০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটিতে হামলায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে হামলার ষড়যন্ত্রের পেছনে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। এ ঘটনায় ইরানের ২ নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। খবর আল-জাজিরার।

সোমবার (১২ অক্টোবর) ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তিনি এ কথা বলেন।

বার্নহ্যাম বলেন, বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে কথিত ষড়যন্ত্রটি প্রায় নিশ্চিতভাবেই আইআরজিসির নির্দেশে পরিচালিত হয়েছে।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের ভূখণ্ডে এ ধরনের হুমকি সহ্য করা হবে না। ইরানের কর্মকাণ্ড ও অর্থায়নের উৎসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্রিটেন তার হাতে থাকা সব ক্ষমতা ব্যবহার করবে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ইরান ও আইআরজিসির ক্ষতি করার সক্ষমতা সীমিত করতে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, ইরান সরকারের পক্ষে শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা বা এসব কর্মকাণ্ডে সহায়তা করার অভিযোগে দুই ইরানি নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে, তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ইউরোপের অধিকাংশ দেশসহ ২৯টি দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে ইরানকে বিমানঘাঁটিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টার জন্য দায়ী করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, অন্য দেশের ভূখণ্ডে মানুষকে হুমকি দেওয়া, ভয় দেখানো, হয়রানি করা, ক্ষতি করা কিংবা জোরপূর্বক কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।

অপরদিকে, সোমবার (১২ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আলী মুসাভি দেশটির মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী স্টিফেন ডাউটির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে মুসাভি এ ঘটনায় ইরানের জড়িত থাকার অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। একই সঙ্গে, প্রমাণ ছাড়া কোনো বক্তব্য না দিতে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আইআরএনএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তে সহযোগিতা করতে তেহরান প্রস্তুত বলে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।

এর আগে, লন্ডনে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসও এ ঘটনায় ইরানের সম্পৃক্ততার অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও বিদ্বেষপূর্ণ বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আজ বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটিতে হামলায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

প্রকাশিত : ০৯:৪০:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে হামলার ষড়যন্ত্রের পেছনে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। এ ঘটনায় ইরানের ২ নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। খবর আল-জাজিরার।

সোমবার (১২ অক্টোবর) ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তিনি এ কথা বলেন।

বার্নহ্যাম বলেন, বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে কথিত ষড়যন্ত্রটি প্রায় নিশ্চিতভাবেই আইআরজিসির নির্দেশে পরিচালিত হয়েছে।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের ভূখণ্ডে এ ধরনের হুমকি সহ্য করা হবে না। ইরানের কর্মকাণ্ড ও অর্থায়নের উৎসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্রিটেন তার হাতে থাকা সব ক্ষমতা ব্যবহার করবে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ইরান ও আইআরজিসির ক্ষতি করার সক্ষমতা সীমিত করতে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, ইরান সরকারের পক্ষে শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা বা এসব কর্মকাণ্ডে সহায়তা করার অভিযোগে দুই ইরানি নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে, তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ইউরোপের অধিকাংশ দেশসহ ২৯টি দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে ইরানকে বিমানঘাঁটিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টার জন্য দায়ী করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, অন্য দেশের ভূখণ্ডে মানুষকে হুমকি দেওয়া, ভয় দেখানো, হয়রানি করা, ক্ষতি করা কিংবা জোরপূর্বক কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।

অপরদিকে, সোমবার (১২ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আলী মুসাভি দেশটির মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী স্টিফেন ডাউটির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে মুসাভি এ ঘটনায় ইরানের জড়িত থাকার অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। একই সঙ্গে, প্রমাণ ছাড়া কোনো বক্তব্য না দিতে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আইআরএনএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তে সহযোগিতা করতে তেহরান প্রস্তুত বলে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।

এর আগে, লন্ডনে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসও এ ঘটনায় ইরানের সম্পৃক্ততার অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও বিদ্বেষপূর্ণ বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

ডিএস./