১০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

পটুয়াখালীতে প্রায় সাতশো নমুনা সংগ্রহ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ

 করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত এবং আক্রান্ত সন্দেহে (৩০ এপ্রিল) পর্যন্ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রায় সাতশো জনের নমুনা সংগ্রহ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা।
এর মধ্যে ৩৬৫টি রিপোর্টে ভারতীয় নাগরিকসহ ২৭জনের কোভিড-(১৯) পজিটিভ শনাক্ত, চার জন সুস্থ এবং তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত এবং আক্রান্ত সন্দেহে নমুনা সংগ্রহ, আক্রান্তদের চিকিৎসা ও সেবা, রোগী বহনসহ সকল পর্যায়ে পটুয়াখালী স্বাস্থ্য বিভাগের প্রায় ২শ জনের বেশি কর্মী কাজ করছে।
পটুয়াখালী জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শিপনের নেতৃত্বে জেলার উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে চিকিৎসক, সেবিকা, ল্যাব টেকনিশিয়ান, অফিস সহকারী, অফিস সহায়ক, গাড়িচালকসহ প্রায় ২০০জন কাজ করছেন।
এছাড়াও পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালেরও কর্মকর্তা, চিকিৎসক, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও গাড়ি চালকরাও দিনরাত শ্রম দিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসক ও সেবিকাদের নিবিড় পরিচর্যায় মরণঘাতী মহামারী থেকে জেলায় ৪জন করোনা আক্রান্ত (কোভিড-১৯) পজিটিভ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জেলা পরিবার পরিকল্পনা ভবনের আইসোলিউসেন ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকা ওই চারজনকে সুস্থতার ছাড়পত্র দেয় স্বাস্থ্য বিভাগ।
সুস্থ চারজন আগামী ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতেও কাজ করছেন তারা। জেলায় করোনায় আক্রান্ত ২৩ জনকে আইসোলেশন রাখা হয়েছে।
সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মুনায়েম সাদ জানান, তিনিই একাই স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের নিয়ে প্রায় শতাধিক নমুনা সংগ্রহ করেছেন। তিনি আরও বলেন, শুধু তিনি একা নন, এরকম সকল স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ করছেন।
তিনি বলেন, আমরা নিজের পরিবারের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে নামি, নমুনা সংগ্রহ করতে যাই। আমার জন্য চিন্তা করিনা, কিন্তু পরিবারের বৃদ্ধ থেকে শুরু করে শিশুরাও আমার জন্য আক্রান্ত হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, নিজের পেশাগত দায়িত্ব এবং মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমরা করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ও আক্রান্তদের সেবায় কাজ করি।
এদিকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য ইতিপূর্বে প্রশাসনের মাধ্যমে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ৮৫টি শয্যার আইসোলেশন ইউনিট পরিপূর্ণ ভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।
প্রস্তুত রয়েছে সকল উপজেলায় ৫০ শয্যার প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইন ইউনিট এবং ভাসমান কোয়ারান্টাইন ইউনিট।
এছাড়াও জেলার হাসপাতালে পর্যাপ্ত ঔষধ, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও চিকিৎসক এবং সংশ্লিষ্টদের জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম মজুদ রয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ
ট্যাগ :

খাল খনন কর্মসূচি চালু করায় কৃষকের মুখে হাসি

পটুয়াখালীতে প্রায় সাতশো নমুনা সংগ্রহ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ

প্রকাশিত : ০৪:০৮:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২০
 করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত এবং আক্রান্ত সন্দেহে (৩০ এপ্রিল) পর্যন্ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রায় সাতশো জনের নমুনা সংগ্রহ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা।
এর মধ্যে ৩৬৫টি রিপোর্টে ভারতীয় নাগরিকসহ ২৭জনের কোভিড-(১৯) পজিটিভ শনাক্ত, চার জন সুস্থ এবং তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত এবং আক্রান্ত সন্দেহে নমুনা সংগ্রহ, আক্রান্তদের চিকিৎসা ও সেবা, রোগী বহনসহ সকল পর্যায়ে পটুয়াখালী স্বাস্থ্য বিভাগের প্রায় ২শ জনের বেশি কর্মী কাজ করছে।
পটুয়াখালী জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শিপনের নেতৃত্বে জেলার উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে চিকিৎসক, সেবিকা, ল্যাব টেকনিশিয়ান, অফিস সহকারী, অফিস সহায়ক, গাড়িচালকসহ প্রায় ২০০জন কাজ করছেন।
এছাড়াও পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালেরও কর্মকর্তা, চিকিৎসক, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও গাড়ি চালকরাও দিনরাত শ্রম দিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসক ও সেবিকাদের নিবিড় পরিচর্যায় মরণঘাতী মহামারী থেকে জেলায় ৪জন করোনা আক্রান্ত (কোভিড-১৯) পজিটিভ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জেলা পরিবার পরিকল্পনা ভবনের আইসোলিউসেন ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকা ওই চারজনকে সুস্থতার ছাড়পত্র দেয় স্বাস্থ্য বিভাগ।
সুস্থ চারজন আগামী ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতেও কাজ করছেন তারা। জেলায় করোনায় আক্রান্ত ২৩ জনকে আইসোলেশন রাখা হয়েছে।
সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মুনায়েম সাদ জানান, তিনিই একাই স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের নিয়ে প্রায় শতাধিক নমুনা সংগ্রহ করেছেন। তিনি আরও বলেন, শুধু তিনি একা নন, এরকম সকল স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ করছেন।
তিনি বলেন, আমরা নিজের পরিবারের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে নামি, নমুনা সংগ্রহ করতে যাই। আমার জন্য চিন্তা করিনা, কিন্তু পরিবারের বৃদ্ধ থেকে শুরু করে শিশুরাও আমার জন্য আক্রান্ত হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, নিজের পেশাগত দায়িত্ব এবং মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমরা করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ও আক্রান্তদের সেবায় কাজ করি।
এদিকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য ইতিপূর্বে প্রশাসনের মাধ্যমে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ৮৫টি শয্যার আইসোলেশন ইউনিট পরিপূর্ণ ভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।
প্রস্তুত রয়েছে সকল উপজেলায় ৫০ শয্যার প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইন ইউনিট এবং ভাসমান কোয়ারান্টাইন ইউনিট।
এছাড়াও জেলার হাসপাতালে পর্যাপ্ত ঔষধ, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও চিকিৎসক এবং সংশ্লিষ্টদের জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম মজুদ রয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ