০১:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

বেড়েছে শীতকালীন সবজি চাষ

এ বছর খুুুলনা জেলায় বেড়েছে শীতকালীন সবজি চাষ। জেলায় এ পর্যন্ত শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়েছে ৩ হাজার ৫শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে। তবে এ সবজি চাষ আগামী বছরের প্রথম দুইমাস পর্যন্ত চলমান থাকবে বলে জানা গেছে। গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হয়। আর এ বৃষ্টিতে বীজতলা নষ্ট হওয়ায় মৌসুমের প্রথমেই মুখ থুবড়ে পড়ে শীতকালীন সবজি চাষ। এ মাসের শুরুতে লাল শাক, পালং শাক, মূলা ও ফুল কপির আবাদ শুরু করেন চাষিরা। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে শীতের সবজি বিক্রি হচ্ছে। আবার নতুন করে চাষও করা হচ্ছে। এ বছর আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে স্বাভাবিকের তুলনায় বৃষ্টিপাত বেশি হয়েছে। এতে করে একদিকে যেমন বেগুন, লাউ ও কাঁচা মরিচ গাছ নষ্ট হয়েছে, পাশাপাশি বীজতলাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃষ্টির কারণে ক্ষেতের সবজি নষ্ট হওয়ায় বেগুন, লাউ, করলা, লাল শাক ও পালং শাকের দাম বেড়ে যায়। এদিকে খুলনায় গত অর্থবছরে শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়েছিলো ৬ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে। কিন্তু এ বছর এ পর্যন্ত সবজি চাষ করা হয়েছে ৩ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে। যা বিগত বছরের তুলনায় প্রায় অর্ধেক। খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন, তাদের নামে কোন কর্মসূচি না থাকলেও কর্মসূচি জেলা প্রশাসন পালন করবে। সেখানে তাদের অংশগ্রহণ থাকবে। আর সবজি আবাদ কম হওয়ায় কারণ হিসেবে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বর্ষার কারণে সবজি আবাদে বিলম্ব হচ্ছে। তবে আবাদ গত বছরের তুলনায় কম হবে না বলেও জানান এ কর্মকর্তা। খুলনা খামারবাড়ী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে খুলনায় তিনটি মেট্রো থানাসহ মোট ১১টি উপজেলায় সর্বমোট ৬ হাজার ৫শ’ ৬০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়েছিল। এদিকে চলতি অর্থবছরে খুলনায় ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়েছে ৩ হাজার ৫শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে দৌলতপুর মেট্রো থানায় ৫০ হেক্টর, লবণচরা মেট্রো থানায় ৩০ হেক্টর, রূপসা মেট্রো থানায় ১৫০ হেক্টর, বটিয়াঘাটা উপজেলায় ৩৩০ হেক্টর, দিঘলিয়ায় ১৪৫ হেক্টর, ফুলতলায় ২০ হেক্টর, ডুমুরিয়ায় ১ হাজার ৮৪০ হেক্টর, তেরখাদায় ৭০ হেক্টর, দাকোপে ৫০০ হেক্টর, পাইকগাছায় ২৫০ হেক্টর, কয়রায় ১৬৫ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়েছে। তবে এ চাষাবাদ আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলমান থাকবে বলে জানা গেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বেড়েছে শীতকালীন সবজি চাষ

প্রকাশিত : ১২:৩৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৭

এ বছর খুুুলনা জেলায় বেড়েছে শীতকালীন সবজি চাষ। জেলায় এ পর্যন্ত শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়েছে ৩ হাজার ৫শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে। তবে এ সবজি চাষ আগামী বছরের প্রথম দুইমাস পর্যন্ত চলমান থাকবে বলে জানা গেছে। গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হয়। আর এ বৃষ্টিতে বীজতলা নষ্ট হওয়ায় মৌসুমের প্রথমেই মুখ থুবড়ে পড়ে শীতকালীন সবজি চাষ। এ মাসের শুরুতে লাল শাক, পালং শাক, মূলা ও ফুল কপির আবাদ শুরু করেন চাষিরা। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে শীতের সবজি বিক্রি হচ্ছে। আবার নতুন করে চাষও করা হচ্ছে। এ বছর আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে স্বাভাবিকের তুলনায় বৃষ্টিপাত বেশি হয়েছে। এতে করে একদিকে যেমন বেগুন, লাউ ও কাঁচা মরিচ গাছ নষ্ট হয়েছে, পাশাপাশি বীজতলাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃষ্টির কারণে ক্ষেতের সবজি নষ্ট হওয়ায় বেগুন, লাউ, করলা, লাল শাক ও পালং শাকের দাম বেড়ে যায়। এদিকে খুলনায় গত অর্থবছরে শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়েছিলো ৬ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে। কিন্তু এ বছর এ পর্যন্ত সবজি চাষ করা হয়েছে ৩ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে। যা বিগত বছরের তুলনায় প্রায় অর্ধেক। খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন, তাদের নামে কোন কর্মসূচি না থাকলেও কর্মসূচি জেলা প্রশাসন পালন করবে। সেখানে তাদের অংশগ্রহণ থাকবে। আর সবজি আবাদ কম হওয়ায় কারণ হিসেবে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বর্ষার কারণে সবজি আবাদে বিলম্ব হচ্ছে। তবে আবাদ গত বছরের তুলনায় কম হবে না বলেও জানান এ কর্মকর্তা। খুলনা খামারবাড়ী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে খুলনায় তিনটি মেট্রো থানাসহ মোট ১১টি উপজেলায় সর্বমোট ৬ হাজার ৫শ’ ৬০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়েছিল। এদিকে চলতি অর্থবছরে খুলনায় ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়েছে ৩ হাজার ৫শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে দৌলতপুর মেট্রো থানায় ৫০ হেক্টর, লবণচরা মেট্রো থানায় ৩০ হেক্টর, রূপসা মেট্রো থানায় ১৫০ হেক্টর, বটিয়াঘাটা উপজেলায় ৩৩০ হেক্টর, দিঘলিয়ায় ১৪৫ হেক্টর, ফুলতলায় ২০ হেক্টর, ডুমুরিয়ায় ১ হাজার ৮৪০ হেক্টর, তেরখাদায় ৭০ হেক্টর, দাকোপে ৫০০ হেক্টর, পাইকগাছায় ২৫০ হেক্টর, কয়রায় ১৬৫ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়েছে। তবে এ চাষাবাদ আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলমান থাকবে বলে জানা গেছে।