০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

এক ভিসায় ভ্রমণ করা যাবে জিসিসি’র ছয় দেশ

পর্যটকদের জন্য বড় ধরনের সুখবর দিল গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিল বা জিসিসি’র সদস্যরা। এখন থেকে একটি ট্যুরিস্ট ভিসাতেই উপসাগরীয় ছয়টি দেশ ঘুরে আসতে পারবেন পর্যটকরা।

মূলত ইউরোপের শেনজেন ভিসার আদলে ‘জিসিসি গ্রান্ড ট্যুর’ নামে নতুন ভিসা চালু করতে যাচ্ছে উপসাগরীয় ছয় দেশ।

শেনজেন ভিসায় যেমন ইউরোপের ২৭টি দেশ ঘোরা যায়, তেমনি এই ভিসায়ও পর্যটকেরা বাইরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো অনায়াসে ঘুরে বেড়াতে পারবেন।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জিসিসি গ্র্যান্ড ট্যুর ভিসা এ বছরের শেষের দিকে চালু হবে। ভিসাটি হবে শেনজেন ভিসার মতো।

সম্প্রতি অ্যারাবিয়ান ট্রাভেল মার্কেটের এক প্যানেল আলোচনায় আরব আমিরাতের অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন তৌক আল মারি এই উদ্যোগটির কথা জানান। তিনি জানান, এর লক্ষ্য হলো জিসিসি অঞ্চলজুড়ে ভ্রমণকে আরও সুবিধাজনক করা এবং পর্যটনকে উৎসাহিত করা।

ভ্রমণ সংক্রান্ত সেবাদানকারী সংস্থা ট্রাভেজির সহযোগী নির্বাহী আনাস আনানে এই ভিসা সম্পর্কে জানান, একটি দেশের জন্য ফ্লাইট ও দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখতে জনপ্রতি এক হাজার ৫০০ দিরহাম থেকে ভ্রমণ প্যাকেজ শুরু হবে। প্যাকেজে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং সৌদি আরবে কয়েক দিন থাকা ও ভ্রমণের জন্য প্রায় চার হাজার থেকে ৫ হাজার দিরহাম খরচ হবে। এই খরচে রাত্রিযাপনসহ ফ্লাইট, হোটেল, যাতায়াত এবং ভ্রমণ—সব খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের হিসাব মতে, ইউনিফায়েড জিসিসি ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হলে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের এই অঞ্চল ভ্রমণ করার সম্ভাবনা রয়েছে। তারা বলছে, ২০৩০ সাল নাগাদ ভ্রমণকারীর এই সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ১২৮ দশমিক ৭ মিলিয়নে।

অ্যারাবিয়ান ট্রাভেল মার্কেট-এর আওতাভুক্ত নতুন এই ভিসায় এই ছয় দেশে ৩০ দিনের বেশি অবস্থান করা যাবে।

সূত্র : ইকোনমিক টাইমস।

বিজনেস বাংলাদেশ/BH

ট্যাগ :

এক ভিসায় ভ্রমণ করা যাবে জিসিসি’র ছয় দেশ

প্রকাশিত : ০৬:৩০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪

পর্যটকদের জন্য বড় ধরনের সুখবর দিল গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিল বা জিসিসি’র সদস্যরা। এখন থেকে একটি ট্যুরিস্ট ভিসাতেই উপসাগরীয় ছয়টি দেশ ঘুরে আসতে পারবেন পর্যটকরা।

মূলত ইউরোপের শেনজেন ভিসার আদলে ‘জিসিসি গ্রান্ড ট্যুর’ নামে নতুন ভিসা চালু করতে যাচ্ছে উপসাগরীয় ছয় দেশ।

শেনজেন ভিসায় যেমন ইউরোপের ২৭টি দেশ ঘোরা যায়, তেমনি এই ভিসায়ও পর্যটকেরা বাইরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো অনায়াসে ঘুরে বেড়াতে পারবেন।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জিসিসি গ্র্যান্ড ট্যুর ভিসা এ বছরের শেষের দিকে চালু হবে। ভিসাটি হবে শেনজেন ভিসার মতো।

সম্প্রতি অ্যারাবিয়ান ট্রাভেল মার্কেটের এক প্যানেল আলোচনায় আরব আমিরাতের অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন তৌক আল মারি এই উদ্যোগটির কথা জানান। তিনি জানান, এর লক্ষ্য হলো জিসিসি অঞ্চলজুড়ে ভ্রমণকে আরও সুবিধাজনক করা এবং পর্যটনকে উৎসাহিত করা।

ভ্রমণ সংক্রান্ত সেবাদানকারী সংস্থা ট্রাভেজির সহযোগী নির্বাহী আনাস আনানে এই ভিসা সম্পর্কে জানান, একটি দেশের জন্য ফ্লাইট ও দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখতে জনপ্রতি এক হাজার ৫০০ দিরহাম থেকে ভ্রমণ প্যাকেজ শুরু হবে। প্যাকেজে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং সৌদি আরবে কয়েক দিন থাকা ও ভ্রমণের জন্য প্রায় চার হাজার থেকে ৫ হাজার দিরহাম খরচ হবে। এই খরচে রাত্রিযাপনসহ ফ্লাইট, হোটেল, যাতায়াত এবং ভ্রমণ—সব খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের হিসাব মতে, ইউনিফায়েড জিসিসি ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হলে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের এই অঞ্চল ভ্রমণ করার সম্ভাবনা রয়েছে। তারা বলছে, ২০৩০ সাল নাগাদ ভ্রমণকারীর এই সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ১২৮ দশমিক ৭ মিলিয়নে।

অ্যারাবিয়ান ট্রাভেল মার্কেট-এর আওতাভুক্ত নতুন এই ভিসায় এই ছয় দেশে ৩০ দিনের বেশি অবস্থান করা যাবে।

সূত্র : ইকোনমিক টাইমস।

বিজনেস বাংলাদেশ/BH