০৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

প্রশংসায় ভাসতে থাকা কুলিয়ারচর থানার সেই এসআই সুজন বিশ্বাস মাদকবিরোধী অভিযানে জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত

মাদকবিরোধী অভিযানে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কিশোরগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ মাদকদ্রব্য উদ্ধারকারী কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রশংসায় ভাসতে থাকা কুলিয়ারচর থানার সাব-ইনস্পেক্টর (এসআই) সুজন বিশ্বাস।

জেলা পুলিশের জুলাই ২০২৬ মাসের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে তাঁকে এ সম্মানে ভূষিত করা হয়। গত ১৮ আগস্ট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এসআই সুজন বিশ্বাসের হাতে এই সম্মাননা ও প্রশংসাপত্র তুলে দেন। এ সময় জেলা পুলিশ ও বিভিন্ন থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কুলিয়ারচর থানায় যোগদানের পর থেকে বিগত প্রায় দুই বছরে মাদক নির্মূল ও এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এসআই সুজন বিশ্বাস। এ সময়কালে তিনি অর্ধশতাধিক সফল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। এসব অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধারের পাশাপাশি শতাধিক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনেন। গড়ে প্রতি মাসে ৫ থেকে ৬টি সফল অভিযানের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ইতোপূর্বেও একাধিকবার সর্বস্তরের মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

উপহার পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এসআই সুজন বিশ্বাস বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার একার নয়; এটি কুলিয়ারচর থানার পুরো টিমের যৌথ প্রচেষ্টার ফল। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই অভিযান সামনে আরও জোরদার হবে। জনগণের সহযোগিতা নিয়ে ভবিষ্যতেও সততা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে চাই।”

এ অর্জন নিয়ে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন বলেন, “এসআই সুজন বিশ্বাস একজন অত্যন্ত দক্ষ, পরিশ্রমী ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। তাঁর এই অর্জনে আমাদের পুরো টিমের কাজের গতি ও উদ্দীপনা বহুগুণ বেড়ে গেছে। কুলিয়ারচরকে পুরোপুরি অপরাধ ও মাদকমুক্ত রাখতে আমাদের বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যেই হোক না কেন, কাউকেই কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”

অভিযান ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এসআই সুজন বিশ্বাসের এমন সাফল্য কুলিয়ারচর থানার অন্য পুলিশ সদস্যদের মধ্যেও উৎসবমুখর পরিবেশ ও সন্তোষের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই অর্জনে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, পুলিশের এই কঠোর অবস্থান কুলিয়ারচরকে দ্রুতই মাদকমুক্ত অঞ্চলে পরিণত করবে। এসআই সুজন বিশ্বাসের মতো থানার প্রতিটি অফিসার যদি মাদকের বিরুদ্ধে এমন কঠোর অবস্থান নেন, তবে দ্রুতই কুলিয়ারচর মাদক ও অপরাধমুক্ত হবে।

ডিএস./

 

ট্যাগ :

নোঙর বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৭৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা, উপদেষ্টা পরিষদে ১১ জন

প্রশংসায় ভাসতে থাকা কুলিয়ারচর থানার সেই এসআই সুজন বিশ্বাস মাদকবিরোধী অভিযানে জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত

প্রকাশিত : ০৫:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

মাদকবিরোধী অভিযানে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কিশোরগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ মাদকদ্রব্য উদ্ধারকারী কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রশংসায় ভাসতে থাকা কুলিয়ারচর থানার সাব-ইনস্পেক্টর (এসআই) সুজন বিশ্বাস।

জেলা পুলিশের জুলাই ২০২৬ মাসের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে তাঁকে এ সম্মানে ভূষিত করা হয়। গত ১৮ আগস্ট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এসআই সুজন বিশ্বাসের হাতে এই সম্মাননা ও প্রশংসাপত্র তুলে দেন। এ সময় জেলা পুলিশ ও বিভিন্ন থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কুলিয়ারচর থানায় যোগদানের পর থেকে বিগত প্রায় দুই বছরে মাদক নির্মূল ও এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এসআই সুজন বিশ্বাস। এ সময়কালে তিনি অর্ধশতাধিক সফল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। এসব অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধারের পাশাপাশি শতাধিক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনেন। গড়ে প্রতি মাসে ৫ থেকে ৬টি সফল অভিযানের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ইতোপূর্বেও একাধিকবার সর্বস্তরের মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

উপহার পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এসআই সুজন বিশ্বাস বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার একার নয়; এটি কুলিয়ারচর থানার পুরো টিমের যৌথ প্রচেষ্টার ফল। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই অভিযান সামনে আরও জোরদার হবে। জনগণের সহযোগিতা নিয়ে ভবিষ্যতেও সততা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে চাই।”

এ অর্জন নিয়ে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন বলেন, “এসআই সুজন বিশ্বাস একজন অত্যন্ত দক্ষ, পরিশ্রমী ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। তাঁর এই অর্জনে আমাদের পুরো টিমের কাজের গতি ও উদ্দীপনা বহুগুণ বেড়ে গেছে। কুলিয়ারচরকে পুরোপুরি অপরাধ ও মাদকমুক্ত রাখতে আমাদের বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যেই হোক না কেন, কাউকেই কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”

অভিযান ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এসআই সুজন বিশ্বাসের এমন সাফল্য কুলিয়ারচর থানার অন্য পুলিশ সদস্যদের মধ্যেও উৎসবমুখর পরিবেশ ও সন্তোষের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই অর্জনে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, পুলিশের এই কঠোর অবস্থান কুলিয়ারচরকে দ্রুতই মাদকমুক্ত অঞ্চলে পরিণত করবে। এসআই সুজন বিশ্বাসের মতো থানার প্রতিটি অফিসার যদি মাদকের বিরুদ্ধে এমন কঠোর অবস্থান নেন, তবে দ্রুতই কুলিয়ারচর মাদক ও অপরাধমুক্ত হবে।

ডিএস./