র্যাব-১২ ঢাকায় অভিযান চালিয়ে মিরপুর-১৪ থেকে কুষ্টিয়ার চরমপন্থী নেতা কালু বাহিনীর অন্যতম সদস্য পদ্মা নদীতে নৌ পুলিশের উপর গুলি বর্ষণ মামলার প্রধান আসামী আব্দুল আলীম (৪৪) ওরফে চিকন আলীমকে গ্রফেতার করেছে ।
শনিবার (২এপ্রিল) সন্ধায় ডিএমপির কাফরুল থানাধীন মিরপুর-১৪ পুলিশ কোয়ার্টার এর সামনে ফুট ওভারব্রীজের নিচে পাকা রাস্তার উপর অভিযান চালিয়ে আব্দুল আলীম ওরফে চিকন আলীম (৪৪), পিতা- বেলায়েত ওরফে বিলাই, সাং- দয়ারামপুর ঘোষপাড়া, থানা- কুমারখালী, জেলা- কুষ্টিয়াকে গ্রেফপ্তার করতে সমক্ষ হয়।
র্যাব-১২ কুষ্টিয়া জানায়, গত ২২এপ্রিল রাতে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর ঘাট এলাকায় গড়াই নদীর মুখ সংলগ্ন পদ্মা নদীতে অবৈধ বালু উত্তােলন বন্ধে লক্ষীকুন্ডা নৌ পুলিশের একটি দল অভিযানে যায়। এ সময় ৮/৯ জন দুষ্কৃতিকারী স্পীডবোটযোগে এসে নৌ পুলিশের টহল টীমকে লক্ষ্য করে শর্টগানের গুলি ছুঁড়তে থাকে। দুষ্কৃতিকারীদের ছোঁড়া গুলিতে ইনচার্জ সহ ৪ জন পুলিশ সদস্য এবং নৌ পুলিশের নৌকার মাঝি জখম হয়। এ ঘটনায় লক্ষী কুন্ডা নৌ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানা এজাহার দায়ের করেন। মামলা নং-২৪/১১৯, তারিখ-২২/০৪/২০২৬ ধারা- ১৫(১) বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ তৎসহ ১৮৬/৩৩২/৩৩৩/৩৫৩/৩২৪/৩০৭/ ৪৩১/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়।
চঞ্চল্যকর এই ঘটনার পরপরই র্যাবও আসামীদের গ্রফেতারে তৎপর হয়। নৌ পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তার অভিযানের প্রেক্ষিতে গ্রফেতারের চেষ্টাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তেিত র্যাব-১২ সিপিসি-১ ও র্যাব-৩ সিপিসি-২ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ০২/০৫/২৬ সন্ধা ৬টার দিকে ডিএমপির কাফরুল থানাধীন মিরপুর-১৪ পুলিশ কোয়ার্টার এর সামনে ফুট ওভারব্রীজের নিচে পাকা রাস্তার উপর অভিযান চালিয়ে তদন্তপ্রাপ্ত (মামলার ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত) আসামী আব্দুল আলীম ওরফে চিকন আলীম (৪৪) কে গ্রফেতার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব আরো জানায়, গ্রফেতারকৃত আব্দুল আলীম ঘটনার পর থেকে গ্রফেতার এড়াতে বার বার নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে। তবে দীর্ঘ প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত সে র্যাবের জালে ধরা পড়ে। সে জাসদ গণ বাহিনীর ৯০ দশকের দক্ষিন পশ্চিম অঞ্চলের সামরিক প্রধান পলাতক চরমপন্থী নেতা কালুর সক্রিয় সদস্য ছিল। কুমারখালী-খোকসা ও পদ্মা নদীতে প্রভাব বিস্তারে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।
ডিএস./


















