০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬

শান্তর ফিফটি, সিলেটের সেঞ্চুরি

ইনিংসের প্রথম ওভারেই দারুণ শুরুর আভাস দিয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। সেটি ধরে রেখে এগোচ্ছেন দারুণভাবে। মোস্তাফিজকে দারুণ চার মারার পর সিঙ্গেল নিয়ে ৩৯ বলে ফিফটির দেখা পান শান্ত। চলতি আসরে এটি তার চতুর্থ ফিফটি। সঙ্গে ছাড়িয়েছেন ৫০০ রান। ২৬ রানে ২ উইকেট হারানোর পর মুশফিককে সঙ্গে চ্যালেঞ্জিং পুজির দিকে হাঁটছেন শান্ত। দুজনের জুটি থেকে আসে ৫২ বলে ৭৪ রান। ১১.৪ ওভারে দলটি ১০০ রান করে।

প্রথম ওভারে আসে ১৮ রান। পরের ৫ ওভারে আসে মাত্র ২৪ রান। এর মধ্যে সিলেট হারিয়েছে ২ উইকেট। একটি করে উইকেট নেন আন্দ্রে রাসেল ও তানভীর ইসলাম। দারুণ ব্যাটিং করে যাচ্ছেন শান্ত। তিনি ২৭ বলে ৩৫ রানে ব্যাট করছেন। সঙ্গে আছেন মুশফিক।

দ্বিতীয় ওভারে ব্যাটিংয়ে আসেন অধিনায়ক মাশরাফি। কিন্তু ক্যামিও ইনিংস খেলতে পারেননি। রাসেলের বলে ১ রানে আউট হয়ে ফেরেন সাজঘরে। বল খেলেন ৪টি। আরেক প্রান্তে ঝড়ো ব্যাটিং করছেন শান্ত। এখন পর্যন্ত ১৬ বলে ২৪ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

ফাইনালের মঞ্চে দুর্দান্ত শুরু করে সিলেট। প্রথম ওভারে আসে ১৮ রান। কিন্তু দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই উইকেট হারায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। তানভীর ইসলামের ঘূর্ণিতে পরাস্ত হন আসরে দারুণ ব্যাটিং করা তৌহিদ হৃদয়। প্রথম বলেই ফেরেন বোল্ড হয়ে। দ্বিতীয় ওভারেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে কুমিল্লা। হৃদয়ের আউটের পর ব্যাটিংয়ে আসেন অধিনায়ক মাশরাফি।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফাইনালে ট্রফির লড়াইয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) মুখোমুখি কুমিল্লা-সিলেট। টস জিতে সিলেটকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে কুমিল্লা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় খেলাটি শুরু হয়।

সিলেট স্ট্রাইকার্স: মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), নাজমুল হোসেন শান্ত,তৌহিদ হৃদয়, জাকির হাসান, মুশফিকুর রহিম, রায়ান বার্ল, জর্জ লিন্ডে, থিসারা পেরেরা, লুক উড, রুবেল হোসেন এবং তানজিম হাসান সাকিব।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স: ইমরুল কায়েস, লিটন কুমার দাস, মোসাদ্দেক হোসেন, তানভীর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, মুকিদুল ইসলাম, মঈন আলী, সুনীল নারাইন, আন্দ্রে রাসেল ও জনসন চার্লস।

ফাইনালে অপরাজিত কুমিল্লার চোখ চতুর্থ শিরোপায়। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের সামনে পথের কাঁটা সিলেট স্ট্রাইকার্স, যারা কি না কখনো ফাইনালেই খেলেনি। এর আগে একবারই প্লে অফ খেলেছিল তারা, সেটাও ২০১৩ সালে। কাগজে কলমে সিলেট পিছিয়ে। কিন্তু ইতিহাস আছে তাদের পক্ষেও। কারণ দলের নেতা যে মাশরাফি মুর্তজা, যিনি কখনো ফাইনাল খেলে হারেননি। পাঁচ বছরে ঢাকার হয়ে দুইবার এবং কুমিল্লা ও রংপুরের হয়ে একবার করে শিরোপা জিতেছেন। চারবার ফাইনাল খেলে চারবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তার দল।

বলা হচ্ছে দুই দলের ব‌্যাটিং গভীরতা অনেক বেশি থাকলেও বোলিংটাই মূল শক্তি। কুমিল্লার আন্দ্রে রাসেলের সঙ্গে মোস্তাফিজুর রহমান, তানবীর ইসলাম, মঈন আলী, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধরা ভালো বোলিং করছেন। সিলেটের সাকিব, রুবেলের সঙ্গে লিউক উড, জর্জ লিন্ডে আলো ছড়াচ্ছেন। ফাইনালে বোলিং পার্থক‌্য গড়ে দিতে পারে এমন ধারণা করা হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

 

ট্যাগ :

খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও খন্দকার মারুফ হোসেনসহ ২০ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

শান্তর ফিফটি, সিলেটের সেঞ্চুরি

প্রকাশিত : ০৭:৪৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ইনিংসের প্রথম ওভারেই দারুণ শুরুর আভাস দিয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। সেটি ধরে রেখে এগোচ্ছেন দারুণভাবে। মোস্তাফিজকে দারুণ চার মারার পর সিঙ্গেল নিয়ে ৩৯ বলে ফিফটির দেখা পান শান্ত। চলতি আসরে এটি তার চতুর্থ ফিফটি। সঙ্গে ছাড়িয়েছেন ৫০০ রান। ২৬ রানে ২ উইকেট হারানোর পর মুশফিককে সঙ্গে চ্যালেঞ্জিং পুজির দিকে হাঁটছেন শান্ত। দুজনের জুটি থেকে আসে ৫২ বলে ৭৪ রান। ১১.৪ ওভারে দলটি ১০০ রান করে।

প্রথম ওভারে আসে ১৮ রান। পরের ৫ ওভারে আসে মাত্র ২৪ রান। এর মধ্যে সিলেট হারিয়েছে ২ উইকেট। একটি করে উইকেট নেন আন্দ্রে রাসেল ও তানভীর ইসলাম। দারুণ ব্যাটিং করে যাচ্ছেন শান্ত। তিনি ২৭ বলে ৩৫ রানে ব্যাট করছেন। সঙ্গে আছেন মুশফিক।

দ্বিতীয় ওভারে ব্যাটিংয়ে আসেন অধিনায়ক মাশরাফি। কিন্তু ক্যামিও ইনিংস খেলতে পারেননি। রাসেলের বলে ১ রানে আউট হয়ে ফেরেন সাজঘরে। বল খেলেন ৪টি। আরেক প্রান্তে ঝড়ো ব্যাটিং করছেন শান্ত। এখন পর্যন্ত ১৬ বলে ২৪ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

ফাইনালের মঞ্চে দুর্দান্ত শুরু করে সিলেট। প্রথম ওভারে আসে ১৮ রান। কিন্তু দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই উইকেট হারায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। তানভীর ইসলামের ঘূর্ণিতে পরাস্ত হন আসরে দারুণ ব্যাটিং করা তৌহিদ হৃদয়। প্রথম বলেই ফেরেন বোল্ড হয়ে। দ্বিতীয় ওভারেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে কুমিল্লা। হৃদয়ের আউটের পর ব্যাটিংয়ে আসেন অধিনায়ক মাশরাফি।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফাইনালে ট্রফির লড়াইয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) মুখোমুখি কুমিল্লা-সিলেট। টস জিতে সিলেটকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে কুমিল্লা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় খেলাটি শুরু হয়।

সিলেট স্ট্রাইকার্স: মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), নাজমুল হোসেন শান্ত,তৌহিদ হৃদয়, জাকির হাসান, মুশফিকুর রহিম, রায়ান বার্ল, জর্জ লিন্ডে, থিসারা পেরেরা, লুক উড, রুবেল হোসেন এবং তানজিম হাসান সাকিব।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স: ইমরুল কায়েস, লিটন কুমার দাস, মোসাদ্দেক হোসেন, তানভীর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, মুকিদুল ইসলাম, মঈন আলী, সুনীল নারাইন, আন্দ্রে রাসেল ও জনসন চার্লস।

ফাইনালে অপরাজিত কুমিল্লার চোখ চতুর্থ শিরোপায়। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের সামনে পথের কাঁটা সিলেট স্ট্রাইকার্স, যারা কি না কখনো ফাইনালেই খেলেনি। এর আগে একবারই প্লে অফ খেলেছিল তারা, সেটাও ২০১৩ সালে। কাগজে কলমে সিলেট পিছিয়ে। কিন্তু ইতিহাস আছে তাদের পক্ষেও। কারণ দলের নেতা যে মাশরাফি মুর্তজা, যিনি কখনো ফাইনাল খেলে হারেননি। পাঁচ বছরে ঢাকার হয়ে দুইবার এবং কুমিল্লা ও রংপুরের হয়ে একবার করে শিরোপা জিতেছেন। চারবার ফাইনাল খেলে চারবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তার দল।

বলা হচ্ছে দুই দলের ব‌্যাটিং গভীরতা অনেক বেশি থাকলেও বোলিংটাই মূল শক্তি। কুমিল্লার আন্দ্রে রাসেলের সঙ্গে মোস্তাফিজুর রহমান, তানবীর ইসলাম, মঈন আলী, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধরা ভালো বোলিং করছেন। সিলেটের সাকিব, রুবেলের সঙ্গে লিউক উড, জর্জ লিন্ডে আলো ছড়াচ্ছেন। ফাইনালে বোলিং পার্থক‌্য গড়ে দিতে পারে এমন ধারণা করা হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh