সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে বালু-পাথর ব্যবসার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চাঁদাবাজি ও ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধসহ নদীঘাটগুলোতে কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছেন ইকবাল হাসান। তিনি জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও বালু-পাথর ব্যবসায়ী।
সম্প্রতি ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে ইকবাল হাসান বলেন, একসময় জামালগঞ্জ বালু-পাথর ব্যবসার জন্য পুরো সিলেট বিভাগে পরিচিত ছিল। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা জামালগঞ্জে আসতেন। নদী ও ঘাটকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে কর্মসংস্থান হতো স্থানীয় হাজারো শ্রমিকের।
তবে বর্তমানে চাঁদাবাজি ও হয়রানির কারণে ব্যবসায়ীরা এখানে আসতে ভয় পাচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য এবং নদীঘাটকেন্দ্রিক শ্রমজীবী মানুষ।
ইকবাল হাসান বলেন, তিনি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে দোষারোপ করতে চান না। তাঁর মতে, চাঁদাবাজির বিষয়টি দীর্ঘদিনের ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এর সমাধানে কার্যকর প্রশাসনিক উদ্যোগ প্রয়োজন।
তিনি সুরমা, রক্তি ও বৌলাই নদীর প্রতিটি ঘাটে বৈধ ইজারার বাইরে কোনো অর্থ আদায় করা হচ্ছে কি না, তা নজরদারির জন্য উপজেলা প্রশাসন ও নৌ-পুলিশের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠনের দাবি জানান।
এছাড়া ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধের পাশাপাশি কোন ঘাটের ইজারা কত এবং বৈধ টোলের পরিমাণ কত—এসব তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ইকবাল হাসানের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে জামালগঞ্জের নদীঘাটকেন্দ্রিক বালু-পাথর ব্যবসা আবারও স্বাভাবিক পরিবেশে ফিরতে পারে এবং স্থানীয় শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়তে পারে।
ডিএস./



















