০৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

দুর্যোগে অসহায় ও কর্মহীনদের পাশে প্রচারবিমুখ রিয়াজ চৌধুরী

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত হওয়া বাংলাদেশ পুলিশের সততায়, বীরত্বপূর্ণ কাজে, দক্ষতায়, কর্তব্যনিষ্ঠায় অবদান অনেক। সত্যিকারের দায়িত্বশীল ও নিষ্ঠাবান পুলিশ আইন মেনে যেমন পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন তেমনি তাদের অনেকের সততার, নৈতিকতার, মানবিকতার গল্প মন-মুগ্ধকর। কোন কোন পুলিশের পেশাগত নেশা এমনই যে, তারা সুযোগ পেলেই প্রতিনিয়ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান, সহযোগিতা করার সুযোগ খোঁজেন।

সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী,প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন এমন কিছু পুলিশের কল্যানে, বাংলাদেশ পুলিশের তেমনি একজন পুলিশ কর্মকর্তা সিএমপির চকবাজার থানার ওসি (তদন্ত) রিয়াজ চৌধুরী, যিনি সারাদিন পেশাগত দায়িত্ব দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রাতের অন্ধকারে প্রতিনিয়ত ছুটে চলেছেন অসহায় মানুষদের জন্য ত্রানের গাড়ি নিয়ে।

মুলত সারাবিশ্বের মত বাংলাদেশও করোনার ভয়ংকর থাবা থেকে মুক্ত নয়,বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলাতে এই মহামারি ছড়িয়ে পড়ায় কার্যত দেশ একপ্রকার লকডাউনে, কর্মহীন হয়ে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষ,অন্যান্য থানার মত চকবাজার থানাও এলাকার মানুষকে সচেতনতার পাশাপাশি কর্মহীন ও দুস্থ মানুষদের ত্রান দিয়ে সহায়তা করে যাচ্ছেন। মুলত এসব কর্মকান্ডের পেছনে মাঠ পর্যায়ে যার ভূমিকা এলাকার মানুষের সবচেয়ে বেশি চোখে পড়েছে তিনি হলেন চকবাজার থানার ওসি (তদন্ত) রিয়াজ চৌধুরী, প্রচারবিমুখ এই অফিসার প্রায় প্রতিরাত্রে চকবাজারের কোন না কোন এলাকায় ক্লান্তিহীন ভাবে ছুটে যাচ্ছেন ত্রানের গাড়ি নিয়ে এবং নিজ হাতে থাকা লিষ্ট দেখে দেখে ত্রানের প্যাকেট বুঝিয়ে দিচ্ছেন লিষ্টে থাকা প্রকৃত নামদারীদের এমনকি ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করেও তার এই ত্রান বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন এবং খোজ খবর নিচ্ছেন এলাকার প্রতিটি অলিগলি ও বস্তিতে যাতে কেউ বাদ না যায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বাসায় ফিরেন গভীর রাতে,প্রায় প্রতিদিনই এমন দৃশ্যে নিয়মিত দেখা যায় এই তরুন মানবিক পুলিশ অফিসারকে। তার এমন মানবিক কর্মকান্ড ইতিমধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছেন চকবাজার এলাকার মানুষের কাছে এবং প্রশংসা পাচ্ছেন সিএমপির অনেক উর্ধতন কর্মকর্তার কাছ থেকেও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানার লিষ্টে নাম না থাকা অনেক অসহায় পরিবারও ব্যক্তিগত ভাবে এই তরুন পুলিশ অফিসারের সাথে যোগাযোগ করে ত্রান পেয়েছেন বলে আমাদেরকে জানিয়েছেন। তার এই মহানুভবতায় ত্রান পেয়ে মহাখুশি অসহায়রা। উল্লেখ্য যে পূর্বেও চকবাজার থানার সেকেন্ড অফিসার হিসেবে সৎ ও নিষ্টার সাথে দায়িত্ব পালন করে গেছেন মানবিক ও প্রচারবিমুখ এই পুলিশ অফিসার।

ট্যাগ :

খাল খনন কর্মসূচি চালু করায় কৃষকের মুখে হাসি

দুর্যোগে অসহায় ও কর্মহীনদের পাশে প্রচারবিমুখ রিয়াজ চৌধুরী

প্রকাশিত : ১১:০৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত হওয়া বাংলাদেশ পুলিশের সততায়, বীরত্বপূর্ণ কাজে, দক্ষতায়, কর্তব্যনিষ্ঠায় অবদান অনেক। সত্যিকারের দায়িত্বশীল ও নিষ্ঠাবান পুলিশ আইন মেনে যেমন পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন তেমনি তাদের অনেকের সততার, নৈতিকতার, মানবিকতার গল্প মন-মুগ্ধকর। কোন কোন পুলিশের পেশাগত নেশা এমনই যে, তারা সুযোগ পেলেই প্রতিনিয়ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান, সহযোগিতা করার সুযোগ খোঁজেন।

সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী,প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন এমন কিছু পুলিশের কল্যানে, বাংলাদেশ পুলিশের তেমনি একজন পুলিশ কর্মকর্তা সিএমপির চকবাজার থানার ওসি (তদন্ত) রিয়াজ চৌধুরী, যিনি সারাদিন পেশাগত দায়িত্ব দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রাতের অন্ধকারে প্রতিনিয়ত ছুটে চলেছেন অসহায় মানুষদের জন্য ত্রানের গাড়ি নিয়ে।

মুলত সারাবিশ্বের মত বাংলাদেশও করোনার ভয়ংকর থাবা থেকে মুক্ত নয়,বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলাতে এই মহামারি ছড়িয়ে পড়ায় কার্যত দেশ একপ্রকার লকডাউনে, কর্মহীন হয়ে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষ,অন্যান্য থানার মত চকবাজার থানাও এলাকার মানুষকে সচেতনতার পাশাপাশি কর্মহীন ও দুস্থ মানুষদের ত্রান দিয়ে সহায়তা করে যাচ্ছেন। মুলত এসব কর্মকান্ডের পেছনে মাঠ পর্যায়ে যার ভূমিকা এলাকার মানুষের সবচেয়ে বেশি চোখে পড়েছে তিনি হলেন চকবাজার থানার ওসি (তদন্ত) রিয়াজ চৌধুরী, প্রচারবিমুখ এই অফিসার প্রায় প্রতিরাত্রে চকবাজারের কোন না কোন এলাকায় ক্লান্তিহীন ভাবে ছুটে যাচ্ছেন ত্রানের গাড়ি নিয়ে এবং নিজ হাতে থাকা লিষ্ট দেখে দেখে ত্রানের প্যাকেট বুঝিয়ে দিচ্ছেন লিষ্টে থাকা প্রকৃত নামদারীদের এমনকি ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করেও তার এই ত্রান বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন এবং খোজ খবর নিচ্ছেন এলাকার প্রতিটি অলিগলি ও বস্তিতে যাতে কেউ বাদ না যায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বাসায় ফিরেন গভীর রাতে,প্রায় প্রতিদিনই এমন দৃশ্যে নিয়মিত দেখা যায় এই তরুন মানবিক পুলিশ অফিসারকে। তার এমন মানবিক কর্মকান্ড ইতিমধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছেন চকবাজার এলাকার মানুষের কাছে এবং প্রশংসা পাচ্ছেন সিএমপির অনেক উর্ধতন কর্মকর্তার কাছ থেকেও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানার লিষ্টে নাম না থাকা অনেক অসহায় পরিবারও ব্যক্তিগত ভাবে এই তরুন পুলিশ অফিসারের সাথে যোগাযোগ করে ত্রান পেয়েছেন বলে আমাদেরকে জানিয়েছেন। তার এই মহানুভবতায় ত্রান পেয়ে মহাখুশি অসহায়রা। উল্লেখ্য যে পূর্বেও চকবাজার থানার সেকেন্ড অফিসার হিসেবে সৎ ও নিষ্টার সাথে দায়িত্ব পালন করে গেছেন মানবিক ও প্রচারবিমুখ এই পুলিশ অফিসার।