০৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

ছাগল করলা খেতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ধামইরহাটে নিহত ১; গ্রেপ্তার ৭

নওগাঁর ধামইরহাটে পূর্ববিরোধের জেরে করলা খেতে ছাগল প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আবুল কাশেম নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের এক রাতের মধ্যেই এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ৬ নম্বর জাহানপুর ইউনিয়নের বড়শিবপুর (মাস্টারপাড়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, করলা খেতে ছাগল প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে আবুল কাশেম ও রাকিবুল ইসলাম রনির পক্ষের লোকজনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পূর্বের শত্রুতার জেরও এ বিরোধে যুক্ত হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হলে আবুল কাশেমের পক্ষের পাঁচজন গুরুতর আহত হন।

আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কাশেম মারা যান। তাঁর স্ত্রী গুরুতর আহত অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপর আহতরা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এ ঘটনায় নিহত আবুল কাশেমের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলা দায়েরের পরপরই নওগাঁর পুলিশ সুপারের সরাসরি তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় এবং ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযানে নামে। পরে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), তাঁর বাবা আব্দুল হাকিম (৬০), কফিল উদ্দিন (৬৫), আকলিমা বেগম (৩৫), হামিদা বেগম (৩৮), ফরিদা বেগম (৫০) ও জিয়াসমিন বেগম (২১)। তাঁদের সবার বাড়ি ধামইরহাট উপজেলার বড়শিবপুর (মাস্টারপাড়া) এলাকায়।

পুলিশের দাবি, অভিযানের সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকুও উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইয়েমেনে প্রতি ৪ পরিবারের তিনটিই খাদ্যসংকটে: জাতিসংঘ

ছাগল করলা খেতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ধামইরহাটে নিহত ১; গ্রেপ্তার ৭

প্রকাশিত : ০৪:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

নওগাঁর ধামইরহাটে পূর্ববিরোধের জেরে করলা খেতে ছাগল প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আবুল কাশেম নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের এক রাতের মধ্যেই এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ৬ নম্বর জাহানপুর ইউনিয়নের বড়শিবপুর (মাস্টারপাড়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, করলা খেতে ছাগল প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে আবুল কাশেম ও রাকিবুল ইসলাম রনির পক্ষের লোকজনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পূর্বের শত্রুতার জেরও এ বিরোধে যুক্ত হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হলে আবুল কাশেমের পক্ষের পাঁচজন গুরুতর আহত হন।

আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কাশেম মারা যান। তাঁর স্ত্রী গুরুতর আহত অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপর আহতরা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এ ঘটনায় নিহত আবুল কাশেমের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলা দায়েরের পরপরই নওগাঁর পুলিশ সুপারের সরাসরি তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় এবং ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযানে নামে। পরে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), তাঁর বাবা আব্দুল হাকিম (৬০), কফিল উদ্দিন (৬৫), আকলিমা বেগম (৩৫), হামিদা বেগম (৩৮), ফরিদা বেগম (৫০) ও জিয়াসমিন বেগম (২১)। তাঁদের সবার বাড়ি ধামইরহাট উপজেলার বড়শিবপুর (মাস্টারপাড়া) এলাকায়।

পুলিশের দাবি, অভিযানের সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকুও উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ডিএস./