জেলার মিরসরাইয়ে কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) এ আক্রান্ত দ্বিতীয় রোগী সনাক্ত হওয়ায় ৩টি বাড়ির ২৬ পরিবারকে লকডাউন করেছে উপজেলা প্রশাসন। ওই রোগীর সরাসরি সংস্পর্শে থাকা ১৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া তার সাথে ফুটবল খেলায় অংশগ্রহণ করা এলাকার লোকজন ও তাদের পরিবারের খোজ নেওয়া হচ্ছে।
নতুন এই রোগী গত ২১ এপ্রিল শ্বাসকষ্ট নিয়ে ফৌজদারহাটে অবস্থিত বাংলাদেশ ট্রপিক্যাল ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) এ নমুনা প্রদান শেষে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে (বিআইটিআইডি) সংগ্রহকৃত নমুনার ফলাফল প্রকাশ করলে মিরসরাইয়ের ওই যুবকের রিপোর্ট পজিটিভ আসার বিষয়টি চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন আছেন।
জানা গেছে, আক্রান্ত যুবক (৩০) মিঠানালা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের পাত্তার পুকুর গ্রামের মোল্লা বাড়ির বাসিন্দা। পেশায় তিনি একজন প্রাইভেটকার চালক। গাড়ী চালক হওয়ায় তিনি অন্যের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ১৮ এপ্রিল বাড়ির পাশে ফুটবল খেলে সন্ধ্যায় বাড়িতে আসার পর থেকেই তিনি অসুস্থতাবোধ করেন। এসময় জ্বর ও গলা ব্যাথা অনুভব করলে গত ২১ এপ্রিল বিআইটিআইডিতে গিয়ে নিজে নমুনা দেন এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ উপজেলা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া যুবকের বাড়ী ও তার গাড়ীর সহকারীর বাড়ি এবং তাকে চট্টগ্রাম শহরে নিয়ে যাওয়া ওই গাড়ীর চালকের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। ১৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত : গত ১৮ এপ্রিল উপজেলার খৈয়াছড়া ইউনিয়নের নিজতালুক গ্রামে প্রথম এক নারী করোনা রোগী হিসেবে মিরসরাইয়ে সনাক্ত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক













