০৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

মন্ত্রী-এমপির স্বজনরা প্রার্থী হওয়ায় বেকায়দায় নেই ইসি

ছবি-সংগৃহীত

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, মন্ত্রী-এমপির স্বজনরা প্রার্থী হওয়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) বেকায়দায় নেই।

মঙ্গলবার (৭ মে) উপজেলা ভোট নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সিইসি একথা বলেন।

সিইসি বলেন, এটা নিয়মরক্ষার ভোট নয়, নির্বাচন অনিবার্যভাবে প্রয়োজন। আমাদের কাজ নির্বাচন আয়োজন করা, কে কোন দলের প্রার্থী এটা কোনো বিষয় না।

এমপি-মন্ত্রীদের ভোটে প্রভাব বিস্তার প্রসঙ্গে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ভোট যাতে প্রভাবিত না হয় সেই চেষ্টা করছি। এমপি-মন্ত্রীদের প্রভাব বিস্তারে নিবৃত্ত করতে পেরেছি। প্রভাব বিস্তার বন্ধ করছি। আমরা কোন বেকায়দায় নেই। নির্বাচন অবাধ হবে। নির্বাচন প্রভাবিত করতে চাইলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বর্জন বিষয়ে সিইসি বলেন, আমরা দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখছি না। প্রার্থীর সঙ্গে প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখছি। যদি একজন প্রার্থী থাকে তবে ভোট হবে।

তিনি বলেন, ১৪০ উপজেলায় ভোট হবে। ২২ উপজেলায় ইভিএম ভোট হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৭-১৯ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবে। পার্বত্য এলাকায় ১৯-২১ জন থাকবেন। আমরা আশা করি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সহজ হবে। যারা প্রার্থী ও তাদের কর্মী উশৃঙ্খল আচরণ করে তা দূরহ হয়ে পড়ে। টোটাল ভোট স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন উৎসাহ উদ্দীপনায় হয়। জাতীয় নির্বাচন থেকে স্থানীয় নির্বাচন বেশি জমজমাট হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/DS

মন্ত্রী-এমপির স্বজনরা প্রার্থী হওয়ায় বেকায়দায় নেই ইসি

প্রকাশিত : ১১:৪১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, মন্ত্রী-এমপির স্বজনরা প্রার্থী হওয়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) বেকায়দায় নেই।

মঙ্গলবার (৭ মে) উপজেলা ভোট নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সিইসি একথা বলেন।

সিইসি বলেন, এটা নিয়মরক্ষার ভোট নয়, নির্বাচন অনিবার্যভাবে প্রয়োজন। আমাদের কাজ নির্বাচন আয়োজন করা, কে কোন দলের প্রার্থী এটা কোনো বিষয় না।

এমপি-মন্ত্রীদের ভোটে প্রভাব বিস্তার প্রসঙ্গে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ভোট যাতে প্রভাবিত না হয় সেই চেষ্টা করছি। এমপি-মন্ত্রীদের প্রভাব বিস্তারে নিবৃত্ত করতে পেরেছি। প্রভাব বিস্তার বন্ধ করছি। আমরা কোন বেকায়দায় নেই। নির্বাচন অবাধ হবে। নির্বাচন প্রভাবিত করতে চাইলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বর্জন বিষয়ে সিইসি বলেন, আমরা দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখছি না। প্রার্থীর সঙ্গে প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখছি। যদি একজন প্রার্থী থাকে তবে ভোট হবে।

তিনি বলেন, ১৪০ উপজেলায় ভোট হবে। ২২ উপজেলায় ইভিএম ভোট হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৭-১৯ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবে। পার্বত্য এলাকায় ১৯-২১ জন থাকবেন। আমরা আশা করি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সহজ হবে। যারা প্রার্থী ও তাদের কর্মী উশৃঙ্খল আচরণ করে তা দূরহ হয়ে পড়ে। টোটাল ভোট স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন উৎসাহ উদ্দীপনায় হয়। জাতীয় নির্বাচন থেকে স্থানীয় নির্বাচন বেশি জমজমাট হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/DS