বাংলাদেশ সাধারন ছাত্রপরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের মেধাবী ছাত্র আমিনুল ইসলাম আর নেই (৩৩) (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। আজ ভোর রাতে তিনি মারা যান ।
আমিনুল ইসলাম যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলা কৃতি সন্তান। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস বিভাগ থেকে পড়াশুনা শেষ করে সাংবাদিকতায় (খন্ডকালীন) পেশায় চাকুরি করতেন । এবং চাকুরিতে বয়সসীমা ৩০ থেকে বারিয়ে ৩৫ করার দাবিতে সকল আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন । তিনি ঢাকাতেই বসবাস করতেন ।
বাংলাদেশ সাধারন ছাত্রপরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি সক্রিয় এই সিনিয়র নেতার মৃত্যেুতে গভীর শোক পালন কেন্দ্রীয় সকল নেতৃবৃন্দ ।
তারঁ মৃত্যেুতে বাংলাদেশ সাধারন ছাত্রপরিষদের আহ্বায়ক উদ্যেক্তা সভাপতি মো: ইমতিয়াজ হোসেন জানান, আমি গভীরভাবে শোকাহত ! আমিনুল ভাই ৩৫ এর জন্য যে কাজ করে গেছেন,২৬ লক্ষ্য উচ্চ শিক্ষিত বেকার যুবক আজীবন এই ৩৫ যোদ্ধাকে মনে রাখবে ।বাংলাদেশ সাধারন ছাত্রপরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয়ক সঞ্জয় দাস,আমিনুল ইসলামের মৃত্যেুতে গভীর শোক প্রকাশ এই তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন ।
বাংলাদেশ সাধারন ছাত্রপরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এম.আলী জানান,আমিনুল ভাই আমাদের মাঝে নেই,তা আমি মেনে নিতে পারছি না,তার মৃত্যেুতে আমি গভীর ভাবে শোকাহত! এবং মর্মাহত । আমরা তারঁ আত্মার মাগফিরাত কামনা করি । এবং তারঁ পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি ।
আমিনুল ইসলামের মৃত্যেুতে শোক বার্তা জ্ঞাপন করেন,কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক: হারুন-উর-রশিদ.মোহাম্মদ সবুজ,নাদিয়া আক্তার,সাংবাদিক ইমরান মাসুদ,আনিসুর রহমান,ইমরান চৌধুরী,নাছির হোসেন, সফিকুল ইসলাম, সোনিয়া চৌধুরী, তামান্না আক্তার,নাসরিন সুমি, শ্রাবন আহম্মেদ, মিস জুমা, মিস নাইস.ফেরদৌসি আক্তার প্রমূখ ।













