০১:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

আশার আলো দেখছে সবজি চাষীরা

লার হাটহাজারীতে করোনার ভাইরাসে কৃষকরা বিশেষ করে সবজি চাষীরা যখন দিশেহারা প্রায়  ৫ হাজার সবজি চাষীদের আশার আলো দেখিয়েছে উপজেলা প্রশাসনের ছোট্ট একটি ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ।

সবজি চাষীরা এই করেনা ক্রান্তি যাতে লোকসানে না পড়ে, ন্যায্য দাম পায় সেজন্য  তাদেও থেকে সরারসরি ন্যয্যমুল্যে সবজি কিনে বিতরণ করার জন্য বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের নির্দেশে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন। তার আলোকে করোনায় সরকারি চাল সহায়তার সঙ্গে নগদ বরাদ্দের টাকা দিয়ে নিজ নিজ এলাকার কৃষকের কাছ থেকে সবজি কিনে কর্মহীনদের মাঝে বিতরণ করছেন সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ ওয়াহেদ জানান, হাটহাজারীতে গ্রীষ্ম মৌসুমে প্রায় ৫৫০ হেক্টর জমিতে কাঁকরোল, বরবটি,মিস্টি কুমড়ো, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, লাউ, বেগুন, কচু, মরিচসহ নানা ধরণের সবজি চাষ করেন প্রায় ৫ হাজার চাষী।

ইউনিয়নের প্রান্তিক কৃষকরা জানান, ক্ষেতভর্তি সবজি ফলিয়েও করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। ইউএনও স্যার আমাদের বাঁচিয়েছেন। তার কারণে পরিবহন এবং শ্রমিক মজুরি ছাড়া ক্ষেতে বসেই ন্যায্যমূল্যে সবজি বিক্রি করতে পারছি।ফলে সবজি চাষীরা ন্যায্য মূল্য পেয়ে লাভের মুখ দেখছেন। বড় ধরণের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন।’

হাটহাজারীর গুমান মর্দন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান জানান, ইউএনও স্যারের নির্দেশে ক্ষেতে গিয়ে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে বাজার দরে সবজি কিনে সরকারি চাল সহায়তার সঙ্গে তা কর্মহীনদের মাঝে বিতরণ করছি আমরা।

ইউএনও মো. রুহুল আমিন বলেন, করোনার ৮ম ও ৯ম বরাদ্দে হাটহাজারী উপজেলার জন্য চালের সঙ্গে প্রায় ৬৫ হাজার টাকা নগদ সহায়তা পেয়েছি আমরা। এসবের পুরোটা দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ এলাকার চাষীদের কাছ থেকে সবজি কিনেছেন। অনাহারে থাকা মানুষের মাঝে বিলি করেছেন।

অনাহারী মানুষের পাশাপাশি কৃষকরা ন্যায্য দাম পেয়েছে। তিনি আরো  বলেন কৃষক বাঁচালে দেশ বাঁচাবে।কাউকে অনাহারে থাকতে হবে না।

 

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক

ট্যাগ :

খাল খনন কর্মসূচি চালু করায় কৃষকের মুখে হাসি

আশার আলো দেখছে সবজি চাষীরা

প্রকাশিত : ১০:৩৯:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২০

লার হাটহাজারীতে করোনার ভাইরাসে কৃষকরা বিশেষ করে সবজি চাষীরা যখন দিশেহারা প্রায়  ৫ হাজার সবজি চাষীদের আশার আলো দেখিয়েছে উপজেলা প্রশাসনের ছোট্ট একটি ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ।

সবজি চাষীরা এই করেনা ক্রান্তি যাতে লোকসানে না পড়ে, ন্যায্য দাম পায় সেজন্য  তাদেও থেকে সরারসরি ন্যয্যমুল্যে সবজি কিনে বিতরণ করার জন্য বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের নির্দেশে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন। তার আলোকে করোনায় সরকারি চাল সহায়তার সঙ্গে নগদ বরাদ্দের টাকা দিয়ে নিজ নিজ এলাকার কৃষকের কাছ থেকে সবজি কিনে কর্মহীনদের মাঝে বিতরণ করছেন সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ ওয়াহেদ জানান, হাটহাজারীতে গ্রীষ্ম মৌসুমে প্রায় ৫৫০ হেক্টর জমিতে কাঁকরোল, বরবটি,মিস্টি কুমড়ো, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, লাউ, বেগুন, কচু, মরিচসহ নানা ধরণের সবজি চাষ করেন প্রায় ৫ হাজার চাষী।

ইউনিয়নের প্রান্তিক কৃষকরা জানান, ক্ষেতভর্তি সবজি ফলিয়েও করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। ইউএনও স্যার আমাদের বাঁচিয়েছেন। তার কারণে পরিবহন এবং শ্রমিক মজুরি ছাড়া ক্ষেতে বসেই ন্যায্যমূল্যে সবজি বিক্রি করতে পারছি।ফলে সবজি চাষীরা ন্যায্য মূল্য পেয়ে লাভের মুখ দেখছেন। বড় ধরণের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন।’

হাটহাজারীর গুমান মর্দন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান জানান, ইউএনও স্যারের নির্দেশে ক্ষেতে গিয়ে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে বাজার দরে সবজি কিনে সরকারি চাল সহায়তার সঙ্গে তা কর্মহীনদের মাঝে বিতরণ করছি আমরা।

ইউএনও মো. রুহুল আমিন বলেন, করোনার ৮ম ও ৯ম বরাদ্দে হাটহাজারী উপজেলার জন্য চালের সঙ্গে প্রায় ৬৫ হাজার টাকা নগদ সহায়তা পেয়েছি আমরা। এসবের পুরোটা দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ এলাকার চাষীদের কাছ থেকে সবজি কিনেছেন। অনাহারে থাকা মানুষের মাঝে বিলি করেছেন।

অনাহারী মানুষের পাশাপাশি কৃষকরা ন্যায্য দাম পেয়েছে। তিনি আরো  বলেন কৃষক বাঁচালে দেশ বাঁচাবে।কাউকে অনাহারে থাকতে হবে না।

 

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক