করেনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারনে সারাদেশ প্রায় লকডাউনে থাকায় অনেক শ্রমজীবি মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। ওই সকল মানুষ কোন ভাবে যেন না খেয়ে থাকে তার জন্য সরকার দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের আওতায় পরিবার ভিত্তিক মানবিক সহায়তা নামে কার্ডের ব্যবস্থা করেছেন। কার্ডের যেন কোন স্বজনপ্রীতি না হয় সেইজন্য তালিকাকৃত ব্যক্তিদের অবস্থান যাচায়ের জন্য বৃষ্ঠিতে ভিজে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁদের যাবতীয় তথ্যাদি যাচায় করছেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
শনিবার দুপুরে বৃষ্টিতে ভিজে উপজেলার ভাদুরিয়া ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামে গিয়ে তালিকা করা ওই কার্ডের ব্যক্তির বাড়িতে যান নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা.নাজমুন নাহার। তিনি মাহমুদ পুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের নলেয়া গ্রামে যাচাই করতে গিয়ে ৪টি পরিবার সচ্ছল ও পাকা ইটের বাড়ীর থাকায় এই তালিকা থেকে বাদ দেন।
এর আগে উপজেলার করোনা পরিস্থিতি,মানবিক সহায়তা কার্ডের যাবতীয় তথ্য এবং বাজার মনিটরিং করার জন্য তিনি উপজেলার প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা,পুলিশ সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবদের নিয়ে কুইক রেসপন্সটিম গঠন করেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রেফাউল আজম বলেন , করোনাভাইরাসের কারনে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় মানুষগুলোর জন্য উপজেলায় ৫৬৭০ জন মানুষকে পরিবার ভিত্তিক মানবিক সহায়তার কার্ডের ব্যবস্থা করেছে সরকার। ইতোমধ্যে এই কার্ডের জন্য তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। পরিবার ভিত্তিক মানবিক সহয়তা কার্ডের আওয়াতায় যারা অন্তরভূক্ত হবেন তারা প্রতি মাসে বিনামূল্যে ২০ কেজি করে চাল পাবেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও মোছা.নাজমুন নাহার বলেন, আগামী দুইদিনের মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে এই পরিবার ভিত্তিক মানবিক সহায়তার কার্ড জমা দিতে হবে। তাই সময় সঙ্কুলান না হওয়ায় বৃষ্টিতে ভিজেই এই কার্ডধারী ব্যক্তিদের তালিকা মোতাবেক বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই বাচাই করতে হচ্ছে। যাতে করে কোন প্রকার অসচ্ছতা না হয়।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ













