০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

বিএনপি সমাবেশ শেষে নাশকতার চেষ্টা করলে ব্যবস্থা: পুলিশ

কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে বিএনপির গণসমাবেশ শুরু হয়। শনিবার, ১০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সমাবেশ শুরু হয়। এর ১০ মিনিট পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার।

নয়াপল্টন এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে তিনি বলেন, সমাবেশ শেষ করে বিএনপির কেউ নাশকতার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা শহর ও নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশ অঙ্গিকারবদ্ধ। মানুষের জানমালের যেন ক্ষতি না হয়, সেজন্য ডিএমপির প্রতিটি সদস্য কাজ করছে। পুলিশের প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার।

এদিকে, গোলাপবাগে সমাস্থলে নিরাপত্তা জোরদারে র‌্যাবের হেলিকপ্টার টহল চলছে। এ ছাড়া পুলিশ, আনসার, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও বিভিন্ন সংস্থার গোয়েন্দা সদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৩০ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। রাজধানীজুড়ে যেকোনো সহিংসতা ও নাশকতা প্রতিরোধে দায়িত্ব পালন করছেন তারা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

জনপ্রিয়

বড়লেখায় ৪,০০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

বিএনপি সমাবেশ শেষে নাশকতার চেষ্টা করলে ব্যবস্থা: পুলিশ

প্রকাশিত : ০১:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২

কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে বিএনপির গণসমাবেশ শুরু হয়। শনিবার, ১০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সমাবেশ শুরু হয়। এর ১০ মিনিট পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার।

নয়াপল্টন এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে তিনি বলেন, সমাবেশ শেষ করে বিএনপির কেউ নাশকতার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা শহর ও নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশ অঙ্গিকারবদ্ধ। মানুষের জানমালের যেন ক্ষতি না হয়, সেজন্য ডিএমপির প্রতিটি সদস্য কাজ করছে। পুলিশের প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার।

এদিকে, গোলাপবাগে সমাস্থলে নিরাপত্তা জোরদারে র‌্যাবের হেলিকপ্টার টহল চলছে। এ ছাড়া পুলিশ, আনসার, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও বিভিন্ন সংস্থার গোয়েন্দা সদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৩০ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। রাজধানীজুড়ে যেকোনো সহিংসতা ও নাশকতা প্রতিরোধে দায়িত্ব পালন করছেন তারা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব