১১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

সাতক্ষীরায় করোনায় কৃষকরা দিশাহারা

মহামারী করোনা এবার হানা দিয়েছে সাতক্ষীরায় এক স্বাস্থ কর্মির পর এবার তালার নগরঘাটায় এক এন,জি,ও কর্মি আক্রান্ত।সাধারন মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত। ঘরের বাইরে করোনা কোথায় যে অবস্থান তা কেউ বলতে পারে না।মাঠের সবজি বাজারে বিক্রি করে কোন মতে কৃষি নির্ভর মানুষগুলো চলছিল।জেলার অন্যতম সবজির পাইকারী বাজার মৌলবীবাজার করোনা রোগীর বাড়ি থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার। সে কারনে বাজারে ব্যাপারী ও কৃষকদের ভিড় আজ লক্ষ্য করা যায়নি বলে জানিয়েছেন পাটকেলঘাটার ব্যাপারী আঃ সামাদ।এ দিকে জেলা জুড়ে চলছে বোরো ধান কাটার মৌসুম।করোনার ভয়ে ধান কাটতে শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না।এরই মধ্যে গত কয়েকদিন গুড়িগুড়ি বৃষ্টির পর আজ মুষলধারে বৃষ্টিতে কৃষকের মাড়ায়ের জন্য প্রস্তুত ধান পানিতে ভাঁসছে। এ যেন মরার উপর খঁড়ার ঘাঁ।

এ দিকে জেলার যে সমস্থ কাঁচা বাজার করোনা রোধে বিভিন্ন খেলার মাঠে স্থানান্তর করা হয়েছিল।সেখানে কালবৈশাখী ঝড় আর বৃষ্টিতে ব্যাবসায়ীদের মাথায় হাত।আজ জেলার ৭ উপজেলায় সহকর্মিদের সাথে কথা বলে জেনেছি সব স্থানে একই অবস্থা।সাধারণের দাবী এই মুহুর্তে সরকারি ভাবে কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে না পারলে জেলার গ্রামীণ অর্থনীতি চরম ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ট্যাগ :

খাল খনন কর্মসূচি চালু করায় কৃষকের মুখে হাসি

সাতক্ষীরায় করোনায় কৃষকরা দিশাহারা

প্রকাশিত : ০৯:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২০

মহামারী করোনা এবার হানা দিয়েছে সাতক্ষীরায় এক স্বাস্থ কর্মির পর এবার তালার নগরঘাটায় এক এন,জি,ও কর্মি আক্রান্ত।সাধারন মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত। ঘরের বাইরে করোনা কোথায় যে অবস্থান তা কেউ বলতে পারে না।মাঠের সবজি বাজারে বিক্রি করে কোন মতে কৃষি নির্ভর মানুষগুলো চলছিল।জেলার অন্যতম সবজির পাইকারী বাজার মৌলবীবাজার করোনা রোগীর বাড়ি থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার। সে কারনে বাজারে ব্যাপারী ও কৃষকদের ভিড় আজ লক্ষ্য করা যায়নি বলে জানিয়েছেন পাটকেলঘাটার ব্যাপারী আঃ সামাদ।এ দিকে জেলা জুড়ে চলছে বোরো ধান কাটার মৌসুম।করোনার ভয়ে ধান কাটতে শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না।এরই মধ্যে গত কয়েকদিন গুড়িগুড়ি বৃষ্টির পর আজ মুষলধারে বৃষ্টিতে কৃষকের মাড়ায়ের জন্য প্রস্তুত ধান পানিতে ভাঁসছে। এ যেন মরার উপর খঁড়ার ঘাঁ।

এ দিকে জেলার যে সমস্থ কাঁচা বাজার করোনা রোধে বিভিন্ন খেলার মাঠে স্থানান্তর করা হয়েছিল।সেখানে কালবৈশাখী ঝড় আর বৃষ্টিতে ব্যাবসায়ীদের মাথায় হাত।আজ জেলার ৭ উপজেলায় সহকর্মিদের সাথে কথা বলে জেনেছি সব স্থানে একই অবস্থা।সাধারণের দাবী এই মুহুর্তে সরকারি ভাবে কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে না পারলে জেলার গ্রামীণ অর্থনীতি চরম ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।