০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রামে সকল অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নির্দেশ

মোবাইল কোর্টে জরিমানাপ্রাপ্ত ৭১ ইটভাটাসহ লাইসেন্সবিহীন চট্টগ্রামে পরিচালিত সকল অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এসব অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করে আদালতে হলফনামা আকারে প্রতিবেদন দাখিল করতে চট্টগ্রামের ডিসি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালককে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বিচারপতি মো. মজিবর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল রবিবার এই আদেশ দেন। আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের দায়েরকৃত রিটের পরিপ্রেক্ষিতে সাত দিনের মধ্যে চট্টগ্রামে অবৈধভাবে পরিচালিত সকল ইটভাটা বন্ধ করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কাঠ ও পাহাড়ের মাটিকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা ইটভাটার তালিকা দাখিল করতে বলা হয়। প্রশাসন আদালতের নির্দেশ অনুসারে ইটভাটা বন্ধের কর্যক্রম শুরু করলেও লোহাগড়া ও চন্দনাইশ উপজেলাসহ কিছু কিছু জায়গায় ইটভাটা বন্ধ না করে শুধুমাত্র জরিমানা করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ না করার পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এ আদেশ দেয়।

আদালতে রিটকারী পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডি এ জি নওরোজ রাসেল চৌধুরী এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে সৈয়দ কামরুল হোসেন শুনানি করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষিকে লাভজনক খাতে রূপান্তরের আহ্বান রাষ্ট্রপতির, বারি পরিদর্শনে গাজীপুরে মতবিনিময় সভা

চট্টগ্রামে সকল অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নির্দেশ

প্রকাশিত : ১২:০১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২১

মোবাইল কোর্টে জরিমানাপ্রাপ্ত ৭১ ইটভাটাসহ লাইসেন্সবিহীন চট্টগ্রামে পরিচালিত সকল অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এসব অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করে আদালতে হলফনামা আকারে প্রতিবেদন দাখিল করতে চট্টগ্রামের ডিসি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালককে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বিচারপতি মো. মজিবর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল রবিবার এই আদেশ দেন। আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের দায়েরকৃত রিটের পরিপ্রেক্ষিতে সাত দিনের মধ্যে চট্টগ্রামে অবৈধভাবে পরিচালিত সকল ইটভাটা বন্ধ করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কাঠ ও পাহাড়ের মাটিকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা ইটভাটার তালিকা দাখিল করতে বলা হয়। প্রশাসন আদালতের নির্দেশ অনুসারে ইটভাটা বন্ধের কর্যক্রম শুরু করলেও লোহাগড়া ও চন্দনাইশ উপজেলাসহ কিছু কিছু জায়গায় ইটভাটা বন্ধ না করে শুধুমাত্র জরিমানা করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ না করার পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এ আদেশ দেয়।

আদালতে রিটকারী পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডি এ জি নওরোজ রাসেল চৌধুরী এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে সৈয়দ কামরুল হোসেন শুনানি করেন।