রোহিঙ্গা কর্তৃ ক টেকনাফে হোয়াইক্যংয়ের স্থানীয় বাসিন্দা ৩ যুবককে অপহরণের ৩ দিনেও উদ্ধার হয়নি। এই নিয়ে এলাকায় আতংক বিরাজ করছে। জানা যায় গত ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার রোহিঙ্গা ডাকাত দল অপহরণকৃত ৩ যুবকসহ ৬ জনকে অপহরণ করে।পরে এক বস্তা চালসহ অন্যান্য জিনিসের বদলে ৩ জনকে ছেড়ে দিলেও অপর ৩ জনকে মুক্তিপণ আদায়ের জন্য এখন পর্যন্ত তাদের কাছে জিম্মি করে রাখে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপরহণ হওয়া এক যুবকের নিকটআত্বীয় জানান,মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে হোয়াইক্যং মিনাবাজার পশ্চিম ঘোনার ক্ষেতখামার থেকে সশস্ত্র রোহিঙ্গারা পাহাড় থেকে নেমে এসে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
অপহরণকারী রোহিঙ্গারা টেকনাফের পাহাড়ে অবস্থানরত সশস্ত্র রোহিঙ্গা আবদুল হাকিম ডাকাত বাহিনীর সদস্য বলে মনে করছেন ফিরে আসা অপহৃতরা। ক্ষেত পাহারা দেয়াকালীন সময়ে পাহাড় থেকে ৬ জনের সশস্ত্র দলটি নেমেই কৃষক আবুল হাশেম ও তার দুই পুত্র জামাল এবং রিয়াজুদ্দিন, স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ হোসেনের পুত্র ও হ্নীলা মঈন উদ্দীন কলেজের এইচএসসি ২য় বর্ষের ছাত্র শাহ মোহাম্মদ শাহেদ (২৫), মৌলভী আবুল কাছিমের পুত্র আকতারুল্লাহ (২৪) ও মৃত মোহাম্মদ কাশেমের পুত্র ইদ্রিসকে(২৬) অপহরণ করে নিয়ে যায়।পরে অপহরণকারিরা একই রাতে এক বস্তা চালসহ অন্যান্য পণ্যের বিনিময়ে আবুল হাশেমসহ তার দুই পুত্রকে ছেড়ে দিলেও অপর তিনজনকে গহীন অরণ্যে অস্ত্রধারীরা নিয়ে গেছে বলে জানান। বুধবার বিকালের দিকে অপহরণকারীরা অপহৃত শাহেদের মোবাইল নিয়ে তার পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে।
টাকা না দিলে শাহেদকে খুন করার হুমকি প্রদান করে। রোহিঙ্গাদের প্রত্যেকের কাছেই অস্ত্র রয়েছে বলে জানান ফিরে আসা অপহৃতরা। এ বিষয়ে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মশিউড় রহমান বলেন, অপহৃত ৩ যুবককে উদ্ধার করতে আজ বৃহস্পতিবার সারাদিন পুলিশের একটি টিম হোয়াইক্যং এর গহীন পাহাড়ে রোহিঙ্গা ডাকাত দলের আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করেন।এ পর্যন্ত অপহৃত কোন যুবককে উদ্ধার করা সম্ভব হয় নাই তবে উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।













