০৪:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪

কোস্টারিকার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার দাপুটে জয়

দুই দলের মধ্যে শক্তিমত্তায় পার্থক্য ৫৩। আর্জেন্টিনা ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সবার ওপরে, আর ৫৪তম স্থানে কোস্টারিকা। অবশ্য নেহায়েত ফেলনা দল নয় তারা। বিশ্বকাপের মঞ্চে নিয়মিত দেখা মেলে উত্তর আমেরিকার দেশ কোস্টারিকাকে। কিন্তু আর্জেন্টিনা বলে কথা। সহজ একটা জয় হয়ত প্রত্যাশা করেছিল সকলেই। যদিও সেই জয়টা কিছুটা কষ্ট করেই অর্জন করতে হয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

ম্যাচে আর্জেন্টিনা দাপট দেখিয়েছে সত্য, কিন্তু ভুগতেও হয়েছে বেশ। ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়েছিল ফুটবলের নাম্বার ওয়ান দলটি। কিন্তু বিরতির পর ডি মারিয়া, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার এবং লাউতারো মার্টিনেজের গোল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনার জয়। ৩-১ গোলের এই জয় দিয়ে বছরের প্রথম আন্তর্জাতিক সূচি শেষ করেছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

আগেই জানা গিয়েছিল, বেশ কিছু পরিবর্তন নিয়ে এই ম্যাচ খেলতে নামছে আর্জেন্টিনা। সেই পরিবর্তন অবশ্য খুব একটা সুফল দেয়নি শুরুতে। ম্যাচে আধিপত্য দেখাচ্ছিল আর্জেন্টিনাই। আলেহান্দ্রো গার্নাচো, হুলিয়ান আলভারেজ কিংবা আনহেল ডি মারিয়াদের কেউই খুব একটা সফল হননি কোস্টারিকার জমাট রক্ষণের সামনে। শুরুর বিশ মিনিটে দাপট দেখালেও গোলমুখে কোনো শটই নিতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা।

স্রোতের ধারার বিপরীতে ম্যাচের ৩৪ মিনিটে গোল পেয়ে যায় কোস্টারিকা। দারুণ এক কাউন্টার অ্যাটাক শুরু করেছিলেন মানফ্রেড উগাল্ডে। বল পাস দিয়েছিলেন আলভারো জামোরাকে। তার শট ঠেকিয়ে দেন আর্জেন্টিনার অভিষিক্ত গোলরক্ষক ওয়াল্টার বেনিতেজ। তবে রিবাউন্ডে ঠিকই বল জালে জড়ান উগাল্ডে। ১-০ গোলের এই ব্যবধান নিয়েই প্রথমার্ধ শেষ করে দুই দল।

বিরতির পর থেকেই আর্জেন্টিনা উপহার দিয়েছে আরও বেশি গোছানো ফুটবল। কোস্টারিকা তখন মনোযোগ দিয়েছে রক্ষণাত্মক খেলার দিকে। দুই দলের ফুটবলাররাই শুরু থেকে শারীরিক ফুটবল খেলেছেন। ডিবক্সের ঠিক বাইরে আর্জেন্টিনা ফ্রিকিক পেয়েছিল তারই সুবাদে। সেখান থেকেই দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে আলবিসেলেস্তেদের সমতায় আনেন অধিনায়ক ডি মারিয়া।

এই গোলের পরেই মূলত আর্জেন্টিনার কাছে চলে আসে পুরো ম্যাচ। একের পর এক আক্রমণে ব্যস্ত রাখে কোস্টারিকার রক্ষণদূর্গ। মিনিট চারেক পরেই আসে দ্বিতীয় গোল। কর্নার থেকে নিকোলাস টালিয়াফিকোর হেড ক্রসবারে লেগে চলে আসে ম্যাক অ্যালিস্টারের সামনে। লিভারপুলের এই মিডফিল্ডার ক্লোজ রেঞ্জ হেডে বল জড়ান জালে (২-১)।

ম্যাচের ৭০ মিনিটে গার্নাচোকে উঠিয়ে লাউতারো মার্টিনেজকে নামান কোচ স্কালোনি। দীর্ঘদিন আর্জেন্টিনার হয়ে গোলখরায় থাকা এই স্ট্রাইকারও শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পেলেন আজ। দারুণ এক প্লেসিং শটে দলের স্কোর ৩-১ করেন ইন্টার মিলানের এই ফরোয়ার্ড। ম্যাচে গোল অবশ্য আর্জেন্টিনা আরও একটা পেতে পারতো। নিকোলাস গঞ্জালেজ কোস্টারিকার গোলরক্ষক কেইলার নাভাসকেও পরাস্ত করেছেন। বল জালেই যাচ্ছিল। কিন্তু শেষ সময়ে গোললাইন থেকে তা ক্লিয়ার করেন কোস্টারিকার ডিফেন্ডার।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

জনপ্রিয়

ইসরায়েলকে সতর্ক করল হোয়াইট হাউজ

কোস্টারিকার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার দাপুটে জয়

প্রকাশিত : ১১:৩৬:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪

দুই দলের মধ্যে শক্তিমত্তায় পার্থক্য ৫৩। আর্জেন্টিনা ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সবার ওপরে, আর ৫৪তম স্থানে কোস্টারিকা। অবশ্য নেহায়েত ফেলনা দল নয় তারা। বিশ্বকাপের মঞ্চে নিয়মিত দেখা মেলে উত্তর আমেরিকার দেশ কোস্টারিকাকে। কিন্তু আর্জেন্টিনা বলে কথা। সহজ একটা জয় হয়ত প্রত্যাশা করেছিল সকলেই। যদিও সেই জয়টা কিছুটা কষ্ট করেই অর্জন করতে হয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

ম্যাচে আর্জেন্টিনা দাপট দেখিয়েছে সত্য, কিন্তু ভুগতেও হয়েছে বেশ। ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়েছিল ফুটবলের নাম্বার ওয়ান দলটি। কিন্তু বিরতির পর ডি মারিয়া, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার এবং লাউতারো মার্টিনেজের গোল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনার জয়। ৩-১ গোলের এই জয় দিয়ে বছরের প্রথম আন্তর্জাতিক সূচি শেষ করেছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

আগেই জানা গিয়েছিল, বেশ কিছু পরিবর্তন নিয়ে এই ম্যাচ খেলতে নামছে আর্জেন্টিনা। সেই পরিবর্তন অবশ্য খুব একটা সুফল দেয়নি শুরুতে। ম্যাচে আধিপত্য দেখাচ্ছিল আর্জেন্টিনাই। আলেহান্দ্রো গার্নাচো, হুলিয়ান আলভারেজ কিংবা আনহেল ডি মারিয়াদের কেউই খুব একটা সফল হননি কোস্টারিকার জমাট রক্ষণের সামনে। শুরুর বিশ মিনিটে দাপট দেখালেও গোলমুখে কোনো শটই নিতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা।

স্রোতের ধারার বিপরীতে ম্যাচের ৩৪ মিনিটে গোল পেয়ে যায় কোস্টারিকা। দারুণ এক কাউন্টার অ্যাটাক শুরু করেছিলেন মানফ্রেড উগাল্ডে। বল পাস দিয়েছিলেন আলভারো জামোরাকে। তার শট ঠেকিয়ে দেন আর্জেন্টিনার অভিষিক্ত গোলরক্ষক ওয়াল্টার বেনিতেজ। তবে রিবাউন্ডে ঠিকই বল জালে জড়ান উগাল্ডে। ১-০ গোলের এই ব্যবধান নিয়েই প্রথমার্ধ শেষ করে দুই দল।

বিরতির পর থেকেই আর্জেন্টিনা উপহার দিয়েছে আরও বেশি গোছানো ফুটবল। কোস্টারিকা তখন মনোযোগ দিয়েছে রক্ষণাত্মক খেলার দিকে। দুই দলের ফুটবলাররাই শুরু থেকে শারীরিক ফুটবল খেলেছেন। ডিবক্সের ঠিক বাইরে আর্জেন্টিনা ফ্রিকিক পেয়েছিল তারই সুবাদে। সেখান থেকেই দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে আলবিসেলেস্তেদের সমতায় আনেন অধিনায়ক ডি মারিয়া।

এই গোলের পরেই মূলত আর্জেন্টিনার কাছে চলে আসে পুরো ম্যাচ। একের পর এক আক্রমণে ব্যস্ত রাখে কোস্টারিকার রক্ষণদূর্গ। মিনিট চারেক পরেই আসে দ্বিতীয় গোল। কর্নার থেকে নিকোলাস টালিয়াফিকোর হেড ক্রসবারে লেগে চলে আসে ম্যাক অ্যালিস্টারের সামনে। লিভারপুলের এই মিডফিল্ডার ক্লোজ রেঞ্জ হেডে বল জড়ান জালে (২-১)।

ম্যাচের ৭০ মিনিটে গার্নাচোকে উঠিয়ে লাউতারো মার্টিনেজকে নামান কোচ স্কালোনি। দীর্ঘদিন আর্জেন্টিনার হয়ে গোলখরায় থাকা এই স্ট্রাইকারও শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পেলেন আজ। দারুণ এক প্লেসিং শটে দলের স্কোর ৩-১ করেন ইন্টার মিলানের এই ফরোয়ার্ড। ম্যাচে গোল অবশ্য আর্জেন্টিনা আরও একটা পেতে পারতো। নিকোলাস গঞ্জালেজ কোস্টারিকার গোলরক্ষক কেইলার নাভাসকেও পরাস্ত করেছেন। বল জালেই যাচ্ছিল। কিন্তু শেষ সময়ে গোললাইন থেকে তা ক্লিয়ার করেন কোস্টারিকার ডিফেন্ডার।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে