০৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

ইচ্ছে করে এইডস ছড়ানোয় তাল্লুতোকে ২৪ বছরের কারাদণ্ড

ইতালীয় ভলেন্তিনো তাল্লুতো ইচ্ছে করে এইচআইভি এইডস ছাড়াতেন। প্রায় ৩০ জন নারীর শরীরে এই ভাইরাস ছড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। তাল্লুতো পেশায় একজন হিসাবরক্ষক। ইচ্ছে করে এইডস ছড়ানোর অপরাধে ইতালীয় এই হিসাবরক্ষকের ২৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। গত শুক্রবার এ রায় ঘোষণার আগে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আলোচনা করেন রোমের বিচারকেরা। খবর বিসিসির।

তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে বলা হয়েছে, ভ্যালেন্তিনো তাল্লুতোর এইচআইভি ধরা পড়ে ২০০৬ সালে। এরপর প্রায় ৫৩ জন নারীর সাথে তার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে। তাদের মধ্যে এক কিশোরীও রয়েছে। প্রথম যখন তারা সান্নিধ্যে আসে, তখন মেয়েটির বয়স ছিল ১৪ বছর।

তবে সাক্ষ্য-প্রমাণে উঠে এসেছে, তার সাথে শয্যাসঙ্গী হওয়া নারীরা যখন তাকে সুরক্ষা ব্যবস্থা নিতে বলেছেন তখন তাল্লুতো তাদের বুঝিয়েছেন, এতে তার এলার্জি সমস্যা হয় অথবা বলেছেন, সম্প্রতি তিনি এইচআইভি পরীক্ষা করিয়েছেন, কোনো সমস্যা নেই।

তাল্লুতো মরণব্যধি এইচআইভিতে আক্রান্ত হওয়ার পর ছদ্মনামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডেটিং সাইটগুলোতে নারীদের সাথে হরহামেশা সম্পর্ক তৈরি করতে থাকেন। পরিকল্পনামতো ফাঁদে ফেলে তাদের সাথে অরক্ষিত দৈহিক সম্পর্কে জড়ান এবং তাদেরকে এইচআইভিতে সংক্রমিত করেন। ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে তাকে আটক করা হয়।

তাল্লুতো আদালতকে বলেন, তাঁর মায়ের শরীরে এইচআইভি ভাইরাসের সংক্রমণ ছিল। সে সময় তার বয়স ছিল মাত্র চার বছর। তিনি আরো বলেন, তাঁর পরিবারকে চিনত এমন মেয়েরা বলেন তিনি অন্যদেরও এইচআইভি ভাইরাসে সংক্রমিত করতে চাইতেন।

ভলেন্তিনোর ভাষ্য, যদি তাই হতো তাহলে তিনি বারে গিয়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতেন। এমন কোনো নারীদের নিজের জীবনে জড়াতেন না।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইচ্ছে করে এইডস ছড়ানোয় তাল্লুতোকে ২৪ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত : ০৩:৩৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৭

ইতালীয় ভলেন্তিনো তাল্লুতো ইচ্ছে করে এইচআইভি এইডস ছাড়াতেন। প্রায় ৩০ জন নারীর শরীরে এই ভাইরাস ছড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। তাল্লুতো পেশায় একজন হিসাবরক্ষক। ইচ্ছে করে এইডস ছড়ানোর অপরাধে ইতালীয় এই হিসাবরক্ষকের ২৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। গত শুক্রবার এ রায় ঘোষণার আগে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আলোচনা করেন রোমের বিচারকেরা। খবর বিসিসির।

তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে বলা হয়েছে, ভ্যালেন্তিনো তাল্লুতোর এইচআইভি ধরা পড়ে ২০০৬ সালে। এরপর প্রায় ৫৩ জন নারীর সাথে তার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে। তাদের মধ্যে এক কিশোরীও রয়েছে। প্রথম যখন তারা সান্নিধ্যে আসে, তখন মেয়েটির বয়স ছিল ১৪ বছর।

তবে সাক্ষ্য-প্রমাণে উঠে এসেছে, তার সাথে শয্যাসঙ্গী হওয়া নারীরা যখন তাকে সুরক্ষা ব্যবস্থা নিতে বলেছেন তখন তাল্লুতো তাদের বুঝিয়েছেন, এতে তার এলার্জি সমস্যা হয় অথবা বলেছেন, সম্প্রতি তিনি এইচআইভি পরীক্ষা করিয়েছেন, কোনো সমস্যা নেই।

তাল্লুতো মরণব্যধি এইচআইভিতে আক্রান্ত হওয়ার পর ছদ্মনামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডেটিং সাইটগুলোতে নারীদের সাথে হরহামেশা সম্পর্ক তৈরি করতে থাকেন। পরিকল্পনামতো ফাঁদে ফেলে তাদের সাথে অরক্ষিত দৈহিক সম্পর্কে জড়ান এবং তাদেরকে এইচআইভিতে সংক্রমিত করেন। ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে তাকে আটক করা হয়।

তাল্লুতো আদালতকে বলেন, তাঁর মায়ের শরীরে এইচআইভি ভাইরাসের সংক্রমণ ছিল। সে সময় তার বয়স ছিল মাত্র চার বছর। তিনি আরো বলেন, তাঁর পরিবারকে চিনত এমন মেয়েরা বলেন তিনি অন্যদেরও এইচআইভি ভাইরাসে সংক্রমিত করতে চাইতেন।

ভলেন্তিনোর ভাষ্য, যদি তাই হতো তাহলে তিনি বারে গিয়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতেন। এমন কোনো নারীদের নিজের জীবনে জড়াতেন না।