১১:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

হাসপাতাল থেকে পালালেন করোনার কোয়ারেন্টাইনে থাকা রুশ নারী

হাসপাতাল থেকে পালালেন করোনার কোয়ারেন্টাইনে থাকা রুশ নারী

রাশিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালের কোয়ারেন্টাইনে থাকা এক নারী পালিয়ে গেছেন। পরে কর্তৃপক্ষ তাকে জোর করে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে। খবর বিবিসির।

আলা ইলাইনা নামের ৩২ বছর বয়সী ওই নারী এখন সেন্ট পিটার্সবার্গে নিজের ফ্ল্যাটে রয়েছেন এবং পুলিশকে জানিয়েছে যে, তিনি তার ঘরের দরজা খুলবেন না।

গত মাসে চীন থেকে রাশিয়া ফেরেন ইলাইনা। তিনি বলেন, গত ৬ ফেব্রুয়ারি টেস্ট করার পর তার শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তবে তাকে দুই সপ্তাহের জন্য কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়।

কিন্তু হতাশ হয়ে তিনি হাসপাতালের ইলেকট্রিক লক অচল করে সেখান থেকে পালিয়ে যান। নিজের ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ইলাইনা বলেন, চীনের হাইনান প্রদেশ থেকে গত ৩০ জানুয়ারি রাশিয়া ফেরেন তিনি। কিন্তু তার গলায় ব্যথা ছিল।

পরে ৬ ফেব্রুয়ারি তিনি একটি অ্যাম্বুলেন্স ডাকেন এবং বটকিন ক্লিনিক্যাল ইনফেকশাস ডিজিস হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে পরীক্ষায় দেখা যায়, তার শরীরে করোনাভাইরাস নেই। কিন্তু সতর্কতার অংশ হিসেবে তাকে দুই সপ্তাহ হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়।

ইলাইনা লিখেন, তিনটি টেস্টের কোনোটিতেই আমার শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়নি। তাই কেন কোয়ারেন্টাইনে থাকবো।

পদার্থ বিজ্ঞানে ডিপ্লোমাধারী ইলাইনা ওইদিন হাসপাতালের ইলেকট্রিক লকে শর্ট-সার্কিট ঘটান এবং হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান। এমনকি হাসপাতাল থেকে পালানোর জন্য তিনি একটি এসকেপ রুটও তৈরি করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জনসমুদ্রে রূপ নিয়েছে সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠ

হাসপাতাল থেকে পালালেন করোনার কোয়ারেন্টাইনে থাকা রুশ নারী

প্রকাশিত : ০৯:৫৬:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০

রাশিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালের কোয়ারেন্টাইনে থাকা এক নারী পালিয়ে গেছেন। পরে কর্তৃপক্ষ তাকে জোর করে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে। খবর বিবিসির।

আলা ইলাইনা নামের ৩২ বছর বয়সী ওই নারী এখন সেন্ট পিটার্সবার্গে নিজের ফ্ল্যাটে রয়েছেন এবং পুলিশকে জানিয়েছে যে, তিনি তার ঘরের দরজা খুলবেন না।

গত মাসে চীন থেকে রাশিয়া ফেরেন ইলাইনা। তিনি বলেন, গত ৬ ফেব্রুয়ারি টেস্ট করার পর তার শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তবে তাকে দুই সপ্তাহের জন্য কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়।

কিন্তু হতাশ হয়ে তিনি হাসপাতালের ইলেকট্রিক লক অচল করে সেখান থেকে পালিয়ে যান। নিজের ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ইলাইনা বলেন, চীনের হাইনান প্রদেশ থেকে গত ৩০ জানুয়ারি রাশিয়া ফেরেন তিনি। কিন্তু তার গলায় ব্যথা ছিল।

পরে ৬ ফেব্রুয়ারি তিনি একটি অ্যাম্বুলেন্স ডাকেন এবং বটকিন ক্লিনিক্যাল ইনফেকশাস ডিজিস হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে পরীক্ষায় দেখা যায়, তার শরীরে করোনাভাইরাস নেই। কিন্তু সতর্কতার অংশ হিসেবে তাকে দুই সপ্তাহ হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়।

ইলাইনা লিখেন, তিনটি টেস্টের কোনোটিতেই আমার শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়নি। তাই কেন কোয়ারেন্টাইনে থাকবো।

পদার্থ বিজ্ঞানে ডিপ্লোমাধারী ইলাইনা ওইদিন হাসপাতালের ইলেকট্রিক লকে শর্ট-সার্কিট ঘটান এবং হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান। এমনকি হাসপাতাল থেকে পালানোর জন্য তিনি একটি এসকেপ রুটও তৈরি করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ