০২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মিয়ানমারের গণহত্যা মামলার রায় ২৩ জানুয়ারি

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে গাম্বিয়ার করা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ ২৩ জানুয়ারি ঘোষণা করবে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)। খবর ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স’র। সোমবার গাম্বিয়ার আইন মন্ত্রণালয় টুইটারে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোগত সহিংসতা, ধর্ষণ ও নির্যাতন চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। হত্যাকাণ্ড, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের বাস্তবতায় জীবন বাঁচাতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

এ নৃশংসতাকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিয়ে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)-এ মামলা করে গাম্বিয়া। নেদারল্যান্ডসের হেগেতে এ বিষয়ে শুনানি হয় গত বছরের ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর।

মামলায় প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা ও সংঘাত আরও তীব্রতর না হওয়ার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিতে আদালতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেত্রী ও আদালতে দেশটির প্রতিনিধিত্ব করা শান্তিতে নোবেল জয়ী অং সান সু চি গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, এই বিষয়ে মামলা পরিচালনার এখতিয়ার জাতিসংঘের আদালতের নেই। গণহত্যার অভিযোগ খারিজ করতে বিচারককে তিনি আহ্বান জানান।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নির্বাচন অনিশ্চয়তায় ভোট হবে কি না,আদৌ জানি না-জিএম কাদের

মিয়ানমারের গণহত্যা মামলার রায় ২৩ জানুয়ারি

প্রকাশিত : ০২:২১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২০

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে গাম্বিয়ার করা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ ২৩ জানুয়ারি ঘোষণা করবে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)। খবর ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স’র। সোমবার গাম্বিয়ার আইন মন্ত্রণালয় টুইটারে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোগত সহিংসতা, ধর্ষণ ও নির্যাতন চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। হত্যাকাণ্ড, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের বাস্তবতায় জীবন বাঁচাতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

এ নৃশংসতাকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিয়ে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)-এ মামলা করে গাম্বিয়া। নেদারল্যান্ডসের হেগেতে এ বিষয়ে শুনানি হয় গত বছরের ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর।

মামলায় প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা ও সংঘাত আরও তীব্রতর না হওয়ার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিতে আদালতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেত্রী ও আদালতে দেশটির প্রতিনিধিত্ব করা শান্তিতে নোবেল জয়ী অং সান সু চি গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, এই বিষয়ে মামলা পরিচালনার এখতিয়ার জাতিসংঘের আদালতের নেই। গণহত্যার অভিযোগ খারিজ করতে বিচারককে তিনি আহ্বান জানান।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান