দেশের ক্রান্তিলগ্নে করোনায় আক্রান্তদের সহায়তা দিতে ভিক্ষুকদের এগিয়ে আসার ভূমিকা থাকলেও মাঠে নেই চট্টগ্রামের বিশিষ্ট শিল্পপতি ও রাজনীতিবিদ পরিবার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ওয়েল গ্রুপের কেউ।
চট্টগ্রামে বিশিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের একটি আকাশ জোড়া নাম হলো ওয়েল গ্রুপ। এগ্রুপে রয়েছে টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, স্টিলস মিল, এগ্রো, অভিজাত আবাসিক হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এবং খাদ্যউৎপাদন ব্যবসা সহ “ওয়েল ফুড” ব্রান্ডের একটি বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান।
সম্প্রতি এগ্রুপের পরিচালিত ওয়েল ফুডের একটি বিক্রয় কেন্দ্র থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ পাউরুটি বিক্রয়ের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ফেইসবুক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ইতিমধ্যে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নিয়ে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীপেশা মানুষের মাঝে গুঞ্জন শুরু হয়ে গেছে।
জানা যায় রাজনৈতিক ভাবে ওয়েলগ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়াম্যান ও পরিচালক আবদুচ ছালাম চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)’র একটানা দশ বছর চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন। এসুবাদে নগরীর বহদ্দারহাট এলাকায় উড়ালসেতু নির্মানের দায়িত্ব পান তিনি।
এতে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রীর ব্যাবহার এবং দক্ষ তদারকির অভাবে উড়ালসেতুটির গার্ডার ভেঙ্গে ১৭জন মানুষ নিহত এবং ৫০ জন আহত হন।
বর্তমানে ছালামের পরিবার ক্ষমতাসীন দলের সাথে রাজনৈতিক ভাবে সম্পৃক্ত থাকলেও সাধারণ জনগণ এবং করোনায় আটকে পরা গরীব অসহায় মানুষের পাশে দেখা যায়নি।
এদিকে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশের সরকার লকডাউন ঘোষণার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন স্থগিত করলেও অদৃশ্য কারণে ওয়েলফুডের কারখানা চালু রেখে গোপনে ব্যবসার মাধ্যমে পঁচা-বাসি, মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার বিক্রি করে চলছে অবৈধ অর্থ উপার্জনের পায়তারা।
এতে এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ওয়েল পরিবার। চারিদিকে নিন্দার উঠেছে ওয়েল পরিবারের বিরুদ্ধে।
বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক













