করোনা ভাইরাস (কোভডি-১৯) এর প্রার্দূভাবে র্কমহীন হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায় দুই শতাদিক হোটেল রস্টেুরেন্টের প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক কর্মচারী।
দীর্ঘ দেড় মাস ধরে হোটেল রেষ্টুরেন্ট বন্ধ থাকায় চরম কষ্টে দিন কাটছে র্কমহারা এসব শ্রমিক র্কমচারীদের। র্দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ক্ষতির মুখে হোটেল মালিকরাও।
জানা গেছে, মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে অবস্থিত প্রায় দুই শতাধিক হোটেল রেষ্টুরেন্ট রয়েছে। এসব হোটেল রেষ্টুরেন্টে প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক কাজ করে। দৈনিক বেতনে কাজ করে যা আয় হয় তা দিয়ে তাদের সংসার চলে।
কিন্তু গত দেড় মাস ধরে তারা বেকার বসে থাকায় অনেক কষ্টে খেয়ে না খেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে দিন কাটছে তাদের।
মিরসরাই পৌরসভায় অবস্থতি আল মক্কা রেষ্টুরেন্টের মালিক রবিউল হোসেন রবি বলেন, রেষ্টুরেন্ট বন্ধ থাকায় আমরা অনেক ক্ষতির সম্মুক্ষিন হচ্ছি।
আরো কতদিন এভাবে চলবে জানিনা। আমার এখানে ৩০জন শ্রমিক কাজ করতো। এখন তাদের অনেকেই কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। কেউ তাদের সাহায্য সহযোগীতা করেনি।
একাধিক হোটেল শ্রমিক জানান, হাতে কাজ নেই, পয়সাও নেই।
যতই সময় যাচ্ছে ততই আতঙ্ক বাড়ছে, আয় রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। চারদিকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের খবর শুনলেও তাদের ভাগ্যে এখনো কোন সাহায্য জোটেনি।
মিরসরাই সদরের পার্কইন রেষ্টুরেন্টের কর্মচারি মোঃ হাসান ও আলা উদ্দিন বলেন, এক মাসের বেশি সময় ধরে রেষ্টুরেন্ট বন্ধ।
বাড়িতে যাওয়ার সময় মালিক যে টাকা দিয়েছে তা ১০ দিনে খরচ হয়ে গিয়েছে। এরপর থেকে অনেক কষ্টে আমাদের দিন যাচ্ছে। চারদিকে ত্রাণ সামগ্রী দেয়ার কথা শুনতেছি, কিন্তু আমাদের ত্রাণ দেয়া তো দুরের কথা কেউ আমাদের একবার কেমন আছি জিজ্ঞেসও করেনি।
পার্কইন রেষ্টুরেন্টের মালিক শাহাদাত হোসেন বলেন, শ্রমিকরা বার বার ফোন দিচ্ছে কখন রেষ্টুরেন্ট খুলবো।
তারা বাড়ি থেকে চলে আসতে চাইছে। আর পারছে না বসে থাকতে। রমজান উপলক্ষে প্রশাসনের বিধি মেনে ৩ ঘন্টা ইফতারি আইটেম বিক্রির জন্য খোলার জন্য চিন্তা করছিলাম, কিন্তু হিসেব করে দেখলাম পুজিও উঠবেনা। তাই খোলা রাখার চিন্তা বাদ দিয়েছি।
বারৈয়ারহাট গ্রীণর্পাক রেষ্টুরেন্টের মালিক নজরুল ইসলাম লিটন বলেন, রমজান উপলক্ষে ভোক্তাদের চাহিদার কথা বিবচেনা করে হরেক রকম আইটেম ইফতারি তৈরি করা হয়। ব্যস্ত সময় পার করে কারিগররা।
অথচ করোনা ভাইরাসের প্রভাবে এখন সেই আবস্থা আর নেই। আমাদের রেষ্টুরেন্টে ৪০ জন কর্মচারী রয়েছে। যারা এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্ততৃপক্ষকে অনুরোধ করবো হোটেল শ্রমিকদের তালিকা তৈরি করে যেন সরকারিভাবে ত্রাণের ব্যাবস্থা করা হয়।
এব্যাপারে উপজলো ৫নং ওর্য়াড কমশিনার জহির উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সরকারের নির্দেশিত ১১ ক্যাটাগরির নাগরিকদের ত্রাণসহায়তা দেওয়া সম্ভ^ব হয়নি। যারকারনে হোটেল শ্রমিকরা আওতার বাহিরে ছিল। যেহেতু স্থানিয়ভাবে ত্রাণ বিতরণ করা হয় নিশ্চয় হোটেল শ্রমিকরা তাদের এলাকায় ত্রান পেতে পারে।













