০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্রে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ, ৫০ অধ্যাপক গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিনপন্থিদের চলমান বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় অন্তত ৫০ জন অধ্যাপককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত অনেক শিক্ষককে পুলিশের কাছে মারধর ও হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে।

পুলিশ, বিক্ষোভ–সম্পর্কিত সংবাদ ও আদালতের নথি বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

গত ১৭ এপ্রিল গাজায় যুদ্ধ বন্ধ এবং ইসরাইলি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক ছিন্নসহ বেশ কিছু দাবিতে বিক্ষোভে নামেন কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পরে যুক্তরাষ্ট্রের দেড় শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ইউরোপের অন্তত ১২টি দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে আড়াই হাজারের বেশি ও ইউরোপে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।

কয়েক সপ্তাহ ধরে ক্যাম্পাসে তাঁবু গেড়ে বিক্ষোভ করছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা। গত ২৯ এপ্রিল ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে দেয় পুলিশ। ওই সময় ১৩ জনকে আটক করা হয়। এক শিক্ষার্থীকে আটক করতে গেলে পুলিশকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন আটলান্টার ইমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ক্যারলিন ফলিন। এ সময় পুলিশ ওই নারী অধ্যাপককে মাটিতে ফেলে হাঁটু দিয়ে চেপে ধরেন। আটকের পর এই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

অন্যদিকে বিক্ষোভের ভিডিও ধারণ করছিলেন ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টিভ তামারি। এ সময় তাকে শারীরিক হেনস্তার পর আটক করে পুলিশ পুলিশের মারধরে তার পাঁজর ও ডান হাত ভেঙে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একটি সংগঠন আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রফেসরস বলছে, অধ্যাপকদের হাতকড়া পরিয়ে ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

যুক্তরাষ্ট্রে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ, ৫০ অধ্যাপক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ০১:০১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিনপন্থিদের চলমান বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় অন্তত ৫০ জন অধ্যাপককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত অনেক শিক্ষককে পুলিশের কাছে মারধর ও হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে।

পুলিশ, বিক্ষোভ–সম্পর্কিত সংবাদ ও আদালতের নথি বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

গত ১৭ এপ্রিল গাজায় যুদ্ধ বন্ধ এবং ইসরাইলি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক ছিন্নসহ বেশ কিছু দাবিতে বিক্ষোভে নামেন কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পরে যুক্তরাষ্ট্রের দেড় শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ইউরোপের অন্তত ১২টি দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে আড়াই হাজারের বেশি ও ইউরোপে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।

কয়েক সপ্তাহ ধরে ক্যাম্পাসে তাঁবু গেড়ে বিক্ষোভ করছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা। গত ২৯ এপ্রিল ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে দেয় পুলিশ। ওই সময় ১৩ জনকে আটক করা হয়। এক শিক্ষার্থীকে আটক করতে গেলে পুলিশকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন আটলান্টার ইমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ক্যারলিন ফলিন। এ সময় পুলিশ ওই নারী অধ্যাপককে মাটিতে ফেলে হাঁটু দিয়ে চেপে ধরেন। আটকের পর এই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

অন্যদিকে বিক্ষোভের ভিডিও ধারণ করছিলেন ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টিভ তামারি। এ সময় তাকে শারীরিক হেনস্তার পর আটক করে পুলিশ পুলিশের মারধরে তার পাঁজর ও ডান হাত ভেঙে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একটি সংগঠন আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রফেসরস বলছে, অধ্যাপকদের হাতকড়া পরিয়ে ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে