০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তিস্তায় আবারো পানি বৃদ্ধি বন্যার আতঙ্কে মানুষজন

ভারি বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে নিম্নাঞ্চল গুলোয় পানি ঢুকতে শুরু করেছে। বন্যার আশঙ্কা করছে তিস্তা পাড়ের বসবাসরত মানুষজন। এদিকে পানি নিয়ন্ত্রণে ৪৪ টি জলকপাট খুলে রেখেছেন তিস্তা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষ।

রোববার (৩ আগস্ট) বিকাল ৩ টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ডালিয়া পয়েন্ট -পানির সমতল ৫২.২০ মিটার (বিপদসীমা = ৫২.১৫ মিটার) যা বিপদসীমার ৫ সে.মি উপরে। পাটগ্রাম পয়েন্ট পানি সমতল ৫৬.৫৬ মিটার (বিপদসীমা = ৬০.৩৫ মিটার) যা বিপদসীমা ৩৭৯ সে.মি নিচে।

জানা গেছে, ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে তিস্তার চরাঞ্চল ও নিম্নঞ্চলের বিভিন্ন ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। তলিয়ে গেছে আমন ধানের বীজতলা। নদীর তীরবর্তী ও চরাঞ্চলে বসবাসরত মানুষজন বন্যা ও নদীভাঙন আতঙ্কে পড়েছেন।

এদিকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৮-১০টি চর, পাটগ্রাম উপজেলা দহগ্রাম, আদিতমারী উপজেলা চর গোবর্ধন, মহিষখোঁচা এবং সদর উপজেলা খুনিয়াগাছ, রাজপুর ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের চর এবং নিম্নাঞ্চলের এলাকাগুলোতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

তিস্তা ডালিয়া পয়েন্টের পানির লেভেল পরিমাপক নুরুল ইসলাম বলেন, উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তিস্তার নিম্নাঞ্চলের মানুষের সতর্ক অবস্থান থাকতে বলা হয়েছে।

ডিএস./

 

ট্যাগ :

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

তিস্তায় আবারো পানি বৃদ্ধি বন্যার আতঙ্কে মানুষজন

প্রকাশিত : ০৪:৫০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

ভারি বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে নিম্নাঞ্চল গুলোয় পানি ঢুকতে শুরু করেছে। বন্যার আশঙ্কা করছে তিস্তা পাড়ের বসবাসরত মানুষজন। এদিকে পানি নিয়ন্ত্রণে ৪৪ টি জলকপাট খুলে রেখেছেন তিস্তা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষ।

রোববার (৩ আগস্ট) বিকাল ৩ টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ডালিয়া পয়েন্ট -পানির সমতল ৫২.২০ মিটার (বিপদসীমা = ৫২.১৫ মিটার) যা বিপদসীমার ৫ সে.মি উপরে। পাটগ্রাম পয়েন্ট পানি সমতল ৫৬.৫৬ মিটার (বিপদসীমা = ৬০.৩৫ মিটার) যা বিপদসীমা ৩৭৯ সে.মি নিচে।

জানা গেছে, ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে তিস্তার চরাঞ্চল ও নিম্নঞ্চলের বিভিন্ন ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। তলিয়ে গেছে আমন ধানের বীজতলা। নদীর তীরবর্তী ও চরাঞ্চলে বসবাসরত মানুষজন বন্যা ও নদীভাঙন আতঙ্কে পড়েছেন।

এদিকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৮-১০টি চর, পাটগ্রাম উপজেলা দহগ্রাম, আদিতমারী উপজেলা চর গোবর্ধন, মহিষখোঁচা এবং সদর উপজেলা খুনিয়াগাছ, রাজপুর ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের চর এবং নিম্নাঞ্চলের এলাকাগুলোতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

তিস্তা ডালিয়া পয়েন্টের পানির লেভেল পরিমাপক নুরুল ইসলাম বলেন, উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তিস্তার নিম্নাঞ্চলের মানুষের সতর্ক অবস্থান থাকতে বলা হয়েছে।

ডিএস./