০৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার কাজ করছে

সরকার পাবর্ত্যাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা। তিনি বলেন, সরকারের আন্তরিকতার কারণে পার্বত্যাঞ্চলে শিক্ষার মান অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য মেডিক্যাল কলেজ ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছে। তাই শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক ও অভিভাবকদের শিক্ষার্থীদের উপর নজরদারি বাড়াতে হবে।এছাড়া পাহাড়ে পিছিয়ে পড়া জাতিগোষ্ঠীদের শিক্ষা ও অর্থনৈকি উন্নয়নে বর্তমান সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই সরকারের এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান তিনি। সোমবার বেলা ১১টায় রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টীর ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত ৪র্থ শ্রেণির কৃতী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা এসব কথা বলেন। রাঙামাটি জেলা শিক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ও পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য অংসুইপ্রু চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন, রাঙামাটি জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইউসুফ সিদ্দিকী, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য মানোয়ারা আক্তার জাহান, পরিষদ সদস্য অমিত চাকমা রাজু, পরিষদ সদস্য ত্রিদীপ কান্তি দাশ, ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা উত্তম খীসা রাঙামাটি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রওশন আলী প্রমুখ। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা আরও বলেন, ২০০৩ সালে জেলা পরিষদ প্রাথমিক শিক্ষা বৃত্তি চালু করেছে। এ শিক্ষাবৃত্তি শিক্ষার্থীদের পড়া-লেখার মানবৃদ্ধি করেছে। তাই সন্তাদের শিক্ষিত করার ক্ষেত্র অভিভাবকদেরও আগ্রহ বেড়েছে। আজ ৩৪৯জন শিক্ষার্থীদের ৪ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকার বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। আগামীতে এ বৃত্তিপ্রাপ্তদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষিত জাতি গঠন ও শিক্ষার মান উন্নয়নে ২৬হাজার বেসরকারী স্কুল সরকারীকরণ ও বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌছে দিচ্ছে। সরকারের প্রদত্ত সুবিধাগুলোকে কাজে লাগিয়ে সমৃদ্ধশালী দেশ গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। পরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির নগদ অর্থ তুলেদেন। ২০১৬ সালের বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে-অনন্য মেধায় ২২জনকে ২হাজার টাকা, ট্যালেন্টপুলে ৭১জনকে ১হাজার ৫শত টাকা এবং ২৫৬ জন শিক্ষার্থীকে সাধারণ গ্রেডে ১হাজার টাকা করে মোট ৪লক্ষ ৬হাজার ৫শত টাকার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার কাজ করছে

প্রকাশিত : ০১:০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭

সরকার পাবর্ত্যাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা। তিনি বলেন, সরকারের আন্তরিকতার কারণে পার্বত্যাঞ্চলে শিক্ষার মান অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য মেডিক্যাল কলেজ ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছে। তাই শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক ও অভিভাবকদের শিক্ষার্থীদের উপর নজরদারি বাড়াতে হবে।এছাড়া পাহাড়ে পিছিয়ে পড়া জাতিগোষ্ঠীদের শিক্ষা ও অর্থনৈকি উন্নয়নে বর্তমান সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই সরকারের এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান তিনি। সোমবার বেলা ১১টায় রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টীর ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত ৪র্থ শ্রেণির কৃতী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা এসব কথা বলেন। রাঙামাটি জেলা শিক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ও পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য অংসুইপ্রু চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন, রাঙামাটি জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইউসুফ সিদ্দিকী, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য মানোয়ারা আক্তার জাহান, পরিষদ সদস্য অমিত চাকমা রাজু, পরিষদ সদস্য ত্রিদীপ কান্তি দাশ, ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা উত্তম খীসা রাঙামাটি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রওশন আলী প্রমুখ। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা আরও বলেন, ২০০৩ সালে জেলা পরিষদ প্রাথমিক শিক্ষা বৃত্তি চালু করেছে। এ শিক্ষাবৃত্তি শিক্ষার্থীদের পড়া-লেখার মানবৃদ্ধি করেছে। তাই সন্তাদের শিক্ষিত করার ক্ষেত্র অভিভাবকদেরও আগ্রহ বেড়েছে। আজ ৩৪৯জন শিক্ষার্থীদের ৪ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকার বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। আগামীতে এ বৃত্তিপ্রাপ্তদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষিত জাতি গঠন ও শিক্ষার মান উন্নয়নে ২৬হাজার বেসরকারী স্কুল সরকারীকরণ ও বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌছে দিচ্ছে। সরকারের প্রদত্ত সুবিধাগুলোকে কাজে লাগিয়ে সমৃদ্ধশালী দেশ গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। পরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির নগদ অর্থ তুলেদেন। ২০১৬ সালের বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে-অনন্য মেধায় ২২জনকে ২হাজার টাকা, ট্যালেন্টপুলে ৭১জনকে ১হাজার ৫শত টাকা এবং ২৫৬ জন শিক্ষার্থীকে সাধারণ গ্রেডে ১হাজার টাকা করে মোট ৪লক্ষ ৬হাজার ৫শত টাকার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়।