১২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
সোনারগাঁয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

পানাম সিটিতে ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও পর্যটন উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা

ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ের পানাম সিটিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে “ঐতিহ্য রক্ষা ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা ও আমাদের ভাবনা” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় বক্তারা বলেন, প্রাচীন বাংলার রাজধানী সোনারগাঁ বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে সোনারগাঁকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর যথাযথ সংরক্ষণ, পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

বিসমিল্লাহ এনএম জুলফিকার ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. হোসাইন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টুরিস্ট পুলিশের ওসি এ কে এম মাহবুব আলম এবং ইনচার্জ মাজহারুল ইসলাম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন পানাম সিটির অফিসার মো. তানজিলুর রহমান।

এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক আল আমিন তুষার, পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির সভাপতি ফজলুর হক ভূইয়া, তথ্য ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সভাপতি শামিম হোসেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সোনারগাঁ উপজেলা শাখার মশিউর রহমান, সোনারগাঁ রয়েল রিসোর্টের রিসেপশনিস্ট তরিকুল ইসলাম, মোক্তার হোসেনসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

বক্তারা আরও বলেন, পর্যটন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি একটি এলাকার ইতিহাস, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। সোনারগাঁয়ের পানাম সিটি, লোক ও কারুশিল্প জাদুঘরসহ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিত ও টেকসই পর্যটন গড়ে তোলা গেলে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

এ সময় পর্যটকদের নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা, যানবাহন ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, পর্যটনকেন্দ্রিক তথ্যসেবা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগণকে পর্যটন ব্যবস্থাপনায় সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ের ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পর্যটনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এর সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব অক্ষুণ্ন রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সাতকানিয়ায় তিন হাসপাতালে নানা অনিয়ম, জরিমানা ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা

সোনারগাঁয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

পানাম সিটিতে ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও পর্যটন উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা

প্রকাশিত : ১২:০৮:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ের পানাম সিটিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে “ঐতিহ্য রক্ষা ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা ও আমাদের ভাবনা” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় বক্তারা বলেন, প্রাচীন বাংলার রাজধানী সোনারগাঁ বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে সোনারগাঁকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর যথাযথ সংরক্ষণ, পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

বিসমিল্লাহ এনএম জুলফিকার ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. হোসাইন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টুরিস্ট পুলিশের ওসি এ কে এম মাহবুব আলম এবং ইনচার্জ মাজহারুল ইসলাম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন পানাম সিটির অফিসার মো. তানজিলুর রহমান।

এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক আল আমিন তুষার, পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির সভাপতি ফজলুর হক ভূইয়া, তথ্য ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সভাপতি শামিম হোসেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সোনারগাঁ উপজেলা শাখার মশিউর রহমান, সোনারগাঁ রয়েল রিসোর্টের রিসেপশনিস্ট তরিকুল ইসলাম, মোক্তার হোসেনসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

বক্তারা আরও বলেন, পর্যটন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি একটি এলাকার ইতিহাস, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। সোনারগাঁয়ের পানাম সিটি, লোক ও কারুশিল্প জাদুঘরসহ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিত ও টেকসই পর্যটন গড়ে তোলা গেলে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

এ সময় পর্যটকদের নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা, যানবাহন ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, পর্যটনকেন্দ্রিক তথ্যসেবা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগণকে পর্যটন ব্যবস্থাপনায় সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ের ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পর্যটনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এর সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব অক্ষুণ্ন রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ডিএস./