০৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

দেখা নেই চট্টগ্রামের উপজেলা চেয়ারম্যানদের

চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কেউ মাঠে না থাকায় তৃণমূল ও প্রান্তিক মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। পৃথিবীব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বাংলাদেশেও শ্রমজীবী, কর্মজীবী, দিনমজুর,মানুষেরা কর্মহীন হয়ে পড়ায় সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায়েও অনেকে সাহায্য, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের জেলার ১৫টি উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এলাকার মানুষ কোন ধরণের সহযোগিতা না পাওয়ায় হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের সন্ধদ্বীপ, মিরসরাই, সীতাকুন্ড, হাটহাজারী, রাউজান, রাগুনিয়া, ফটিকছড়ী, বোয়ালখালী, পটিয়া, কর্ণফুলী, আনোয়ারা, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালীসহ ১৫টি উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে গরীব অসহায় মানুষের পাশে কেউ দাড়াতে দেখা যায়নি।

পটিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, চন্দনাইশ উপজেলা চেয়ারম্যান ও এলডিপি নেতা আব্দুল জব্বার চৌধুরী, আনোয়ারা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক তৌহিদুল হক চৌধুরী, লোহাগাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও এলডিপি নেতা জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুল, সাতকানিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মোতালেব, বাঁশখালী উপজেলা চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব, সীতাকুন্ড উপজেলা চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি এস এম আল মামুন, রাগুনিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ খলিলুর রহমান, মীরসরাই উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জসীম উদ্দীন, হাটহাজারী উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম রাশেদুল আলম, ফটিকছড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান হোছাইন মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এ.কে এম এহেছানুল হক চৌধুরী, সন্ধীপ উপজেলা চেয়ারম্যান মাস্টার মোহাম্মদ শাহজাহানসহ অধিকাংশ সরকার দলীয় জনপ্রতিনিধি হওয়া শর্তেও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের কেউ মাঠে নাই।

অনেক উপজেলা চেয়ারম্যান গত ২৬ মার্চ এর পর থেকে একদিন এলাকায়ও আসেনি। দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও পটিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী গত ২৬ মার্চ এরপর পটিয়ায় দেখা যায়নি। তবে কেউ কেউ নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এলাকার মানুষের কাছে ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করছেন বলে দাবি করে আসছেন।

নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা মাঠে না থাকায় দলীয় নেতা কর্মীরাও সাধারণ মানুষের কাছে কৈফিয়ত দিতে হচ্ছে বলে নেতা কর্মীদের অভিযোগ।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম বিভাগের সাবেক সভাপতি ও রাগুনিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রেহেনা আখতার বেগম বলেন, বর্তমান সময়ে যেভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাড়ানো দরকার সেভাবে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে কেউ দাঁড়াতে পারছে না। কিছুকিছু এলাকার এমপিদের পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করতে দেখা যাচ্ছে বাকীদের কর্মকান্ড তেমন দেখা যাচ্ছে না, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবেও আমার এলাকায় মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করার চেষ্টা করতেছি আমার সার্মথ্য মতে।

 

এ বিষয়ে চন্দনাইশ উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার চৌধুরী বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে গরীব অসহায় মানুষের জন্য সরকারিভাবে উপজেলা পরিষদকে এক টাকার বরাদ্দও দেয়া হয়নি। এরমধ্যেও যেহেতু আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করি, জনসেবা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচিত হয়েছি। এলাকার গরীব অসহায়, মানুষের কথা চিন্ত করে আমি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রায় এক হাজার পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করেছি, আগামীতে আরো করার চেষ্টা করব। অনেক উপজেলা চেয়ারম্যান এলাকা ছেড়ে চলে গেছে বলে তিনি স্বীকার করেছেন।এ বিষয়ে পটিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া বলেন, উপজেলা চালাতে হলে নিজের কিছু দক্ষতা অভিজ্ঞতা দরকার, জনপ্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ যথাযথ না। এগুলো আদায় করার জন্য যোগ্যতা দরকার।

পটিয়া উপজেলা পরিষদ থেকে এককেজি চালও পটিয়াবাসী না পাওয়ায় হতাশ এলাকাবাসী। পটিয়া ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে গরীব অসহায় মানুষের পাশে না থাকার বিষয়ে জানার জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে মোবাইলে বার বার যোগাযোগ করা হলেও পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এ.কে.এম এহেছানুল হক চৌধুরী বাবুল বলেন, আমার এলাকায় উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে দিতে না পারলেও এমপি মহোদয়ের পক্ষ থেকে আমরা হাজার হাজার মানুষকে ত্রাণ সামগ্রী দিয়েছি। তবে এই সময়ে উপজেলা পরিষদগুলোকে বরাদ্দ দিয়ে গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর দরকার বলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রামের উপজেলা চেয়ারম্যানরা সবাই মিলে মিটিং করে মন্ত্রনালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর নিকট আবেদন জানানো হবে বলে তিনি জানান।

উপজেলা পরিষদের বরাদ্দের প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান দেবব্রত দাশ দেবু বলেন, জেলা পরিষদের যে বরাদ্দগুলো দেয়া হয়েছে সেগুলো উপজেলায় দেয়া হয়েছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরা চাইলেও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সাথে আলাপ আলোচনা করে এলাকার মানুষকে কিছু ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন বলে তিনি জানান, তবে উপজেলা পরিষদের জন্য বিশেষ কোন বরাদ্দ মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া হয়নি বলে তিনি জানান।

ট্যাগ :

খাল খনন কর্মসূচি চালু করায় কৃষকের মুখে হাসি

দেখা নেই চট্টগ্রামের উপজেলা চেয়ারম্যানদের

প্রকাশিত : ০৫:১৩:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২০

চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কেউ মাঠে না থাকায় তৃণমূল ও প্রান্তিক মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। পৃথিবীব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বাংলাদেশেও শ্রমজীবী, কর্মজীবী, দিনমজুর,মানুষেরা কর্মহীন হয়ে পড়ায় সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায়েও অনেকে সাহায্য, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের জেলার ১৫টি উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এলাকার মানুষ কোন ধরণের সহযোগিতা না পাওয়ায় হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের সন্ধদ্বীপ, মিরসরাই, সীতাকুন্ড, হাটহাজারী, রাউজান, রাগুনিয়া, ফটিকছড়ী, বোয়ালখালী, পটিয়া, কর্ণফুলী, আনোয়ারা, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালীসহ ১৫টি উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে গরীব অসহায় মানুষের পাশে কেউ দাড়াতে দেখা যায়নি।

পটিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, চন্দনাইশ উপজেলা চেয়ারম্যান ও এলডিপি নেতা আব্দুল জব্বার চৌধুরী, আনোয়ারা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক তৌহিদুল হক চৌধুরী, লোহাগাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও এলডিপি নেতা জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুল, সাতকানিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মোতালেব, বাঁশখালী উপজেলা চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব, সীতাকুন্ড উপজেলা চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি এস এম আল মামুন, রাগুনিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ খলিলুর রহমান, মীরসরাই উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জসীম উদ্দীন, হাটহাজারী উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম রাশেদুল আলম, ফটিকছড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান হোছাইন মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এ.কে এম এহেছানুল হক চৌধুরী, সন্ধীপ উপজেলা চেয়ারম্যান মাস্টার মোহাম্মদ শাহজাহানসহ অধিকাংশ সরকার দলীয় জনপ্রতিনিধি হওয়া শর্তেও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের কেউ মাঠে নাই।

অনেক উপজেলা চেয়ারম্যান গত ২৬ মার্চ এর পর থেকে একদিন এলাকায়ও আসেনি। দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও পটিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী গত ২৬ মার্চ এরপর পটিয়ায় দেখা যায়নি। তবে কেউ কেউ নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এলাকার মানুষের কাছে ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করছেন বলে দাবি করে আসছেন।

নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা মাঠে না থাকায় দলীয় নেতা কর্মীরাও সাধারণ মানুষের কাছে কৈফিয়ত দিতে হচ্ছে বলে নেতা কর্মীদের অভিযোগ।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম বিভাগের সাবেক সভাপতি ও রাগুনিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রেহেনা আখতার বেগম বলেন, বর্তমান সময়ে যেভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাড়ানো দরকার সেভাবে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে কেউ দাঁড়াতে পারছে না। কিছুকিছু এলাকার এমপিদের পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করতে দেখা যাচ্ছে বাকীদের কর্মকান্ড তেমন দেখা যাচ্ছে না, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবেও আমার এলাকায় মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করার চেষ্টা করতেছি আমার সার্মথ্য মতে।

 

এ বিষয়ে চন্দনাইশ উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার চৌধুরী বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে গরীব অসহায় মানুষের জন্য সরকারিভাবে উপজেলা পরিষদকে এক টাকার বরাদ্দও দেয়া হয়নি। এরমধ্যেও যেহেতু আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করি, জনসেবা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচিত হয়েছি। এলাকার গরীব অসহায়, মানুষের কথা চিন্ত করে আমি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রায় এক হাজার পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করেছি, আগামীতে আরো করার চেষ্টা করব। অনেক উপজেলা চেয়ারম্যান এলাকা ছেড়ে চলে গেছে বলে তিনি স্বীকার করেছেন।এ বিষয়ে পটিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া বলেন, উপজেলা চালাতে হলে নিজের কিছু দক্ষতা অভিজ্ঞতা দরকার, জনপ্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ যথাযথ না। এগুলো আদায় করার জন্য যোগ্যতা দরকার।

পটিয়া উপজেলা পরিষদ থেকে এককেজি চালও পটিয়াবাসী না পাওয়ায় হতাশ এলাকাবাসী। পটিয়া ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে গরীব অসহায় মানুষের পাশে না থাকার বিষয়ে জানার জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে মোবাইলে বার বার যোগাযোগ করা হলেও পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এ.কে.এম এহেছানুল হক চৌধুরী বাবুল বলেন, আমার এলাকায় উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে দিতে না পারলেও এমপি মহোদয়ের পক্ষ থেকে আমরা হাজার হাজার মানুষকে ত্রাণ সামগ্রী দিয়েছি। তবে এই সময়ে উপজেলা পরিষদগুলোকে বরাদ্দ দিয়ে গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর দরকার বলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রামের উপজেলা চেয়ারম্যানরা সবাই মিলে মিটিং করে মন্ত্রনালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর নিকট আবেদন জানানো হবে বলে তিনি জানান।

উপজেলা পরিষদের বরাদ্দের প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান দেবব্রত দাশ দেবু বলেন, জেলা পরিষদের যে বরাদ্দগুলো দেয়া হয়েছে সেগুলো উপজেলায় দেয়া হয়েছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরা চাইলেও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সাথে আলাপ আলোচনা করে এলাকার মানুষকে কিছু ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন বলে তিনি জানান, তবে উপজেলা পরিষদের জন্য বিশেষ কোন বরাদ্দ মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া হয়নি বলে তিনি জানান।