লক্ষ্মীপুরে ভবানীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ভূঁইয়া বংশ।লাতু ভূঁইয়া জীবিত অবস্থায় বৃহত্তর ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। ভাইয়ের অকাল মৃত্যু পরিবারের দিকপাল হারানোর মতই। ভাই লাতু ভূঁইয়া বিহীন ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কাউন্সিলে বিপুল ভোটে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিজনতন্ত্রের অর্থ লিপ্সার কারণে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কমিটিকে ভেঙ্গে দিয়ে বিজন বাবু সকল ময়দান থেকে বিতাড়িত হলেও তিনি ভূঁইয়া রয়ে তৃনমূল আওয়ামলীগের নেতা কর্মীসহ রয়ে গেলেন জনতার মাঝে। বলছি মামুনুর রশিদ ভূঁইয়ার কথা। যিনি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সর্বশেষ ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির সাধারণ সম্পাদক।
এছাড়া ভবানীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে মার্কেট নির্মাণসহ বহু সমাজ উন্নয়নমূলক কাজের গর্বিত অংশীদার। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে মামুনুর রশিদ ভূইয়াকে দূরে রাখতে সক্ষম হলেও দলীয় সকল কর্মসূচীতে মামুনুর রশিদ ভূঁইয়ার পদচারনা উল্লেখ করার মতো,যার স্বাক্ষী ইউনিয়নের তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। করোনা ক্রান্তিকালে স্থানীয় সাংসদের পক্ষে কোন ত্রাণ বিতরনে মামুন ভূঁইয়ার সাথে সমন্বয় করা না হলেও আক্ষেপ নেই উনার। কারণ তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ভোটের ময়দানে জীবন বাজি রেখে নৌকার পক্ষে কাজ করেছিলেন,এটাই সান্তনা। করোনার সূচনা লগ্নে সুরক্ষামূলক উপকরণ বিতরণ করেছিলেন এলাকাবাসীর মাঝে। এবার খাদ্য সামগ্রী নিয়ে হাজির হলেন এলাকাবাসীর সামনে। কোন নেতার পক্ষ থেকে প্যাকেট নিয়ে ক্যামেরার সামনে হাজির না হয়ে নিজের ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে মামুন ভূঁইয়া ছুটে চলেছেন গ্রাম থেকে গ্রামে। ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে এমন প্রয়াস অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়ে মামুনুর রশিদ ভূঁইয়া তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন বলেন, রক্তের সাথে মিশে আছে আওয়ামী লীগ দলীয় সমর্থন আর সামাজিকতা রক্ষার পিতৃ প্রজন্মের অভিজ্ঞতা।
তাই ভবানীগঞ্জেরই গুটি কয়েক পদলোভীর পদের দোহাই দিয়ে সরকারী ত্রাণের জন্য অপেক্ষা না করে মানবতার ডাকে সাড়া দিয়েছি।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ













