০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪

পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞার পরও কমেছে দাম

গত ২৩ মার্চ পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ভারত। তবে নিষেধাজ্ঞার পরও দেশের বাজারে কমেছে পণ্যটির দাম। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫ টাকা থেকে কমে ৫২ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর পাইকারি বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৪৭ থেকে ৫৩ টাকা থেকে কমে বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৫২ টাকায়।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, কমলাপুর, কারওয়ান বাজার এবং শেওড়াপাড়ার কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এ বিষয়ে কারওয়ান বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানুষ প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ কিনেছে। তাই বাজারে পণ্যটির চাহিদা কমে গেছে। এ ছাড়া পেঁয়াজের মৌসুম হওয়ায় ইতোমধ্যে খেত থেকে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম কমে গেছে।

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার পেঁয়াজ চাষি আশরাফ সরকার জানান, তিন দিন আগে তিনি প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪২ টাকায় বিক্রি করেছেন। এখন প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৩৭ টাকায়।

তিনি বলেন, সাঁথিয়া বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করতাম। তারা দাম কম দেওয়ায় কারওয়ান বাজারে পেঁয়াজ নিয়ে যাই। পরিবহনের জন্য বাড়তি টাকা খরচ হয়েছে। সবমিলিয়ে লাভ হয়নি।

ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার পর পেঁয়াজের দাম দুইদিন বেশি ছিল উল্লেখ করে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুলতানা নাসিরা বলেন, পেঁয়াজের মৌসুম হওয়ায় বাড়তি দাম স্থায়ী হয়নি। বাজারে দেশি পেঁয়াজ চলে আসায় দাম কমে গেছে।

২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা দেয়। পরে এর মেয়াদ ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। আর চলতি বছরের ২৩ মার্চ ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। তখন দেশের বাজারে পণ্যটির দাম কিছুটা বাড়লেও, দুইদিন পর থেকে কমতে শুরু করে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

জনপ্রিয়

পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞার পরও কমেছে দাম

প্রকাশিত : ০৩:২৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪

গত ২৩ মার্চ পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ভারত। তবে নিষেধাজ্ঞার পরও দেশের বাজারে কমেছে পণ্যটির দাম। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫ টাকা থেকে কমে ৫২ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর পাইকারি বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৪৭ থেকে ৫৩ টাকা থেকে কমে বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৫২ টাকায়।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, কমলাপুর, কারওয়ান বাজার এবং শেওড়াপাড়ার কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এ বিষয়ে কারওয়ান বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানুষ প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ কিনেছে। তাই বাজারে পণ্যটির চাহিদা কমে গেছে। এ ছাড়া পেঁয়াজের মৌসুম হওয়ায় ইতোমধ্যে খেত থেকে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম কমে গেছে।

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার পেঁয়াজ চাষি আশরাফ সরকার জানান, তিন দিন আগে তিনি প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪২ টাকায় বিক্রি করেছেন। এখন প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৩৭ টাকায়।

তিনি বলেন, সাঁথিয়া বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করতাম। তারা দাম কম দেওয়ায় কারওয়ান বাজারে পেঁয়াজ নিয়ে যাই। পরিবহনের জন্য বাড়তি টাকা খরচ হয়েছে। সবমিলিয়ে লাভ হয়নি।

ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার পর পেঁয়াজের দাম দুইদিন বেশি ছিল উল্লেখ করে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুলতানা নাসিরা বলেন, পেঁয়াজের মৌসুম হওয়ায় বাড়তি দাম স্থায়ী হয়নি। বাজারে দেশি পেঁয়াজ চলে আসায় দাম কমে গেছে।

২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা দেয়। পরে এর মেয়াদ ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। আর চলতি বছরের ২৩ মার্চ ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। তখন দেশের বাজারে পণ্যটির দাম কিছুটা বাড়লেও, দুইদিন পর থেকে কমতে শুরু করে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে