০৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’: আইজিপি

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স।’

সোমবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ‘পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কোয়াটার্লি কনফারেন্সে’ সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

সভায় সকল পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশ সুপার, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানগণ এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তিনি মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা এবং তাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়ার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় তিনি উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য নিয়মিত ধ্বংস করার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

আইজিপি বলেন, সামাজিক সমস্যা ও বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কমিউনিটি পুলিশিং একটি কার্যকর মাধ্যম। পুলিশের সাথে জনগণের সুসর্ম্পক তৈরি হলে পুলিশ ভীতি কমে আসবে, সমাজে অপরাধ কমবে।

আইজিপি নারী নির্যাতন ও শিশু নির্যাতন মামলা অধিকতর গুরুত্বসহ তদন্তের নির্দেশ দেন। তিনি থানায় নারী ও শিশুবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার নির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রতিটি থানায় শিশু অধিকার সেল গঠনের জন্য একটি আলাদা কক্ষ তৈরি করার জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) আবু হাসান মুহম্মদ তারিক জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৭ কোয়ার্টারের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

সভায় অপহরণ, খুন, ডাকাতি, ছিনতাই, এসিড নিক্ষেপ, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদকদ্রব্য, চোরাচালান দ্রব্য, অস্ত্র ও বিষ্ফোরক উদ্ধার, সড়ক দুর্ঘটনা, গাড়ি চুরি, রাজনৈতিক সহিংসতা, অপমৃত্যু, পুলিশ আক্রান্ত মামলাসহ দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’: আইজিপি

প্রকাশিত : ০৯:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৭

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স।’

সোমবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ‘পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কোয়াটার্লি কনফারেন্সে’ সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

সভায় সকল পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশ সুপার, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানগণ এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তিনি মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা এবং তাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়ার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় তিনি উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য নিয়মিত ধ্বংস করার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

আইজিপি বলেন, সামাজিক সমস্যা ও বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কমিউনিটি পুলিশিং একটি কার্যকর মাধ্যম। পুলিশের সাথে জনগণের সুসর্ম্পক তৈরি হলে পুলিশ ভীতি কমে আসবে, সমাজে অপরাধ কমবে।

আইজিপি নারী নির্যাতন ও শিশু নির্যাতন মামলা অধিকতর গুরুত্বসহ তদন্তের নির্দেশ দেন। তিনি থানায় নারী ও শিশুবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার নির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রতিটি থানায় শিশু অধিকার সেল গঠনের জন্য একটি আলাদা কক্ষ তৈরি করার জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) আবু হাসান মুহম্মদ তারিক জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৭ কোয়ার্টারের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

সভায় অপহরণ, খুন, ডাকাতি, ছিনতাই, এসিড নিক্ষেপ, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদকদ্রব্য, চোরাচালান দ্রব্য, অস্ত্র ও বিষ্ফোরক উদ্ধার, সড়ক দুর্ঘটনা, গাড়ি চুরি, রাজনৈতিক সহিংসতা, অপমৃত্যু, পুলিশ আক্রান্ত মামলাসহ দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।