নগরীর টেরিবাজারের এক দোকন কর্মচারীর মৃত্যুর ঘটনায় এ এস আই কামরুল ইসলামসহ পুলিশের ৩ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
গতকাল রাতেই কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে তাদের পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এদিকে নিহত গিরিধারী চৌধুরীর (৫৮) মৃত্যুর রহস্যটি এখনো পরিষ্কার নয় তবে পুলিশের দাবী সে হৃদরোগে আক্রান্ত ছিল এবং হার্ট এ্যাটাকেই তার মৃত্যু হয়েছে তবে এর পিছনে অন্য কোন কারন আছে কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য গতকাল (২৯ এপ্রিল) রাতেই ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আর এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে সিএমপি দক্ষিণের এডিসি শাহ মুহাম্মদ আবদুর রউফকে আর পুলিশের ৩ সদস্যকে প্রথ্যাহরের বিষয়টি তিনি এই প্রতিবেদককে মুঠোফোনে নিশ্চিত করে বলেন মৃত্যুর ঘটনাটি দুঃখজনক তবে এই ঘটনায় কে দায়ী তা এখনি বলা যাচ্ছেনা, তদন্ত চলছে ২৪ ঘন্টার মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।
তদন্তে দোষীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তদন্ত কমিটিতে থাকা অপর ২ সদস্য হলেন সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালী জোন) ও অফিসার ইনচার্জ কোতোয়ালী থানা।
উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) রাতে কোতোয়ালী থানা এলাকার টেরিবাজারের কাপড়ের দোকানের কর্মচারী গিরিধারী চৌধুরী (৫৮) নিহত হয়।
সে টেরিবাজারের প্রার্থনা বস্ত্রালয়ের কর্মচারী। তার গ্রামের বাড়ি চন্দনাইশ বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রার্থনা বস্ত্রালয় থেকে কাপড় বের করছিলেন ওই দোকানের কর্মচারী গিরিধারী চৌধুরী। তখন সেখানে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে আটক করে।
তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তাদের হাতে মারধরের শিকার হন তিনি। পরে ওই এলাকায় টহল ডিউটিতে থাকা এএসআই কামরুল ও দুই কনস্টেবল মিলে গিরিধারী চৌধুরীকে বক্সিরবিট পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যান।
পুলিশ ফাঁড়িতে দোকানের মালিককে আসতে ফোনও করা হয়। সেখানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান গিরিধারী চৌধুরী।













