০৬:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

প্রতিবেদন দাখিল ৮ জানুয়ারি

রাজধানীর কাকরাইলে মা ও ছেলেকে গলা কেটে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিছিয়েছে। প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৮ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম নুর নবী নতুন এ দিন ধার্য করেন। এদিন মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। রমনা থানার ওসি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করায় আদালত নতুন দিন ধার্য করেন।

গত ১ নভেম্বর সন্ধ্যায় কাকরাইলের আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম রোডের ৭৯/এ বাড়িতে মা ও ছেলেকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহতরা হলেন শামসুন্নাহার (৪৫) ও তার নাম শাওন (ও লেভেল শিক্ষার্থী) । নিহতের স্বামী আবদুল করিম পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের ব্যবসায়ী। তিনি আঁদা-রসুন-পেঁয়াজ আমদানিকারক।

এ ঘটনায় ২ নভেম্বর নিহত শামসুন্নাহারের ভাই আশরাফ আলী বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে নিহতের স্বামী আব্দুল করিম, করিমের দ্বিতীয় স্ত্রী শারমীন মুক্তা ও মুক্তার ভাই জনিসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে।

মামলার পরে আব্দুল করিম, শারমীন মুক্তা ও জনিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শারমীন মুক্তা ও জনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/আলেয়া

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

প্রতিবেদন দাখিল ৮ জানুয়ারি

প্রকাশিত : ১২:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ ডিসেম্বর ২০১৭

রাজধানীর কাকরাইলে মা ও ছেলেকে গলা কেটে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিছিয়েছে। প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৮ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম নুর নবী নতুন এ দিন ধার্য করেন। এদিন মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। রমনা থানার ওসি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করায় আদালত নতুন দিন ধার্য করেন।

গত ১ নভেম্বর সন্ধ্যায় কাকরাইলের আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম রোডের ৭৯/এ বাড়িতে মা ও ছেলেকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহতরা হলেন শামসুন্নাহার (৪৫) ও তার নাম শাওন (ও লেভেল শিক্ষার্থী) । নিহতের স্বামী আবদুল করিম পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের ব্যবসায়ী। তিনি আঁদা-রসুন-পেঁয়াজ আমদানিকারক।

এ ঘটনায় ২ নভেম্বর নিহত শামসুন্নাহারের ভাই আশরাফ আলী বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে নিহতের স্বামী আব্দুল করিম, করিমের দ্বিতীয় স্ত্রী শারমীন মুক্তা ও মুক্তার ভাই জনিসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে।

মামলার পরে আব্দুল করিম, শারমীন মুক্তা ও জনিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শারমীন মুক্তা ও জনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/আলেয়া