০৮:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না জামায়াতের ‘চিহ্নিত’ নেতারা

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতের ‘চিহ্নিত নেতা’রা অংশ নিতে পারবে না। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার একথা জানান।

যুদ্ধাপরাধের দায়ে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের দণ্ড হওয়ার পর দলটির নিবন্ধন বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্ট। এ কারণে দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না জামায়াত নেতারা। সর্বশেষ জামায়াত নেতারা স্বতন্ত্র কিংবা ২০ দলীয় জোটের প্রধান বিএনপির হয়ে কোনো কোনো আসনে নির্বাচন করতে পারে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এর প্রেক্ষিতে তিনি একথা বলেন।

হাইকোর্টের আদেশে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করায় তাদের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে তাদের অনেকের বিচার হয়েছে। তো তাদের যদি কোনো সংসদ সদস্য বা কোনো নেতা অন্য কোনো দলে বা স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচনে আসে সেটা গ্রহণ করবেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা আমি কেমন করে বলবো। তবে জামায়াতে ইসলামীর চিহ্নিত যারা আছে তাদেরকে আমরা নির্বাচনে গ্রহণ করবো না।

তিনি বলেন, স্বতন্ত্র হিসেবেও যদি জামায়াতের কেউ নির্বাচনে আসতে চায় তাহলে নির্বাচন কমিশনের মিটিংয়ে তাদেরকে ইন্ডিভিজুয়ালি তাদের বিষয়টা বিচার বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেবো। একজন একটা ধোঁয়া তুলে দিলো এটা জামায়াতের লোক, তাহলে সেটার বিষয়ে আমি কেমন করে বলব। কোনো অভিযোগ পেলে সেটি কমিশন আগে পর্যালোচনা করে দেখবে। জামায়াতের সবাইতো চিহ্নিত না। যারা চিহ্নিত তাদেরকে অবশ্যই নির্বাচনে গ্রহণ করা হবে না যোগ করেন তিনি।

রংপুর সিটি কর্পোরেশন (রসিক) নির্বাচন সস্পর্কে তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য হাই প্রোফাইল পর্যবেক্ষণ টিম গঠন করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে স্বয়ং নির্বাচন কমিশনাররাই নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শন করবেন। এমনকি জনসভাগুলোতেও উপস্থিত থাকবেন তারা।

তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম, প্রার্থীদের জনসভাসহ অন্যসব প্রচারণা ও কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণ করা হবে। এক্ষেত্রে কারো বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে কিংবা কেউ ইচ্ছাকৃত আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হবে। আমরা চার নির্বাচন কমিশনার ভোটগ্রহণের তিনদিন আগে এ পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ করবো। প্রত্যেকেই প্রার্থীদের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে ব্যবস্থা নেবেন। এক্ষেত্রে আমরা অনেক কঠোর অবস্থানে রয়েছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না জামায়াতের ‘চিহ্নিত’ নেতারা

প্রকাশিত : ০৭:৩৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতের ‘চিহ্নিত নেতা’রা অংশ নিতে পারবে না। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার একথা জানান।

যুদ্ধাপরাধের দায়ে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের দণ্ড হওয়ার পর দলটির নিবন্ধন বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্ট। এ কারণে দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না জামায়াত নেতারা। সর্বশেষ জামায়াত নেতারা স্বতন্ত্র কিংবা ২০ দলীয় জোটের প্রধান বিএনপির হয়ে কোনো কোনো আসনে নির্বাচন করতে পারে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এর প্রেক্ষিতে তিনি একথা বলেন।

হাইকোর্টের আদেশে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করায় তাদের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে তাদের অনেকের বিচার হয়েছে। তো তাদের যদি কোনো সংসদ সদস্য বা কোনো নেতা অন্য কোনো দলে বা স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচনে আসে সেটা গ্রহণ করবেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা আমি কেমন করে বলবো। তবে জামায়াতে ইসলামীর চিহ্নিত যারা আছে তাদেরকে আমরা নির্বাচনে গ্রহণ করবো না।

তিনি বলেন, স্বতন্ত্র হিসেবেও যদি জামায়াতের কেউ নির্বাচনে আসতে চায় তাহলে নির্বাচন কমিশনের মিটিংয়ে তাদেরকে ইন্ডিভিজুয়ালি তাদের বিষয়টা বিচার বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেবো। একজন একটা ধোঁয়া তুলে দিলো এটা জামায়াতের লোক, তাহলে সেটার বিষয়ে আমি কেমন করে বলব। কোনো অভিযোগ পেলে সেটি কমিশন আগে পর্যালোচনা করে দেখবে। জামায়াতের সবাইতো চিহ্নিত না। যারা চিহ্নিত তাদেরকে অবশ্যই নির্বাচনে গ্রহণ করা হবে না যোগ করেন তিনি।

রংপুর সিটি কর্পোরেশন (রসিক) নির্বাচন সস্পর্কে তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য হাই প্রোফাইল পর্যবেক্ষণ টিম গঠন করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে স্বয়ং নির্বাচন কমিশনাররাই নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শন করবেন। এমনকি জনসভাগুলোতেও উপস্থিত থাকবেন তারা।

তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম, প্রার্থীদের জনসভাসহ অন্যসব প্রচারণা ও কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণ করা হবে। এক্ষেত্রে কারো বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে কিংবা কেউ ইচ্ছাকৃত আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হবে। আমরা চার নির্বাচন কমিশনার ভোটগ্রহণের তিনদিন আগে এ পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ করবো। প্রত্যেকেই প্রার্থীদের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে ব্যবস্থা নেবেন। এক্ষেত্রে আমরা অনেক কঠোর অবস্থানে রয়েছি।