়ন বার্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দিতে জেলা পর্যায়ে নির্মাণ করা হচ্ছে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স। তথ্য, সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র, প্রযুক্তি ও জনসচেতনতা কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও জনমুখী করতে এসব কমপ্লেক্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাঙ্গামাটি সদরের মুজাদ্দেদ-ই-আলফেসানী একাডেমি প্রাঙ্গণে ২৬ জেলার আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে রাঙ্গামাটি জেলার আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সকে শুধু একটি ভবন হিসেবে দেখলে চলবে না। এর মাধ্যমে তথ্য ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রচার, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, চলচ্চিত্র প্রদর্শন এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে। চলচ্চিত্র ও শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশেও এ ধরনের অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি জানান, রাঙ্গামাটির আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সে প্রায় ১৬০ আসনের একটি মিনি সিনেপ্লেক্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় মানুষের বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।

সাইবার অপরাধ, গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে তথ্য যেমন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, তেমনি গুজব, অপতথ্য, মানহানিকর প্রচারণা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অপরাধের ঝুঁকিও বাড়ছে। এসব মোকাবিলায় সঠিক তথ্য ও জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের ফলে তরুণরা ঘরে বসেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন। ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগও তৈরি হয়েছে। আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামো গড়ে উঠলে রাঙ্গামাটিসহ পার্বত্য এলাকার তরুণদের জন্য এ সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে। এজন্য প্রশিক্ষণ, তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল সেবার সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের মানুষের সমস্যা সরেজমিনে চিহ্নিত করে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। দুর্গম এলাকায় ঝিরি থেকে সৌরশক্তির মাধ্যমে পানি উত্তোলন, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের প্রয়োজন বুঝে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। শহরকেন্দ্রিক উন্নয়নের পাশাপাশি দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশকে বিশ্বপরিসরে তুলে ধরতে তথ্য ও সম্প্রচার খাতকে আরও আধুনিক করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন, শিল্প-সংস্কৃতি, মানুষের জীবনযাত্রা ও সম্ভাবনাকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে তথ্য ও সম্প্রচার খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে বাংলাদেশকে বিশ্বপরিসরে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এ খাতকে আরও কার্যকর করতে হবে।

জেলা পর্যায়ে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ সরকারের চলমান উন্নয়ন উদ্যোগের অংশ উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্ট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার আহ্বান জানান। সম্ভব হলে নির্ধারিত সময়ের আগেই উন্নতমানের নির্মাণকাজ শেষ করে কমপ্লেক্সটি জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে নির্মাণকাজের মানের বিষয়ে কোনো ধরনের আপস না করারও তাগিদ দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. শাহ আলম বলেন, জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন প্রকল্পকে গুরুত্বের সঙ্গে বাস্তবায়ন করছে। জেলা পর্যায়ে আধুনিক তথ্য অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগও এর অংশ।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে তথ্যের ঘাটতির চেয়ে অতিরিক্ত তথ্যের কারণে বিভ্রান্তির ঝুঁকি বেশি। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে। তবে এসব তথ্যের সবই নির্ভরযোগ্য নয়। অপতথ্য, গুজব, ভুয়া ও মানহানিকর তথ্য সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই জনগণের কাছে সঠিক ও যাচাই করা তথ্য পৌঁছে দেওয়া জরুরি।

অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এস এম আব্দুর রহমান, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার, পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরানুল ভূঞাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিএস./