খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার রামগড় – ভারতের সাব্রুম সীমান্তে ফেনী নদীর উপর দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এক ভারতীয় মানসিক ভারসাম্যহীন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে ।
শুক্রবার( ১ লা মে) বিকাল ৪ টায় মানসিক ভারসাম্যহীন (পাগল) এক ব্যাক্তিকে খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলার রামগড় থানার সন্নিকটে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করানোর চেষ্টা করলে প্রথমে স্থানীয় এলাকাবাসী তা প্রতিরোধের চেষ্টা করে। পরবর্তিতে ৪৩ বিজির সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে ফেনী নদীর মাঝখানে ভারতের সীমান্ত বাহিনী বিএসএফএর সাথে পতাকা বৈঠক করেন। বৈঠকে কোন সিদ্ধান্ত না হওয়ায় তাৎক্ষণিক ভারত বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-বিজিবি মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে জানা যায়,আজ আনুমানিক ৪ টার দিকে কয়েকজন বিএসএফ সদস্য এবং ভারতীয় জনসাধারণ একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে (৩৫) ফেনী নদীতে নামিয়ে বাংলাদেশের দিকে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায় । অজ্ঞাত ব্যক্তি টি বার বার ভারতের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে ভারতের জনসাধারণ এবং বিএসএফ সদস্যরা তাকে বেদম প্রহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পু্শ ইনের চেষ্টা করে।
এদিকে দু দেশের সীমান্তে উত্তেজনা এড়াতে বিজিবি-বিএসএফের সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে রাত সাড়ে আটটায় মহামুনি বিওপি আওতাধীন ভারত ও বাংলাদেশের মৈত্রী সেতুর নিচে শূন্য লাইন সীমান্ত পিলার ২২১৫/৯ এস এর নিকট বৈঠক শুরু হয়ে রাত নয়টা তের মিনিটে শেষ হয়।বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে ১০ সদস্যের দলের নেতৃত্ব দেন বিজিবির সেক্টর কমান্ডার কর্নেল জি এইচ এম সেলিম হাসান পিএসসিজি এবং ভারতের পক্ষে১০ সদস্যের দলের নেতৃত্ব দেন বিএসএফ উদয়পুর সেক্টরের ডিআইজি জামিল আহমেদ। বৈঠকশেষে বিজিবি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দানকারী সেক্টর কমান্ডার সাংবাদিকদের জানান,বৈঠকে অজ্ঞাত ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে বিএসএফ গ্রহণ করে নেয় পরবর্তীতে ভারত ঐ ব্যাক্তিটিকে বাংলাদেশী প্রমাণ করতে পারলে বিজিবি তাকে গ্রহণ করে নিবে এবং উভয় দেশের সীমান্তে মোতায়েনকৃত বিএসএফ -বিজিবি সদস্যদের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়।




















