০৪:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে রাস্তায় নামলেন হাজার হাজার ইসরায়েলি

দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার ইসরায়েলি। শনিবার (৪ মে) রাতে তেল আবিবের বিভিন্ন সড়কে জড়ো হন বিক্ষোভকারীরা। তারা নেতানিয়াহু ও সরকার বিরোধী বিক্ষোভ করেন। এছাড়া জিম্মিদের মুক্ত করতে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে চুক্তি করার দাবি জানান তারা।

তেল আবিব ছাড়াও জেরুজালেমে নেতানিয়াহু বিরোধী বিক্ষোভ হয়। জেরুজালেমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এ সময় তারা প্যারিস স্কয়ারে জড়ো হন। সেখান থেকে পরবর্তীতে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়। জেরুজালেম থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়।

বিক্ষোভাকারীরা তেল আবিবের বিভিন্ন সড়ক আটকে দিয়েছিলেন। তবে সড়কে অবস্থান শেষে তারা আবার চলে যান। এরপর সেগুলো গাড়ি চলাচলের জন্য আবারও স্বাভাবিক হয়।

এদিকে গতকাল ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে জিম্মি চুক্তি নিয়ে মধ্যস্থতাকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্র এবং মিসরের আলোচনা হয়। মিসরের রাজধানী কায়রোতে হওয়া এই আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি চুক্তির একটি ভালো সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল।

তবে দখলদার ইসরায়েল গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি করতে রাজি না হওয়ায় আলোচনাটি ফলপ্রসু হয়নি। আলোচনাটি আবার পুরোপুরি ভেস্তেও যায়নি। ফলে আজ রোববার ফের তাদের মধ্যে বৈঠক হবে।

শনিবারের আলোচনা শেষে হামাস জানায় যদি ইসরায়েল স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হয় তাহলে তারা কোনো ধরনের চুক্তি করবে না।

দখলদার ইসরায়েল এখন পরিকল্পনা করছে চুক্তির মাধ্যমে প্রথমে জিম্মিদের ছাড়িয়ে নেবে। পরে গাজায় আবারও বর্বরতা শুরু করবে।

সূত্র: আলজাজিরা, টাইমস অব ইসরায়েল

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে রাস্তায় নামলেন হাজার হাজার ইসরায়েলি

প্রকাশিত : ১০:২২:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০২৪

দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার ইসরায়েলি। শনিবার (৪ মে) রাতে তেল আবিবের বিভিন্ন সড়কে জড়ো হন বিক্ষোভকারীরা। তারা নেতানিয়াহু ও সরকার বিরোধী বিক্ষোভ করেন। এছাড়া জিম্মিদের মুক্ত করতে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে চুক্তি করার দাবি জানান তারা।

তেল আবিব ছাড়াও জেরুজালেমে নেতানিয়াহু বিরোধী বিক্ষোভ হয়। জেরুজালেমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এ সময় তারা প্যারিস স্কয়ারে জড়ো হন। সেখান থেকে পরবর্তীতে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়। জেরুজালেম থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়।

বিক্ষোভাকারীরা তেল আবিবের বিভিন্ন সড়ক আটকে দিয়েছিলেন। তবে সড়কে অবস্থান শেষে তারা আবার চলে যান। এরপর সেগুলো গাড়ি চলাচলের জন্য আবারও স্বাভাবিক হয়।

এদিকে গতকাল ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে জিম্মি চুক্তি নিয়ে মধ্যস্থতাকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্র এবং মিসরের আলোচনা হয়। মিসরের রাজধানী কায়রোতে হওয়া এই আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি চুক্তির একটি ভালো সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল।

তবে দখলদার ইসরায়েল গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি করতে রাজি না হওয়ায় আলোচনাটি ফলপ্রসু হয়নি। আলোচনাটি আবার পুরোপুরি ভেস্তেও যায়নি। ফলে আজ রোববার ফের তাদের মধ্যে বৈঠক হবে।

শনিবারের আলোচনা শেষে হামাস জানায় যদি ইসরায়েল স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হয় তাহলে তারা কোনো ধরনের চুক্তি করবে না।

দখলদার ইসরায়েল এখন পরিকল্পনা করছে চুক্তির মাধ্যমে প্রথমে জিম্মিদের ছাড়িয়ে নেবে। পরে গাজায় আবারও বর্বরতা শুরু করবে।

সূত্র: আলজাজিরা, টাইমস অব ইসরায়েল

বিজনেস বাংলাদেশ/একে