১০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

বাকৃবিতে এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগের ওরিয়েন্টেশন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগে স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১ টায় এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ বছর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১জনসহ বাকৃবির মোট ১২ জন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগে ভর্তি হয়েছেন।

নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আ. খ. ম. গোলাম সারওয়ারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. আবু হাদী নূর আলী খান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. শাহ কামাল খান। এছাড়াও বাকৃবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী বলেন, আবহাওয়ার পরিবর্তন আমাদের পক্ষে রোধ করা সম্ভব নয়। তবে আমরা চাইলেই আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পারি। আমাদের দেশের কৃষকেরা অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে চাষাবাদ করে থাকেন। তাদের একটি ফসল ফলাতে তিন থেকে চার মাস সময় লাগে। কিন্তু আকস্মিক প্রাকৃতিক দূর্যোগে তাদের দীর্ঘদিনের এই পরিশ্রম পন্ড হয়ে যায়। প্রকৃতিতে আবহাওয়ার পরিবর্তন একদিনেই হয় না। এর জন্য অনেক কারণ দায়ী থাকে। প্রতিটি তথ্যই আবহাওয়াবিদদের কাছে সংরক্ষিত থাকে। বিশ্বের অনেক দেশ এই তথ্য ব্যবহার করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকাংশেই কমিয়ে ফেলতে সক্ষম হচ্ছে।

এসময় ড. মো. শাহ কামাল খান বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ব্যাপক হারে দৃশ্যমান। কোথাও তাপপ্রবাহ, কোথাও বন্যা আবার কোথাও শীত দেখা যাচ্ছে। আবহাওয়ার এত বৈচিত্র আগে দেখা যায় নি। আবার আবাদী জমির পরিমান প্রতিবছর গড়ে ১ শতাংশ করে কমছে। আগামী মাসে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এতে আকস্মিক বন্যা হতে পারে। এত প্রতিকূলতা মধ্যেও কৃষিতে অবদান রাখতে পারে কৃষি আবহাওয়াবিদেরা। কৃষি আবহাওয়াবিদেরাই মূলত কৃষিকে আবহাওয়ার সাথে এক করে কাজ করে।

উল্লেখ্য, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ প্রকল্পের (কম্পোনেন্ট-সি, বিডবি¬ওসিএসআরপি) আওতায় বাকৃবির এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ২০২০ সালের ২ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বাকৃবিতে এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগ চালুর জন্য অনুমোদন দেয়। ১৯ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এগ্রোমেটেরিওলজি বিভাগের যাত্রা শুরু হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/DS

ট্যাগ :

বাকৃবিতে এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগের ওরিয়েন্টেশন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত : ০৭:২৪:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৪

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগে স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১ টায় এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ বছর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১জনসহ বাকৃবির মোট ১২ জন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগে ভর্তি হয়েছেন।

নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আ. খ. ম. গোলাম সারওয়ারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. আবু হাদী নূর আলী খান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. শাহ কামাল খান। এছাড়াও বাকৃবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী বলেন, আবহাওয়ার পরিবর্তন আমাদের পক্ষে রোধ করা সম্ভব নয়। তবে আমরা চাইলেই আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পারি। আমাদের দেশের কৃষকেরা অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে চাষাবাদ করে থাকেন। তাদের একটি ফসল ফলাতে তিন থেকে চার মাস সময় লাগে। কিন্তু আকস্মিক প্রাকৃতিক দূর্যোগে তাদের দীর্ঘদিনের এই পরিশ্রম পন্ড হয়ে যায়। প্রকৃতিতে আবহাওয়ার পরিবর্তন একদিনেই হয় না। এর জন্য অনেক কারণ দায়ী থাকে। প্রতিটি তথ্যই আবহাওয়াবিদদের কাছে সংরক্ষিত থাকে। বিশ্বের অনেক দেশ এই তথ্য ব্যবহার করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকাংশেই কমিয়ে ফেলতে সক্ষম হচ্ছে।

এসময় ড. মো. শাহ কামাল খান বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ব্যাপক হারে দৃশ্যমান। কোথাও তাপপ্রবাহ, কোথাও বন্যা আবার কোথাও শীত দেখা যাচ্ছে। আবহাওয়ার এত বৈচিত্র আগে দেখা যায় নি। আবার আবাদী জমির পরিমান প্রতিবছর গড়ে ১ শতাংশ করে কমছে। আগামী মাসে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এতে আকস্মিক বন্যা হতে পারে। এত প্রতিকূলতা মধ্যেও কৃষিতে অবদান রাখতে পারে কৃষি আবহাওয়াবিদেরা। কৃষি আবহাওয়াবিদেরাই মূলত কৃষিকে আবহাওয়ার সাথে এক করে কাজ করে।

উল্লেখ্য, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ প্রকল্পের (কম্পোনেন্ট-সি, বিডবি¬ওসিএসআরপি) আওতায় বাকৃবির এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ২০২০ সালের ২ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বাকৃবিতে এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগ চালুর জন্য অনুমোদন দেয়। ১৯ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এগ্রোমেটেরিওলজি বিভাগের যাত্রা শুরু হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/DS