০৪:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

লাইসেন্সহীন ক্লিনিক-হাসপাতালের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতাল গড়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকেরই কোনো জবাবদিহিতা নেই। লাইসেন্স না থাকলে পর্যায়ক্রমে সেসব ক্লিনিক-হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো প্রাইভেট ক্লিনিক-হাসপাতাল গড়ে উঠেছে। গত ১৭ বছর এদের কোনো অ্যাকাউন্টেবিলিটি সৃষ্টি করা হয়নি, তারা কারও কাছে জবাবদিহি না। আমি যতখানি যাচ্ছি, দু-একটা করে দেখতেছি, বন্ধ করতেছি। লাইসেন্স না থাকলে বন্ধ করতেছি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের ডিসি সাহেবরা সিভিল সার্জনদের নিয়ে মোবাইল কোর্ট করছেন, জরিমানা করছেন, চেষ্টা করছেন। এখন অবশ্য তারা অনেকে হুঁশিয়ার। আমাদের তো মাত্র ছয় মাস হলো, আরেকটু সময় দেন। কারণ ১৮-২০টা বছর তো এ দেশে কোনো অ্যাকাউন্টেবিলিটি ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘আজকে যেভাবে আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন, আগে কিন্তু পারতেন না। আগে এমপি সাহেবরা এসে এইভাবে বসে দেখতেন না, মন্ত্রী সাহেবরা আসতেন না। এমন একটা পরিস্থিতি গেছে, যেখানে কারও কাছে জবাবদিহিতা ছিল না। আমরা শুরু করেছি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও অত্যন্ত সিরিয়াস। দোয়া করবেন, আশা করি আমরা এই স্বাস্থ্য খাতকে অনেক উন্নত করব।’

এর আগে সকাল ১০টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আকস্মিকভাবে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পরিদর্শনে আসেন। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা ও সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কেও খোঁজ নেন তিনি। এ সময় নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলামসহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা পর্যায়ে বাড়ছে ডায়ালাইসিস সুবিধা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রতিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০টি এবং জেলা সদর হাসপাতালে ১০টি করে ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে গুরুতর রোগীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছুটতে হবে না।

তিনি বলেন, ‘ডিস্ট্রিক্ট লেভেলে ৬০টি ডায়ালাইসিস মেশিন থাকবে। আমরা আশা করি, ৬০টি ডায়ালাইসিস মেশিন প্রতিদিন তিন রাউন্ড করলেও ১৮০ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস করতে পারবে। এটি স্থাপন করতে আমাদের আর তিন মাসও সময় লাগবে না ইনশাল্লাহ। আমাদের মেশিনের টেন্ডার হয়ে গেছে।’
এ ছাড়া আগামী দুই বছরের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে ১০টি করে ডায়ালাইসিস বেড স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এ বিষয়ে ডিপিপি প্রস্তুত হয়েছে এবং শিগগিরই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যাওয়ার কথা রয়েছে।

১৫১ শয্যার পরিকল্পনা, নারী ও শিশুদের জন্য থাকবে আলাদা ব্যবস্থা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে হাসপাতালগুলোর শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১০১ শয্যা থেকে পর্যায়ক্রমে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।তিনি বলেন, ‘১৫১ শয্যার ভেতরে ২৫টি সিট থাকবে মহিলাদের জন্য, মায়ের সেবার জন্য, যাতে আমাদের মেয়েদের কষ্ট না হয়। ২০টি সিট আমাদের শিশুদের জন্য আলাদা থাকবে।’

এ ছাড়া ফিজিওথেরাপির জন্য নারী ও পুরুষদের পৃথক ওয়ার্ড এবং পৃথক চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

অত্যাধুনিক প্যাথলজি ল্যাব ও ৯ তলা ভবন

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, হাসপাতালগুলোতে অত্যাধুনিক প্যাথলজি ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আল্ট্রাসাউন্ডসহ প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসাসেবা আরও উন্নত করা হবে।

তিনি বলেন, ‘অত্যাধুনিক প্যাথলজি ল্যাব তৈরি করা হবে, অত্যাধুনিক প্যাথলজি সেবা দেওয়া হবে। আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন থেকে সকল মেশিন দিয়ে এগুলো করা হবে। ৯ তলা বিল্ডিং হবে, যেটা খালি জায়গায় হবে। আর যেটা আগে থেকে আছে, যদি ফাউন্ডেশন থাকে, ভার্টিক্যালি উপরে উঠবে। এভাবে আমরা স্বাস্থ্যসেবাটাকে উপজেলা লেভেলে নিয়ে যাচ্ছি।’

৫ হাজার ডাক্তারসহ নতুন জনবল নিয়োগ

সারা দেশের হাসপাতালগুলোর জনবল সংকটের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় চিকিৎসক, নার্স ও ফার্মাসিস্টের সংখ্যা কম। এ সংকট কাটাতে নতুন করে বড় পরিসরে জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছরে কোনো নতুন ডাক্তার নিয়োগ হয়নি, যেই পরিমাণ আমাদের দরকার। ২০ কোটি মানুষ! ডাক্তার আছে আমাদের কয়জন? কয়জন ডাক্তার নেওয়া হয়েছে? এখন আমরা ৫ হাজার ডাক্তার নিতে যাচ্ছি। সকল ফরমালিটিজ শেষ হয়ে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আড়াই হাজার নার্স এবং আড়াই হাজার ফার্মাসিস্ট নিতে যাচ্ছি। পিএসসিতে আরও ডাক্তারদের ইন্টারভিউ চলছে। আমরা আশা করি আগামী এক বছরের ভেতরে উই উইল হ্যাভ আ ভেরি গুড বাঞ্চ অব ডক্টরস। আমরা অনেক ডাক্তার পেয়ে যাব ইনশাল্লাহ। তখন ডাক্তারের অসুবিধাটা থাকবে না।’স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলা থেকে জেলা ও মেডিকেল কলেজ পর্যায় পর্যন্ত চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

ডিএস./

ট্যাগ :

নন্দিনী হত্যা: বিধানের মৃত্যুদ্বন্ড, বাবা মা’র ৫ বছর কারাদ্বন্ড

লাইসেন্সহীন ক্লিনিক-হাসপাতালের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ০৩:২৭:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতাল গড়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকেরই কোনো জবাবদিহিতা নেই। লাইসেন্স না থাকলে পর্যায়ক্রমে সেসব ক্লিনিক-হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো প্রাইভেট ক্লিনিক-হাসপাতাল গড়ে উঠেছে। গত ১৭ বছর এদের কোনো অ্যাকাউন্টেবিলিটি সৃষ্টি করা হয়নি, তারা কারও কাছে জবাবদিহি না। আমি যতখানি যাচ্ছি, দু-একটা করে দেখতেছি, বন্ধ করতেছি। লাইসেন্স না থাকলে বন্ধ করতেছি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের ডিসি সাহেবরা সিভিল সার্জনদের নিয়ে মোবাইল কোর্ট করছেন, জরিমানা করছেন, চেষ্টা করছেন। এখন অবশ্য তারা অনেকে হুঁশিয়ার। আমাদের তো মাত্র ছয় মাস হলো, আরেকটু সময় দেন। কারণ ১৮-২০টা বছর তো এ দেশে কোনো অ্যাকাউন্টেবিলিটি ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘আজকে যেভাবে আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন, আগে কিন্তু পারতেন না। আগে এমপি সাহেবরা এসে এইভাবে বসে দেখতেন না, মন্ত্রী সাহেবরা আসতেন না। এমন একটা পরিস্থিতি গেছে, যেখানে কারও কাছে জবাবদিহিতা ছিল না। আমরা শুরু করেছি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও অত্যন্ত সিরিয়াস। দোয়া করবেন, আশা করি আমরা এই স্বাস্থ্য খাতকে অনেক উন্নত করব।’

এর আগে সকাল ১০টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আকস্মিকভাবে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পরিদর্শনে আসেন। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা ও সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কেও খোঁজ নেন তিনি। এ সময় নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলামসহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা পর্যায়ে বাড়ছে ডায়ালাইসিস সুবিধা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রতিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০টি এবং জেলা সদর হাসপাতালে ১০টি করে ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে গুরুতর রোগীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছুটতে হবে না।

তিনি বলেন, ‘ডিস্ট্রিক্ট লেভেলে ৬০টি ডায়ালাইসিস মেশিন থাকবে। আমরা আশা করি, ৬০টি ডায়ালাইসিস মেশিন প্রতিদিন তিন রাউন্ড করলেও ১৮০ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস করতে পারবে। এটি স্থাপন করতে আমাদের আর তিন মাসও সময় লাগবে না ইনশাল্লাহ। আমাদের মেশিনের টেন্ডার হয়ে গেছে।’
এ ছাড়া আগামী দুই বছরের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে ১০টি করে ডায়ালাইসিস বেড স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এ বিষয়ে ডিপিপি প্রস্তুত হয়েছে এবং শিগগিরই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যাওয়ার কথা রয়েছে।

১৫১ শয্যার পরিকল্পনা, নারী ও শিশুদের জন্য থাকবে আলাদা ব্যবস্থা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে হাসপাতালগুলোর শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১০১ শয্যা থেকে পর্যায়ক্রমে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।তিনি বলেন, ‘১৫১ শয্যার ভেতরে ২৫টি সিট থাকবে মহিলাদের জন্য, মায়ের সেবার জন্য, যাতে আমাদের মেয়েদের কষ্ট না হয়। ২০টি সিট আমাদের শিশুদের জন্য আলাদা থাকবে।’

এ ছাড়া ফিজিওথেরাপির জন্য নারী ও পুরুষদের পৃথক ওয়ার্ড এবং পৃথক চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

অত্যাধুনিক প্যাথলজি ল্যাব ও ৯ তলা ভবন

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, হাসপাতালগুলোতে অত্যাধুনিক প্যাথলজি ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আল্ট্রাসাউন্ডসহ প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসাসেবা আরও উন্নত করা হবে।

তিনি বলেন, ‘অত্যাধুনিক প্যাথলজি ল্যাব তৈরি করা হবে, অত্যাধুনিক প্যাথলজি সেবা দেওয়া হবে। আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন থেকে সকল মেশিন দিয়ে এগুলো করা হবে। ৯ তলা বিল্ডিং হবে, যেটা খালি জায়গায় হবে। আর যেটা আগে থেকে আছে, যদি ফাউন্ডেশন থাকে, ভার্টিক্যালি উপরে উঠবে। এভাবে আমরা স্বাস্থ্যসেবাটাকে উপজেলা লেভেলে নিয়ে যাচ্ছি।’

৫ হাজার ডাক্তারসহ নতুন জনবল নিয়োগ

সারা দেশের হাসপাতালগুলোর জনবল সংকটের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় চিকিৎসক, নার্স ও ফার্মাসিস্টের সংখ্যা কম। এ সংকট কাটাতে নতুন করে বড় পরিসরে জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছরে কোনো নতুন ডাক্তার নিয়োগ হয়নি, যেই পরিমাণ আমাদের দরকার। ২০ কোটি মানুষ! ডাক্তার আছে আমাদের কয়জন? কয়জন ডাক্তার নেওয়া হয়েছে? এখন আমরা ৫ হাজার ডাক্তার নিতে যাচ্ছি। সকল ফরমালিটিজ শেষ হয়ে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আড়াই হাজার নার্স এবং আড়াই হাজার ফার্মাসিস্ট নিতে যাচ্ছি। পিএসসিতে আরও ডাক্তারদের ইন্টারভিউ চলছে। আমরা আশা করি আগামী এক বছরের ভেতরে উই উইল হ্যাভ আ ভেরি গুড বাঞ্চ অব ডক্টরস। আমরা অনেক ডাক্তার পেয়ে যাব ইনশাল্লাহ। তখন ডাক্তারের অসুবিধাটা থাকবে না।’স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলা থেকে জেলা ও মেডিকেল কলেজ পর্যায় পর্যন্ত চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

ডিএস./