০২:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪

‘খালেদাকে জঙ্গিদের সাথে পাকিস্তানের ট্রেনে তুলে দিলেই মুক্তি’

তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর পাকিস্তানের সুর একই। এ অবস্থায় তাকে রাজাকার-জঙ্গি-তেতুঁল হুজুরদের সাথে পাকিস্তানের ট্রেনে তুলে দিলেই দেশে টেকসই রাজনীতি হবে।’

বুধবার বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ আয়োজিত ‘বর্তমান রাজনীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন।

বিএনএফের কো-চেয়ারম্যান মমতাজ জাহান চৌধুরী’র সভাপতিত্বে দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট বীরমুক্তিযোদ্ধা এস এম আবুল কালাম আজাদ এমপি প্রধান বক্তা হিসেবে আলোচনা করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ মুহূর্তে তিনটি বিতর্ক জাতীয় রাজনীতিকে আলোড়িত করছে- নির্বাচন বিতর্ক, রাজাকার-জঙ্গি-তেতুঁলহুজুর বিতর্ক এবং একবার মুক্তিযোদ্ধা, আরেকবার রাজাকারের সরকার খেলার বিতর্ক। শান্তি, অগ্রগতি ও উন্নয়নের জন্য এ তিন বিতর্কে স্থায়ী সমাধান দরকার।

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া এখনও নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র, জঙ্গি-রাজাকারদের রাজনৈতিক সঙ্গী রাখা এবং রাজাকারদের নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার চক্রান্ত করেই চলেছেন, সামরিকতন্ত্রের পক্ষে সাফাই গাইছেন এ কারণেই গণতন্ত্র এখনও নিরাপদ নয়।’

তিনি আরও বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন টেকসই রাজনীতি। আর তা করতে হলে রাজনীতি থেকে রাজাকার-জঙ্গি-তেতুঁল হুজুরদের ত্যাজ্য করতে হবে, মুক্তিযোদ্ধা-রাজাকারের সরকারের অদল-বদল মিউজিক্যাল চেয়ার খেলা বন্ধের গ্যারান্টি অর্জন করতে হবে, একাত্তর, পঁচাত্তর, একুশে আগস্টের খুনীদের বর্জন ও সাজা প্রদান করতে হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

‘খালেদাকে জঙ্গিদের সাথে পাকিস্তানের ট্রেনে তুলে দিলেই মুক্তি’

প্রকাশিত : ০৮:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ নভেম্বর ২০১৭

তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর পাকিস্তানের সুর একই। এ অবস্থায় তাকে রাজাকার-জঙ্গি-তেতুঁল হুজুরদের সাথে পাকিস্তানের ট্রেনে তুলে দিলেই দেশে টেকসই রাজনীতি হবে।’

বুধবার বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ আয়োজিত ‘বর্তমান রাজনীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন।

বিএনএফের কো-চেয়ারম্যান মমতাজ জাহান চৌধুরী’র সভাপতিত্বে দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট বীরমুক্তিযোদ্ধা এস এম আবুল কালাম আজাদ এমপি প্রধান বক্তা হিসেবে আলোচনা করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ মুহূর্তে তিনটি বিতর্ক জাতীয় রাজনীতিকে আলোড়িত করছে- নির্বাচন বিতর্ক, রাজাকার-জঙ্গি-তেতুঁলহুজুর বিতর্ক এবং একবার মুক্তিযোদ্ধা, আরেকবার রাজাকারের সরকার খেলার বিতর্ক। শান্তি, অগ্রগতি ও উন্নয়নের জন্য এ তিন বিতর্কে স্থায়ী সমাধান দরকার।

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া এখনও নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র, জঙ্গি-রাজাকারদের রাজনৈতিক সঙ্গী রাখা এবং রাজাকারদের নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার চক্রান্ত করেই চলেছেন, সামরিকতন্ত্রের পক্ষে সাফাই গাইছেন এ কারণেই গণতন্ত্র এখনও নিরাপদ নয়।’

তিনি আরও বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন টেকসই রাজনীতি। আর তা করতে হলে রাজনীতি থেকে রাজাকার-জঙ্গি-তেতুঁল হুজুরদের ত্যাজ্য করতে হবে, মুক্তিযোদ্ধা-রাজাকারের সরকারের অদল-বদল মিউজিক্যাল চেয়ার খেলা বন্ধের গ্যারান্টি অর্জন করতে হবে, একাত্তর, পঁচাত্তর, একুশে আগস্টের খুনীদের বর্জন ও সাজা প্রদান করতে হবে।