০৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

রোজাদার ধান কাটার শ্রমিক ও কৃষকদের ইফতার সামগ্রী দিলেন সেলিম

পবিত্র রমজান মাস ও করোনাভাইরাসের কারণে অসহায় কৃষক ও শ্রমিকদের মধ্যে মাঠে ঘুরে ঘুরে ইফতার সামগ্রী প্রদান করছেন সুনামগঞ্জ জেলা জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি সেলিম আহমদ।
মঙ্গলবার দুপুরে তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওর ও শনিবার হাওরে প্রায় ৭ শতাধিক কৃষক ও শ্রমিকদের মধ্যে এ সকল ইফতার সামগ্রী প্রদান করেন।
জানাযায়, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ও সুনামগঞ্জ জেলার আগাম বন্যার সর্তকর্তা থাকায় দ্রুত গতিতে হাওরে ধান কাটা চলমান থাকায় এবং পবিত্র রমজান মাসে রোজা রেখে হাওরে কাজ করা কৃষকদের হাতে ১ কেজি খেজুর, ১ কেজি মাল্টা, ১ কেজি আপেল ও ট্যাংক তুলে দেন।
প্রথম রমজান থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার কৃষক ও শ্রমিকদের মধ্যে এ ইফতার সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন তিনি।
এ ব্যাপারে জেলা জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি সেলিম আহমদ বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে অনেক শ্রমিক হাওরে ধান কাটতে গেলেও সঠিক সময়ে ঘরে ফিরতে পারেন না এবং সঠিক সময়ে ইফতার করতে পারে না তাই বিবেকের তাড়নায় রোজার প্রথম দিন থেকেই যা পারছি তা দেয়ার চেষ্টা করছি এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর পর্যন্ত প্রত্যেক দিনই শ্রমিক ও কৃষকদের ভাইদের খাবার দেয়ার চেষ্টা করব।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ
ট্যাগ :

খাল খনন কর্মসূচি চালু করায় কৃষকের মুখে হাসি

রোজাদার ধান কাটার শ্রমিক ও কৃষকদের ইফতার সামগ্রী দিলেন সেলিম

প্রকাশিত : ১১:১২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০
পবিত্র রমজান মাস ও করোনাভাইরাসের কারণে অসহায় কৃষক ও শ্রমিকদের মধ্যে মাঠে ঘুরে ঘুরে ইফতার সামগ্রী প্রদান করছেন সুনামগঞ্জ জেলা জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি সেলিম আহমদ।
মঙ্গলবার দুপুরে তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওর ও শনিবার হাওরে প্রায় ৭ শতাধিক কৃষক ও শ্রমিকদের মধ্যে এ সকল ইফতার সামগ্রী প্রদান করেন।
জানাযায়, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ও সুনামগঞ্জ জেলার আগাম বন্যার সর্তকর্তা থাকায় দ্রুত গতিতে হাওরে ধান কাটা চলমান থাকায় এবং পবিত্র রমজান মাসে রোজা রেখে হাওরে কাজ করা কৃষকদের হাতে ১ কেজি খেজুর, ১ কেজি মাল্টা, ১ কেজি আপেল ও ট্যাংক তুলে দেন।
প্রথম রমজান থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার কৃষক ও শ্রমিকদের মধ্যে এ ইফতার সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন তিনি।
এ ব্যাপারে জেলা জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি সেলিম আহমদ বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে অনেক শ্রমিক হাওরে ধান কাটতে গেলেও সঠিক সময়ে ঘরে ফিরতে পারেন না এবং সঠিক সময়ে ইফতার করতে পারে না তাই বিবেকের তাড়নায় রোজার প্রথম দিন থেকেই যা পারছি তা দেয়ার চেষ্টা করছি এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর পর্যন্ত প্রত্যেক দিনই শ্রমিক ও কৃষকদের ভাইদের খাবার দেয়ার চেষ্টা করব।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ