০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬

জনসংখ্যা বাড়াতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিবে সরকার

জনসংখ্যা বৃদ্ধির চেষ্টায় সন্তানহীন দম্পতিদের বিনামূল্যে ইন-ভিট্রোফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ) চিকিৎসা দেবে হাঙ্গেরি সরকার। হাঙ্গেরির দক্ষিণপন্থী জাতীয়তাবাদী প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দিয়েছেন। তার সরকার দেশটিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।

ইউরোপের অন্যান্য দেশে যেখানে অভিবাসন বাড়িয়ে জনশক্তির চাহিদা মেটানো হয়, সেখানে হাঙ্গেরির সরকার তার ঘোরতর বিরোধী। তারা চায় হাঙ্গেরিয়ানদের জন্মহার বাড়িয়েই এই সমস্যার সমাধান করতে হবে। গত চার দশক ধরে হাঙ্গেরির জনসংখ্যা কমছে। দেশটিতে জন্ম হার মাত্র ১.৪৮%। বর্তমানে দেশটির জনসংখ্যা ৯৭ লাখের সামান্য বেশি।

ভিক্টর অরবান জন্মহার বাড়ানোর জন্য ডিসেম্বরে দেশটির ছয়টি ফার্টিলিটি ক্লিনিক সরকারের ব্যবস্থাপনায় নিয়ে আসেন। ফেব্রুয়ারি থেকে সব সন্তানহীন দম্পতিকে বিনামূল্যে ফার্টিলিটি চিকিৎসা দেয়া হবে।

ভিক্টর অরবান বলেন, যদি আমরা অভিবাসীদের পরিবর্তে হাঙ্গেরিয়ান শিশু চাই, এবং হাঙ্গেরিয়ান অর্থনীতি যদি প্রয়োজনীয় তহবিল জোগাতে পারে, তাহলে এর একমাত্র সমাধান পরিবার এবং সন্তান লালন-পালনের জন্য যত বেশি সম্ভব অর্থ ব্যয় করা।

জন্মহার বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। যেমন পোল্যান্ডে প্রতিটি শিশুর জন্য সরকারের কাছ থেকে মাসে প্রায় একশো পাউন্ড ভাতা পান বাবা-মা। এমনকি যেসব নারী তিন বা তার অধিক সন্তান নেবেন, তাদের জন্য আয়কর মওকুফ করার কথা ভাবছে সরকার। যাদের চার বা তার অধিক সন্তান আছে, তাদের জন্য আয়কর মওকুফ করা হয়েছে চলতি মাস থেকেই।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :

সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জনসংখ্যা বাড়াতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিবে সরকার

প্রকাশিত : ০১:৩৭:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২০

জনসংখ্যা বৃদ্ধির চেষ্টায় সন্তানহীন দম্পতিদের বিনামূল্যে ইন-ভিট্রোফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ) চিকিৎসা দেবে হাঙ্গেরি সরকার। হাঙ্গেরির দক্ষিণপন্থী জাতীয়তাবাদী প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দিয়েছেন। তার সরকার দেশটিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।

ইউরোপের অন্যান্য দেশে যেখানে অভিবাসন বাড়িয়ে জনশক্তির চাহিদা মেটানো হয়, সেখানে হাঙ্গেরির সরকার তার ঘোরতর বিরোধী। তারা চায় হাঙ্গেরিয়ানদের জন্মহার বাড়িয়েই এই সমস্যার সমাধান করতে হবে। গত চার দশক ধরে হাঙ্গেরির জনসংখ্যা কমছে। দেশটিতে জন্ম হার মাত্র ১.৪৮%। বর্তমানে দেশটির জনসংখ্যা ৯৭ লাখের সামান্য বেশি।

ভিক্টর অরবান জন্মহার বাড়ানোর জন্য ডিসেম্বরে দেশটির ছয়টি ফার্টিলিটি ক্লিনিক সরকারের ব্যবস্থাপনায় নিয়ে আসেন। ফেব্রুয়ারি থেকে সব সন্তানহীন দম্পতিকে বিনামূল্যে ফার্টিলিটি চিকিৎসা দেয়া হবে।

ভিক্টর অরবান বলেন, যদি আমরা অভিবাসীদের পরিবর্তে হাঙ্গেরিয়ান শিশু চাই, এবং হাঙ্গেরিয়ান অর্থনীতি যদি প্রয়োজনীয় তহবিল জোগাতে পারে, তাহলে এর একমাত্র সমাধান পরিবার এবং সন্তান লালন-পালনের জন্য যত বেশি সম্ভব অর্থ ব্যয় করা।

জন্মহার বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। যেমন পোল্যান্ডে প্রতিটি শিশুর জন্য সরকারের কাছ থেকে মাসে প্রায় একশো পাউন্ড ভাতা পান বাবা-মা। এমনকি যেসব নারী তিন বা তার অধিক সন্তান নেবেন, তাদের জন্য আয়কর মওকুফ করার কথা ভাবছে সরকার। যাদের চার বা তার অধিক সন্তান আছে, তাদের জন্য আয়কর মওকুফ করা হয়েছে চলতি মাস থেকেই।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান