০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪

‘ননস্টপ ও বন্ধন এক্সপ্রেস’ ট্রেনের উদ্বোধন

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী দুটি ট্রেন মৈত্রী ননস্টপ ও বন্ধনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা ও নয়াদিল্লি থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ট্রেনটির উদ্বোধন করেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাদের সঙ্গে যুক্ত হন।

ট্রেন দুটির মধ্যে মৈত্রী ননস্টপ চলবে ঢাকা থেকে কলকাতা রুটে এবং বন্ধন চলবে খুলনা থেকে কলকাতা রুটে। প্রায় ৫২ বছর পর খুলনা-কলকাতা রুটে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হলো।

শেখ হাসিনা বলেন, এই দু’টি ট্রেনের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হলো। বিশেষ করে এর ফলে দুই দেশের যাত্রীদের খুবই সুবিধা হবে। আমি বন্ধন ও ননস্টপ মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনের সফলতা কামনা করছি।

দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে চমৎকার সম্পর্ক বিরাজ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে ১৯৬৫ সালের পূর্বে চালু থাকা রেলরুটগুলো চালু করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

ভিডিও কনফারেন্সে নিজের বক্তব্যের শুরুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলায় অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে।

পাশাপাশি কালীপূজা ও দুর্গা পূজারও শুভেচ্ছা জানান শেখ হাসিনা ও মমতা ব্যানার্জীকে।

দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ককেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলেও নিজের বক্তব্যে উল্লেখ করেন মোদী।

কলকাতা-খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস চালুর মাধ্যমে এই দুই অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ ও ব্যবসা বাণিজ্য জোরদার হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বলেন, বঙ্গবন্ধুর সময় থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত ও পশ্চিমবঙ্গর সম্পর্ক ভালো।

বাংলাদেশ রেলওয়ের উপমহাপরিচালক (অপারেশন) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খুলনা অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর খুলনা-কলকাতা থেকে যাত্রীবাহী লাল-সবুজ ট্রেনের চলাচল আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হলো। গত ৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী এই ট্রেনের পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করেন।

আজ প্রথম দিন বলে কলকাতার কয়েকজন যাত্রী ও রেল কর্মকর্তাকে নিয়েই যাওয়া-আসা করবে ট্রেনটি। তবে ১৬ নভেম্বর থেকে যাত্রী নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে এ ট্রেন চলাচল শুরু হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

‘ননস্টপ ও বন্ধন এক্সপ্রেস’ ট্রেনের উদ্বোধন

প্রকাশিত : ১২:২৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৭

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী দুটি ট্রেন মৈত্রী ননস্টপ ও বন্ধনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা ও নয়াদিল্লি থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ট্রেনটির উদ্বোধন করেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাদের সঙ্গে যুক্ত হন।

ট্রেন দুটির মধ্যে মৈত্রী ননস্টপ চলবে ঢাকা থেকে কলকাতা রুটে এবং বন্ধন চলবে খুলনা থেকে কলকাতা রুটে। প্রায় ৫২ বছর পর খুলনা-কলকাতা রুটে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হলো।

শেখ হাসিনা বলেন, এই দু’টি ট্রেনের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হলো। বিশেষ করে এর ফলে দুই দেশের যাত্রীদের খুবই সুবিধা হবে। আমি বন্ধন ও ননস্টপ মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনের সফলতা কামনা করছি।

দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে চমৎকার সম্পর্ক বিরাজ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে ১৯৬৫ সালের পূর্বে চালু থাকা রেলরুটগুলো চালু করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

ভিডিও কনফারেন্সে নিজের বক্তব্যের শুরুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলায় অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে।

পাশাপাশি কালীপূজা ও দুর্গা পূজারও শুভেচ্ছা জানান শেখ হাসিনা ও মমতা ব্যানার্জীকে।

দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ককেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলেও নিজের বক্তব্যে উল্লেখ করেন মোদী।

কলকাতা-খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস চালুর মাধ্যমে এই দুই অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ ও ব্যবসা বাণিজ্য জোরদার হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বলেন, বঙ্গবন্ধুর সময় থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত ও পশ্চিমবঙ্গর সম্পর্ক ভালো।

বাংলাদেশ রেলওয়ের উপমহাপরিচালক (অপারেশন) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খুলনা অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর খুলনা-কলকাতা থেকে যাত্রীবাহী লাল-সবুজ ট্রেনের চলাচল আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হলো। গত ৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী এই ট্রেনের পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করেন।

আজ প্রথম দিন বলে কলকাতার কয়েকজন যাত্রী ও রেল কর্মকর্তাকে নিয়েই যাওয়া-আসা করবে ট্রেনটি। তবে ১৬ নভেম্বর থেকে যাত্রী নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে এ ট্রেন চলাচল শুরু হবে।