০৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

শস্য বহুমুখীকরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে 

বাংলাদেশ বিগত বছরগুলোতে শস্য বহুমুখীকরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে, যা গ্রামীণ জনগণের পুষ্টির স্তর উন্নয়নে ব্যাপক সাফল্য অর্জনে সহায়ক হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। মঙ্গলবার রাজধানীতে বাংলাদেশে পুষ্টির জন্য কৃষি নির্ভরতা শীষর্ক এক কর্মশালায় এ কথা বলা হয়। কর্মশালায় বলা হয়, ২০১১-১২ সালে মোট শস্য উৎপাদনে ধানের উৎপাদন হতো ৭৬.৮ শতাংশ। ২০১৫ সালে ধান উৎপাদনের পরিমান কিছুটা কমে হয় ৭৩.১ শতাংশ। ধানের চেয়ে অন্যান্য শষ্য চাষ বৃদ্ধি পাওয়ায় ধানের উৎপাদন কিছুটা হ্র্রাস পেয়েছে।
অনুষ্ঠানে আইএফপিআরআই’র গবেষক সালাউদ্দিন তাউসীফ একটি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়, এ সময়ে দেশে গমের চাষ ১.৫ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২.২ হয়েছে। ভূট্টা চাষ ০.৮ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২ শতাংশ হয়েছে। মসুর ডাল চাষ বৃদ্ধি পেয়ে ২ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২.৩ শতাংশ হয়েছে। তৈলবীজ চাষ বৃদ্ধি পেয়ে ২.৩ থেকে ৩.৯ শতাংশ হয়েছে। আলু চাষ বৃদ্ধি পেয়ে ১.৭ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১.৮ শতাংশ হয়েছে। শাকসবজি চাষ বৃদ্ধি পেয়ে ৩.৮ থেকে ৩.৯ শতাংশ হয়েছে এবং কলা চাষ বৃদ্ধি পেয়ে ০.৪ শতাংশ থেকে ০.৬ শতাংশ হয়েছে। ব্র্যাকের গবেষণা ও ইভাল্যুয়েশন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক আবদুল বায়েস অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, একই সময়ে ব্যাক্তি পযার্য়ে পুষ্টিমান বৃদ্ধি পেয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন খাদ্য সচিব কায়কোবাদ হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বলাইকৃঞ্চ হাজরা। প্রধান অতিথি কায়কোবাদ হোসেন বলেন, সরকার পুষ্টি বাড়াতে বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করেছে। স্বাস্থ্যসচেতনতা প্রচারণা চালানোর মাধ্যমে জনগণকে পুষ্টি সম্পর্কে সচেতন করে তোলা হবে। সূত্র : বাসস

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

শস্য বহুমুখীকরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে 

প্রকাশিত : ০৮:১৯:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭

বাংলাদেশ বিগত বছরগুলোতে শস্য বহুমুখীকরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে, যা গ্রামীণ জনগণের পুষ্টির স্তর উন্নয়নে ব্যাপক সাফল্য অর্জনে সহায়ক হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। মঙ্গলবার রাজধানীতে বাংলাদেশে পুষ্টির জন্য কৃষি নির্ভরতা শীষর্ক এক কর্মশালায় এ কথা বলা হয়। কর্মশালায় বলা হয়, ২০১১-১২ সালে মোট শস্য উৎপাদনে ধানের উৎপাদন হতো ৭৬.৮ শতাংশ। ২০১৫ সালে ধান উৎপাদনের পরিমান কিছুটা কমে হয় ৭৩.১ শতাংশ। ধানের চেয়ে অন্যান্য শষ্য চাষ বৃদ্ধি পাওয়ায় ধানের উৎপাদন কিছুটা হ্র্রাস পেয়েছে।
অনুষ্ঠানে আইএফপিআরআই’র গবেষক সালাউদ্দিন তাউসীফ একটি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়, এ সময়ে দেশে গমের চাষ ১.৫ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২.২ হয়েছে। ভূট্টা চাষ ০.৮ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২ শতাংশ হয়েছে। মসুর ডাল চাষ বৃদ্ধি পেয়ে ২ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২.৩ শতাংশ হয়েছে। তৈলবীজ চাষ বৃদ্ধি পেয়ে ২.৩ থেকে ৩.৯ শতাংশ হয়েছে। আলু চাষ বৃদ্ধি পেয়ে ১.৭ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১.৮ শতাংশ হয়েছে। শাকসবজি চাষ বৃদ্ধি পেয়ে ৩.৮ থেকে ৩.৯ শতাংশ হয়েছে এবং কলা চাষ বৃদ্ধি পেয়ে ০.৪ শতাংশ থেকে ০.৬ শতাংশ হয়েছে। ব্র্যাকের গবেষণা ও ইভাল্যুয়েশন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক আবদুল বায়েস অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, একই সময়ে ব্যাক্তি পযার্য়ে পুষ্টিমান বৃদ্ধি পেয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন খাদ্য সচিব কায়কোবাদ হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বলাইকৃঞ্চ হাজরা। প্রধান অতিথি কায়কোবাদ হোসেন বলেন, সরকার পুষ্টি বাড়াতে বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করেছে। স্বাস্থ্যসচেতনতা প্রচারণা চালানোর মাধ্যমে জনগণকে পুষ্টি সম্পর্কে সচেতন করে তোলা হবে। সূত্র : বাসস