০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪

নানামুখী সংকটে বন্ধ হলো আজম খান ফাউন্ডেশন

আজম খান

বাংলাদেশের পপ ও ব্যান্ড সঙ্গীতের একজন অগ্রপথিক আজম খান। এ শিল্পী পৃথিবী থেকে বিদায় নেন ২০১১ সালের জুন মাসে। মৃত্যুর পর তার গানের প্রসার ও স্মৃতি রক্ষায় ২০১৩ সালের ২ মার্চ আজম খানের কন্যা ইমা খানের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় শিল্পী আজম খান ফাউন্ডেশন। এরপর বেশ ভাল ভাবেই এগিয়ে চলছিল এর কার্যক্রম।
কিন্তু বেশ কিছু দিন ধরে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যপদ নিয়ে সৃষ্টি হয় জটিলতা। এরপর সদস্যদের উদাসীনতা ও আর্থিক সংকটের কারণে সংগঠনটির সব ধরনের কার্যক্রম মুলতবি করে তা বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন আজম খানের মেয়ে ও শিল্পী আজম খান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইমা খান।
ইমা খান বলেন, ‘শিল্পী আজম খান ফাউন্ডেশনের মূলতবি ঘোষণা করছি। প্রধান কারণ হচ্ছে, সদস্য পদ নেয়া এবং সদস্যদের তৈরি করা ঝামেলা নিয়ে। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের পদে আমাকে হয়তো বা অনেকেরই পছন্দ হচ্ছে না। আমার কথা মতো মিটিংয়ে কেউ আসেন না। আর অর্থনৈতিক একটিও সাহায্য মেলেনি। আমার অ্যাকাউন্টে যে টাকা ছিল তা শেষ। তাই ফাউন্ডেশনটি আর চালানো যাচ্ছে না।’
ইমা খান জানান, পাঁচটি বিভাগে পাঁচ ধরনের সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে আজম খান ফাউন্ডেশন। এর মধ্যে বোর্ড মেম্বার ছিল সাতজন। অন্যান্য পদ মিলিয়ে সদস্য ছিল ১৫০ জন। উপদেষ্টাদের মধ্যে ছিলেন সংগীতশিল্পী সৈয়দ আবদুল হাদী, ব্যান্ড দল ফিডব্যাকের ফুয়াদ, প্রমিথিউসের বিপ্লব, ডিফারেন্ট টাচের পিয়াল ও মেজবাহ এবং অভিনেত্রী ও নির্মাতা মেহের আফরোজ শাওনসহ আরও অনেকেই।
পপস¤্রাট আজম খান দীর্ঘদিন দুরারোগ্য ক্যান্সার ব্যাধির সাথে লড়াই করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকায় সংঘটিত কয়েকটি গেরিলা অভিযানে অংশ নেন তিনি। তার প্রথম কনসার্ট প্রদর্শিত হয় বাংলাদেশ টেলিভিশনে ১৯৭২ সালে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নানামুখী সংকটে বন্ধ হলো আজম খান ফাউন্ডেশন

প্রকাশিত : ০২:০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৭

বাংলাদেশের পপ ও ব্যান্ড সঙ্গীতের একজন অগ্রপথিক আজম খান। এ শিল্পী পৃথিবী থেকে বিদায় নেন ২০১১ সালের জুন মাসে। মৃত্যুর পর তার গানের প্রসার ও স্মৃতি রক্ষায় ২০১৩ সালের ২ মার্চ আজম খানের কন্যা ইমা খানের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় শিল্পী আজম খান ফাউন্ডেশন। এরপর বেশ ভাল ভাবেই এগিয়ে চলছিল এর কার্যক্রম।
কিন্তু বেশ কিছু দিন ধরে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যপদ নিয়ে সৃষ্টি হয় জটিলতা। এরপর সদস্যদের উদাসীনতা ও আর্থিক সংকটের কারণে সংগঠনটির সব ধরনের কার্যক্রম মুলতবি করে তা বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন আজম খানের মেয়ে ও শিল্পী আজম খান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইমা খান।
ইমা খান বলেন, ‘শিল্পী আজম খান ফাউন্ডেশনের মূলতবি ঘোষণা করছি। প্রধান কারণ হচ্ছে, সদস্য পদ নেয়া এবং সদস্যদের তৈরি করা ঝামেলা নিয়ে। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের পদে আমাকে হয়তো বা অনেকেরই পছন্দ হচ্ছে না। আমার কথা মতো মিটিংয়ে কেউ আসেন না। আর অর্থনৈতিক একটিও সাহায্য মেলেনি। আমার অ্যাকাউন্টে যে টাকা ছিল তা শেষ। তাই ফাউন্ডেশনটি আর চালানো যাচ্ছে না।’
ইমা খান জানান, পাঁচটি বিভাগে পাঁচ ধরনের সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে আজম খান ফাউন্ডেশন। এর মধ্যে বোর্ড মেম্বার ছিল সাতজন। অন্যান্য পদ মিলিয়ে সদস্য ছিল ১৫০ জন। উপদেষ্টাদের মধ্যে ছিলেন সংগীতশিল্পী সৈয়দ আবদুল হাদী, ব্যান্ড দল ফিডব্যাকের ফুয়াদ, প্রমিথিউসের বিপ্লব, ডিফারেন্ট টাচের পিয়াল ও মেজবাহ এবং অভিনেত্রী ও নির্মাতা মেহের আফরোজ শাওনসহ আরও অনেকেই।
পপস¤্রাট আজম খান দীর্ঘদিন দুরারোগ্য ক্যান্সার ব্যাধির সাথে লড়াই করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকায় সংঘটিত কয়েকটি গেরিলা অভিযানে অংশ নেন তিনি। তার প্রথম কনসার্ট প্রদর্শিত হয় বাংলাদেশ টেলিভিশনে ১৯৭২ সালে।