০৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ঘরেই নামাজ আদায় করতে বললেন মেয়র জাহাঙ্গীর 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সাধারণ জনগণকে মসজিদে গিয়ে নামাজ না আদায় করতে নির্দেশনা দিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রনালয়। সীমিত পরিসরে ইমাম ও মোয়াজ্জিম সহ সর্বোচ্চ পাঁচ জনকে নামাজ আদায় করতে বলেছেন। এর মধ্যে  গতকাল গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে কোনো বাধা থাকবে না বলে এক ভিডিও বার্তায় ঘোষণা দেন।
তবে তিনি বুধবার বিকেলে আরেকটি ভিডিও বার্তায় বলেন, সরকারের নির্দেশনা মেনে বাসায় নামাজ আদায় করি। মঙ্গলবার এক ভিডিও বার্তায় মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গাজীপুর মহানগরীতে মাত্র কয়েকটি এলাকায় করোনাভাইরাস রয়েছে। বাকিগুলো পাশের উপজেলাগুলোতে অবস্থান করছে। যেহেতু গাজীপুরের গার্মেন্টসগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে, তাই এ রমজান মাসে এখন আর মসজিদে অল্পসংখ্যক মুসল্লিদের জন্য সীমাবদ্ধ রাখার কোনো প্রয়োজন নেই। শুক্রবারের জুমার নামাজ ও রমজানের তারাবির নামাজে মুসল্লিগণ অংশ নিতে পারবেন। এতে সিটি করপোরেশনের কোনো বাধা থাকবে না।
করোনাভাইরাসে আক্রান্তের দিক থেকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের পরই গাজীপুরের অবস্থান। গতকাল পর্যন্ত গাজীপুর সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে পাওয়া তথ্যে, গাজীপুরে ৩৩১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। গত ৬ এপ্রিল দেশের সব মসজিদে বাইরে থেকে মুসল্লি ঢোকার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সরকার জানায়, ইমাম-মোয়াজ্জিনসহ মসজিদের খাদেমরা মিলে পাঁচজনের জামাত হবে। এ ছাড়া রোজায় তারাবিহর জামাতে ১২ জন একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবে।
মেয়র ভিডিও বার্তায় আরও বলেন, গাজীপুরে গার্মেন্টস খুলে দেওয়ার কারণে এখন ঝুঁকি আরো বেড়ে গেছে।কোন ওয়ার্ডে কতজন করোনা পজিটিভ লোক রয়েছে তা সঠিকভাবে জানা যাচ্ছে না বিধায় জীবনের কথা চিন্তা করে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা আরও কিছুদিন সরকার ও ধর্ম মন্ত্রণালয় এর নির্দেশনা মেনে মসজিদ ভিত্তিক কার্যক্রম মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
 
ট্যাগ :

খাল খনন কর্মসূচি চালু করায় কৃষকের মুখে হাসি

সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ঘরেই নামাজ আদায় করতে বললেন মেয়র জাহাঙ্গীর 

প্রকাশিত : ০৭:৩৭:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২০
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সাধারণ জনগণকে মসজিদে গিয়ে নামাজ না আদায় করতে নির্দেশনা দিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রনালয়। সীমিত পরিসরে ইমাম ও মোয়াজ্জিম সহ সর্বোচ্চ পাঁচ জনকে নামাজ আদায় করতে বলেছেন। এর মধ্যে  গতকাল গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে কোনো বাধা থাকবে না বলে এক ভিডিও বার্তায় ঘোষণা দেন।
তবে তিনি বুধবার বিকেলে আরেকটি ভিডিও বার্তায় বলেন, সরকারের নির্দেশনা মেনে বাসায় নামাজ আদায় করি। মঙ্গলবার এক ভিডিও বার্তায় মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গাজীপুর মহানগরীতে মাত্র কয়েকটি এলাকায় করোনাভাইরাস রয়েছে। বাকিগুলো পাশের উপজেলাগুলোতে অবস্থান করছে। যেহেতু গাজীপুরের গার্মেন্টসগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে, তাই এ রমজান মাসে এখন আর মসজিদে অল্পসংখ্যক মুসল্লিদের জন্য সীমাবদ্ধ রাখার কোনো প্রয়োজন নেই। শুক্রবারের জুমার নামাজ ও রমজানের তারাবির নামাজে মুসল্লিগণ অংশ নিতে পারবেন। এতে সিটি করপোরেশনের কোনো বাধা থাকবে না।
করোনাভাইরাসে আক্রান্তের দিক থেকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের পরই গাজীপুরের অবস্থান। গতকাল পর্যন্ত গাজীপুর সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে পাওয়া তথ্যে, গাজীপুরে ৩৩১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। গত ৬ এপ্রিল দেশের সব মসজিদে বাইরে থেকে মুসল্লি ঢোকার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সরকার জানায়, ইমাম-মোয়াজ্জিনসহ মসজিদের খাদেমরা মিলে পাঁচজনের জামাত হবে। এ ছাড়া রোজায় তারাবিহর জামাতে ১২ জন একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবে।
মেয়র ভিডিও বার্তায় আরও বলেন, গাজীপুরে গার্মেন্টস খুলে দেওয়ার কারণে এখন ঝুঁকি আরো বেড়ে গেছে।কোন ওয়ার্ডে কতজন করোনা পজিটিভ লোক রয়েছে তা সঠিকভাবে জানা যাচ্ছে না বিধায় জীবনের কথা চিন্তা করে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা আরও কিছুদিন সরকার ও ধর্ম মন্ত্রণালয় এর নির্দেশনা মেনে মসজিদ ভিত্তিক কার্যক্রম মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।